Back

Explore every episode of the podcast অর্থসহ কোরান তেলাওয়াত || Quran Recitation with Bangla Translation

Dive into the complete episode list for অর্থসহ কোরান তেলাওয়াত || Quran Recitation with Bangla Translation. Each episode is cataloged with detailed descriptions, making it easy to find and explore specific topics. Keep track of all episodes from your favorite podcast and never miss a moment of insightful content.

Rows per page:

1–50 of 113

TitlePub. DateDuration
114 Al-Nas || সূরা নাস19 Jan 202400:00:46

সূরা আন-নাস (⁠আরবি⁠: سورة الناس; মানবজাতি⁠মুসলমানদের⁠ ধর্মীয় গ্রন্থ ⁠কুরআনের⁠ ১১৪ তম এবং সর্বশেষ ⁠সূরা⁠; এর ⁠আয়াত⁠, অর্থাৎ বাক্য সংখ্যা ৬ এবং ⁠রূকু⁠, তথা অনুচ্ছেদ সংখ্যা ১। সূরা আন-নাস ⁠মদীনায়⁠ অবতীর্ণ হয়েছে; যদিও কোন কোন বর্ণনায় একে ⁠মক্কায়⁠ অবতীর্ণ হিসাবে উল্লেখ করা হয়।⁠[১]⁠ এর ছয় আয়াতে ⁠শয়তানের⁠ অনিষ্ট থেকে সুরক্ষার জন্য সংক্ষেপে ⁠আল্লাহর⁠ নিকট প্রার্থণা করা হয়। এই সূরাটি এবং এর পূর্ববর্তী ⁠সূরা আল-ফালাককে⁠ একত্রে মু'আওবিযাতাইন (আল্লাহর কাছে আশ্রয় চাওয়ার দু'টি সূরা) নামে উল্লেখ করা হয়। অসুস্থ অবস্থায় বা ঘুমের আগে এই সূরাটি পড়া একটি ঐতিহ্যগত ⁠সুন্নত⁠⁠[২]⁠নামকরণ

⁠সূরা আল-ফালাক⁠ ও সূরা আন-নাস আলাদা আলাদা সূরা হলেও এদের পারস্পরিক সম্পর্ক এত গভীর ও উভয়ের বিষয়বস্তু পরস্পরের সাথে এত বেশি নিকট সম্পর্কিত যে এদেরকে একত্রে “মু’আওবিযাতাইন” (আল্লাহর কাছে আশ্রয় চাওয়ার দু’টি সূরা) নামে ডাকা হয়; আর এই সূরা দু’টি নাযিলও হয়েছে একই সাথে একই ঘটনার পরি-প্রেক্ষিতে।⁠[৩]⁠⁠[৪]⁠⁠[৫]⁠

শানে নুযূল

⁠সূরা ফালাক⁠ ও পরবর্তী সূরা আন নাস একই সাথে একই ঘটনায় অবতীর্ণ হয়েছে। মুসনাদে আহমদে বর্ণিত আছে, জনৈক ইহু্দী ⁠রসূলুল্লাহ্‌ (সাঃ)⁠- এর উপর ⁠জাদু⁠ করেছিল। ফলে তিনি অসুস্থ হয়ে পড়েন। ⁠জিবরাঈল⁠ আগমন করে সংবাদ দিলেন যে, জনৈক ⁠ইহু্দী⁠ জাদু করেছে এবং যে জিনিসে জাদু করা হয়েছে, তা অমুক কুপের মধ্যে আছে। রসূলুল্লাহ্‌ লোক পাঠিয়ে সেই জিনিস কূপ থেকে উদ্ধার করে আনলেন। তাতে কয়েকটি গিরু ছিল। তিনি এই সূরা দুটি পড়ে ফুক দেওয়ায় গিরুগুলো সাথে সাথে খুলে যায় এবং তিনি সম্পূর্ণ সুস্থ হয়ে শয্যা ত্যাগ করেন।⁠[৬]⁠

⁠হযরত আয়েশা⁠ থেকে বর্ণিত আছে, রসূলুল্লাহ্‌ - এর উপর জাদু করলে তার প্রভাবে তিনি মাঝে মাঝে দিশেহারা হয়ে পড়তেন এবং যে কাজটি করেননি, তাও করেছেন বলে অনুভব করতেন। একদিন তিনি হযরত আয়েশা -কে বললেনঃ আমার রোগটা কি, আল্লাহ্ তা'আলা তা আমাকে বলে দিয়েছেন। (স্বপ্নে) দুব্যক্তি আমার কাছে আসল এবং একজন শিয়রের কাছে ও অন্যজন পায়ের কাছে বসে গেল। শিয়রের কাছে উপবিষ্ট ব্যক্তি অন্য জনকে বলল, তাঁর অসুখটা কি? অন্যজন বললঃ ইনি জাদুগ্রস্ত। প্রথম ব্যক্তি জিজ্ঞেস করলঃ কে জাদু করেছে? উত্তর হল, ইহুদীদের মিত্র মুনাফিক লবীদ ইবনে আ'সাম জাদু করেছে। আবার প্রশ্ন হলঃ কি বস্তুতে জাদু করেছে? উত্তর হল, একটি চিরুনীতে। আবার প্রশ্ন হল, চিরুনীটি কোথায়? উত্তর হল, খেজুর ফলের আবরণীতে 'বির যরোয়ান' কূপে একটি পাথরের নিচে চাপা দিয়ে রাখা হয়েছে। অতঃপর রসূলুল্লাহ্‌ তিনি কূপে গেলেন এবং বললেনঃ স্বপ্নে আমাকে এই কূপই দেখানো হয়েছে। অতঃপর চিরুনীটি সেখান থেকে বের করে আনলেন।⁠[৭]⁠


বাংলা অনুবাদ

বলুন, আমি আশ্রয় গ্রহণ করছি মানুষের পালনকর্তার।মানুষের অধিপতির,মানুষের মা' বুদের,তার অনিষ্ট থেকে, যে কুমন্ত্রণা দেয় ও আত্মগোপন করে,যে কুমন্ত্রণা দেয় মানুষের অন্তরে,জ্বিনের মধ্য থেকে অথবা মানুষের মধ্য থেকে। হাদিস

  • আবু দাউদ, তিরমিযী ও নাসায়ীর এক দীর্ঘ রেওয়ায়েতে রসুলুল্লাহ বলেনঃ
  • সহীহ মুসলিমে ওকবা ইবনে আমের -এর বর্ণিত হাদীসে রসূলুল্লাহ বলেনঃ
  • এক সফরে রসূলুল্লাহ ওকবা ইবনে আমেন -কে সূরা ফালাক এবং সূরা নাস পাঠ করালেন, অত:পর মাগরিবের নামাযে এ সূরাদ্বয়ই তেলাওয়াত করে বললেনঃঅন্য হাদীসে তিনি প্রত্যেক নামাযের পর সূরাদ্বয় পাঠ করার আদেশ করেছেন। - (আবু দাউদ, নাসায়ী)
  • হযরত আবদুল্লাহ ইবনে হাবীব বর্ণনা করেন,- (মাযহারী)⁠[৯]⁠


.

অর্থসহ কোরান তেলাওয়াত

Quran Recite with Bengali Translation

Islamic Foundation Bangladesh

.

#Islam #Quran #Al-Nas #নাস #IslamicFoundation #Recite #Bengali #bangla

113 Al-Falaq || সূরা ফালাক12 Jan 202400:00:45

সূরা আল-ফালাক (আরবি: سورة الفلق; নিশিভোরমুসলমানদের ধর্মীয় গ্রন্থ কুরআনের ১১৩ তম সূরা; এর আয়াত, অর্থাৎ বাক্য সংখ্যা ৫ এবং রূকু, তথা অনুচ্ছেদ সংখ্যা ১। সূরা আল-ফালাক মদীনায় অবতীর্ণ হয়েছে; যদিও কোন কোন বর্ণনায় একে মক্কায় অবতীর্ণ হিসাবে উল্লেখ করা হয়।[১] এর পাঁচ আয়াতে শয়তানের অনিষ্ট থেকে সুরক্ষার জন্য সংক্ষেপে আল্লাহর নিকট প্রার্থণা করা হয়। এই সূরাটি এবং এর পরবর্তী সূরা আন-নাসকে একত্রে মু'আওবিযাতাইন (আল্লাহর কাছে আশ্রয় চাওয়ার দু'টি সূরা) নামে উল্লেখ করা হয়। অসুস্থ অবস্থায় বা ঘুমের আগে এই সূরাটি পড়া একটি ঐতিহ্যগত সুন্নত[২] নামকরণ

সূরা ফালাক ও সূরা আন-নাস আলাদা আলাদা সূরা হলেও এদের পারস্পরিক সম্পর্ক এত গভীর ও উভয়ের বিষয়বস্তু পরস্পরের সাথে এত বেশি নিকট সম্পর্কিত যে এদেরকে একত্রে “মু’আওবিযাতাইন” (আল্লাহর কাছে আশ্রয় চাওয়ার দু’টি সূরা) নামে ডাকা হয়; আর এই সূরা দু’টি নাযিলও হয়েছে একই সাথে একই ঘটনার পরি-প্রেক্ষিতে।[৩][৪][৫]

শানে নুযূল

সূরা আল ফালাক ও পরবর্তী সূরা নাস একই সাথে একই ঘটনায় অবতীর্ণ হয়েছে। মুসনাদে আহমদে বর্ণিত আছে, জনৈক ইহু্দী রসূলুল্লাহ্‌ (সা:)- এর উপর জাদু করেছিল। ফলে তিনি অসুস্থ হয়ে পড়েন। [[জিবরাঈল] (আ:)] আগমন করে সংবাদ দিলেন যে, জনৈক ইহু্দী জাদু করেছে এবং যে জিনিসে জাদু করা হয়েছে, তা অমুক কুপের মধ্যে আছে। রসুলুল্লাহ (সা:) লোক পাঠিয়ে সেই জিনিস কূপ থেকে উদ্ধার করে আনলেন। তাতে কয়েকটি গিরু ছিল। তিনি এই সূরা দুটি পড়ে ফুক দেওয়ায় গিরুগুলো সাথে সাথে খুলে যায় এবং তিনি সম্পূর্ণ সুস্থ হয়ে শয্যা ত্যাগ করেন।[৬]

হযরত আয়েশা (রা:) থেকে বর্ণিত আছে, রসুলুল্লাহ (সা:) - এর উপর জাদু করলে তার প্রভাবে তিনি মাঝে মাঝে দিশেহারা হয়ে পড়তেন এবং যে কাজটি করেননি, তাও করেছেন বলে অনুভব করতেন। একদিন তিনি হযরত আয়েশা (রা:) -কে বললেনঃ আমার রোগটা কি, আল্লাহ্ তা'আলা তা আমাকে বলে দিয়েছেন। (স্বপ্নে) দুব্যক্তি আমার কাছে আসল এবং একজন শিয়রের কাছে ও অন্যজন পায়ের কাছে বসে গেল। শিয়রের কাছে উপবিষ্ট ব্যক্তি অন্য জনকে বলল, তাঁর অসুখটা কি? অন্যজন বললঃ ইনি জাদুগ্রস্ত। প্রথম ব্যক্তি জিজ্ঞেস করলঃ কে জাদু করেছে? উত্তর হল, ইহুদীদের মিত্র মুনাফিক লবীদ ইবনে আ'সাম জাদু করেছে। আবার প্রশ্ন হলঃ কি বস্তুতে জাদু করেছে? উত্তর হল, একটি চিরুনীতে। আবার প্রশ্ন হল, চিরুনীটি কোথায়? উত্তর হল, খেজুর ফলের আবরণীতে 'বির যরোয়ান' কূপে একটি পাথরের নিচে চাপা দিয়ে রাখা হয়েছে। অতঃপর রসূলুল্লাহ্‌ (সা:) সে কূপে গেলেন এবং বললেনঃ স্বপ্নে আমাকে এই কূপই দেখানো হয়েছে। অতঃপর চিরুনীটি সেখান থেকে বের করে আনলেন।[৭]

মুসনাদে আহমদের রেওয়ায়েতে আছে, রসুলুল্লাহ (সা:) -এর এই অসুখ ছয় মাস স্থায়ী হয়েছিল।[৮]

হাদিস

  • আবু দাউদ, তিরমিযী ও নাসায়ীর এক দীর্ঘ রেওয়ায়েতে রসুলুল্লাহ (সা:) বলেনঃ যে ব্যক্তি সকাল-বিকাল সূরা এখলাস, ফালাক ও নাস পাঠ করে তা তাকে বালা-মসীবত থেকে বাঁচিয়ে রাখার জন্যে যথেষ্ট হয়। - (ইবনে-কাসীর)[৯]
  • সহীহ মুসলিমে ওকবা ইবনে আমের -এর বর্ণিত হাদীসে রসূলুল্লাহ (সা:) বলেনঃ তোমরা লক্ষ্য করেছ কি, অদ্য রাত্রিতে আল্লাহ তাআলা আমার প্রতি এমন আয়াত নাযিল করেছেন, যার সমতুল্য আয়াত দেখা যায় না। অর্থাৎ ক্বুল আউযু বিরাব্বিল ফালাক এবং ক্বুল আউযু বিরাব্বিল নাস আয়াতসমূহ। অন্য এক রেওয়ায়েতে আছে, তওরাত, ইঞ্জীল, যাবুর এবং কোরআনেও অনুরূপ অন্য কোন সূরা নেই।
  • এক সফরে রসূলুল্লাহ (সা:) ওকবা ইবনে আমেন -কে সূরা ফালাক এবং সূরা নাস পাঠ করালেন, অত:পর মাগরিবের নামাযে এ সূরাদ্বয়ই তেলাওয়াত করে বললেনঃ এই সূরাদ্বয় নিদ্রা যাওয়ার সময় এবং নিদ্রা শেষে বিছানা থেকে উঠার সময়ও পাঠ করো। অন্য হাদীসে তিনি প্রত্যেক নামাযের পর সূরাদ্বয় পাঠ করার আদেশ করেছেন। - (আবু দাউদ, নাসায়ী)[১০]
  • হযরত আবদুল্লাহ ইবনে হাবীব বর্ণনা করেন, এক রাত্রিতে বৃষ্টি ও ভীষণ অন্ধকার ছিল। আমরা রসূলুল্লাহ (সা:) -কে খুঁজতে বের হলাম। যখন তাকে পেলাম, তখন প্রথমেই তিনি বললেনঃ বল। আমি আরয করলাম, কি বলব? তিনি বললেনঃ সূরা এখলাস ও সূরা নাস সূরাদ্বয়। সকাল-সন্ধ্যায় এগুলো তিন বার পাঠ করলে তুমি প্রত্যেক কষ্ট থেকে নিরাপদ থাকবে। - (মাযহারী)[১০]

.

অর্থসহ কোরান তেলাওয়াত

Quran Recite with Bengali Translation

Islamic Foundation Bangladesh

.

#Islam #Quran #Al-Falaq #ফালাক #IslamicFoundation #Recite #Bengali #bangla

104 Al-Humazah || সূরা হুমাযাহ10 Nov 202300:01:06

সূরা হুমাযাহ মুসলমানদের ধর্মীয় গ্রন্থ কুরআনের ১০৪ তম সূরা। এই সূরাটি মক্কায় অবতীর্ণ হয়েছে এবং এর আয়াত সংখ্যা ৯ টি। এ সূরাটিতে তিনটি জঘন্য গোনাহের কথা বলা হয়েছে। গোনাহ্‌ তিনটি হল গীবত, সামনাসামনি দোষারোপ করা ও মন্দ বলা এবং অর্থলিপ্সা।

সূরা হুমাযাহ বাংলা অর্থ দেওয়া হয়েছে।

১) প্রত্যেক পশ্চাতে ও সম্মুখে পরনিন্দাকারীর দুর্ভোগ,

২) যে অর্থ সঞ্চিত করে ও গণনা করে

৩) সে মনে করে যে, তার অর্থ চিরকাল তার সাথে থাকবে!

৪) কখনও না, সে অবশ্যই নিক্ষিপ্ত হবে পিষ্টকারীর মধ্যে।

৫) আপনি কি জানেন, পিষ্টকারী কি?

৬) এটা আল্লাহর প্রজ্জ্বলিত অগ্নি,

৭) যা হৃদয় পর্যন্ত পৌছবে।

৮) এতে তাদেরকে বেঁধে দেয়া হবে,

৯) লম্বা লম্বা খুঁটিতে।


Summary

  • 1-4 Woes pronounced on slanderers and backbiters
  • 5-9 Al Hutama described

Overview

In the phrase "slandering traducer" (Arabichumaza lumaza), according to Ibn Kathir, the first word refers to slandering by speech, and the second to slander by action (though he also quotes Mujahid as saying the opposite: "Al-Humazah is with the hand and the eye, and Al-Lumazah is with the tongue.") The "fire ... which leapeth over the hearts" is sometimes interpreted as starting below and rising: according to Ibn Kathir, Muhammad bin Ka`b said that "it (the Fire) will devour every part of his body until it reaches his heart and comes to the level of his throat, then it will return to his body." The "columns" described in the final verse are interpreted as columns of fire by some authorities (e.g. As-Sudd), as in the translation above, but as literal pillars of iron by some others (e.g. Al-Awfi).

Surah Humazah tells how bad mankind can get into loss, and this is why some scholars state that there is no severer description given of hell in the Quran than the description given in this surah. Many severe and harsh descriptions of hell are mentioned throughout the Quran, however this Surah is especially unique, as Allah says about hell what He has not said in other Surahs: “Naarullah” ((the) Fire (of) Allah!).

In other surahs, Allah says “Naaru Jahannam” (Fire of Hell) etc. But when the fire is attributed to God, it's more than that, it's a fire lit by Allah Himself for those who opposed Him.

This is the last surah in the Quran which discusses the Akhirah (after life), and the surahs after this do not discuss the Akhirah afterlife again.

.

অর্থসহ কোরান তেলাওয়াত

Quran Recite with Bengali Translation

Islamic Foundation Bangladesh

.

#Islam #Quran #Al-Humazah #হুমাযাহ #IslamicFoundation #Recite #Bengali #bangla

014 Ibrahim || সূরা ইব্রাহীম29 Apr 202100:24:02

সূরা ইব্রাহীম , (আরবি: سورة ابراهيم‎‎, (নবী ইব্রাহিম) মুসলমানদের ধর্মীয় গ্রন্থ কুরআনের চৌদ্দতম সূরা। এই সূরাটি মক্কায় অবতীর্ণ হয়েছে এবং এর আয়াত সংখ্যা ৫২ টি।

নামকরণ

এই সূরার ৩৫ নং আয়াতে উল্লেখিত وَإِذْ قَالَ إِبْرَاهِيمُ رَبِّ اجْعَلْ هَذَا الْبَلَدَ آمِنًا বাক্যাংশ থেকে পবিত্র সূরার নামকরণ করা হয়। পবিত্র এ সূরায় ইব্রাহীম জীবন বৃত্তান্ত বর্ণনা করা হয়েছে।অন্যান্য সূরার ন্যায় এখানেও আলামত হিসেবে এ নাম ব্যবহৃত হয়েছে।

বিশেষত্ব

এই সুরার বিশেষত্ব হচেছ এই সুরাটি পূর্বোক্ত (সুরা রাদ) সুরাটির শেষ অংশ বিশেষ হিসেবে ধরা যায়। এখানে ব্যাখ্যা করা হয়েছে কি ভাবে স্বার্থান্ধ লোকের স্বার্থপরতা সত্বেও, সত্য তার নিজস্ব শক্তিতে প্রতিষ্ঠিত হয়। এই সত্যকে উপস্থাপন করার জন্য হযরত মুসা ও হযরত ইব্রাহিমের জীবন কাহিনীকে উদাহরণ স্বরূপ তুলে ধরা হয়েছে। এই সুরার মর্মার্থ হচেছ হযরত ইব্রাহীম এর প্রার্থনা।


014 Ibrahim || সূরা ইব্রাহীম

অর্থসহ কোরান তেলাওয়াত

Quran Recite with Bengali Translation

Islamic Foundation Bangladesh

#Islam #Quran # ইব্রাহীম #Ibrahim #IslamicFoundation #Recite #Bengali #bangla

013 Ar-Ra'd || সূরা আর-রাদ29 Apr 202100:24:09

আর-রাদ (আরবি: سورة الرعد‎‎, বজ্রনাদ) কুরআনের ১৩ তম সূরা, এর আয়াত সংখ্যা ৪৩টি। আর-রাদ সূরাটি মদিনায় অবতীর্ণ হয়েছে।


নামকরণ

এই সূরার তেরো নম্বর (আরবী) আয়াতের বাক্যাংশের “আর্‌ রা’দ” শব্দটিকে এ সূরার নাম হিসেবে গণ্য করা হয়েছে। এ সূরায় “রাদ” উল্লেখিত হয়েছে বা “রা’দ”-এর কথা বলা হয়েছে।


Summary
  • 1 The infidels reject the Quran
  • 2-4 God manifests himself to man in his works
  • 5 The unbelievers deny the resurrection
  • 6 Their punishment
  • 7 Threatened judgments sure to come to pass
  • 8 Unbelievers demand a sign
  • 9-12 God is omniscient
  • 12 God’s purposes are unchangeable
  • 13-14 Thunder and lightning manifest God as the true object of worship
  • ۩ 15 Idolaters invoke their gods in vain
  • 16-17 All nature worships the Creator
  • 18 The separation of infidels from true believers typefied in the flowing stream and the melting metal
  • 19-22 True believers described
  • 23-24 Their reward
  • 25 The end of the infidels
  • 26 Abundance of wealth no sign of God’s favour
  • 27 The infidels demand a sign from heaven
  • 28 God directs true believers
  • 29 Muhammad sent to an unbelieving people
  • 30 Signs unavailing to make infidels true believers
  • 31-32 God will punish the unbelievers
  • 33-34 Idolaters are reprobate
  • 35 Paradise described
  • 36 Certain Jews acknowledge Muhammad to be a prophet
  • 36-37 Muhammad exhorted to make no compromise with idolatry
  • 38 Wives and children no hindrance to the prophetic office
  • 39 God is lord of his own book
  • 40 Muhammad a preacher only
  • 41 God’s judgments sure to come to pass
  • 42 The plots of God’s enemies not hidden from him
  • 43 God attests the claims of his Prophet


013 Ar-Ra'd || সূরা আর-রাদ

অর্থসহ কোরান তেলাওয়াত

Quran Recite with Bengali Translation

Islamic Foundation Bangladesh

#Islam #Quran #Ar-Ra'd  #আর-রাদ #IslamicFoundation #Recite #Bengali #bangla

012 Yusuf || সূরা ইউসুফ29 Apr 202100:50:07

ইউসুফ (আরবি ভাষায়: يسوف) মুসলমানদের ধর্মীয় গ্রন্থ কুরআনের ১২তম সূরা, এর আয়াত অর্থাৎ বাক্য সংখ্যা ১১১ এবং এর রূকু তথা অনুচ্ছেদ সংখ্যা ১২। সূরা ইউসুফ মক্কায় অবতীর্ণ হয়েছে। যদিও অন্যান্য নবীদের ঘটনা কোরআনের বিভিন্ন সূরাতে উল্লেখ করা হয়েছে, কিন্তু শুধু ইউসুফ -এর ঘটনা কোরআনের সূরা ইউসুফে সম্পূর্ণ ধারাবাহিকভাবে বর্ণনা করা হয়েছে। বিশ্ব-ইতিহাস এবং অতীত অভিজ্ঞতার মধ্যে মানুষের ভবিষ্যত জীবনের জন্যে বিরাট শিক্ষা নিহিত থাকে। এসব শিক্ষার স্বাভাবিক প্রতিক্রিয়া মানুষের মন ও মস্তিষ্কের মধ্যে সাধারণ শিক্ষার চাইতে গভীরতর হয়। এ কারণেই গোটা মানব জ়াতির জন্যে সর্বশেষ নির্দেশনামা হিসেবে প্রেরিত কোরআন পাকে সমগ্র বিশ্বের জাতিসমূহের ইতিহাসের নির্বাচিত অধ্যায়সমূহ সন্নিবেশিত করে দেয়া হয়েছে, যা মানুষের বর্তমান ও ভবিষ্যত সংশোধনের জন্যে কার্যকর ব্যবস্থাপত্র।


নাযিল হওয়ার স্থান

ইবনে আব্বাস ব্যতীত সকল মুফাসসের-ই কোরআন মনে করেন যে পুরো এই সূরাটি মক্কায় অবতীর্ণ হয়েছে। তবে হয়রত ইবনে আব্বাসের মতে এই সূরার চারটি আয়াত অর্থ্যাৎ ১ম, ২য়, ৩য়, ও ৭ম আয়াত মদীনায় অবতীর্ণ হয়। বস্তুত এ সূরায় হযরত ইউসুফ -এর ঘটনাবলী ধারাবাহিকভাবে বর্ণিত হয়েছে যা চিন্তাকর্ষক ও শিক্ষাপ্রদ।

নাযিল হওয়ার উপলক্ষ

হযরত ইউসুফ এর ঘটনাকে ধারাবাহিকভাবে বর্ণনা করার একটি সম্ভাব্য কারণ এই যে, ইতিহাস রচনাও একটি স্বতন্ত্র শাস্ত্র। এতে ইতিহাস রচয়িতাদের জন্যে বিশেষ নির্দেশ রয়েছে যে, বর্ণনা এমন সংক্ষিপ্ত না হয় যাতে পূর্ণ বিষয়বস্তু হৃদয়ঙ্গম করা দুরূহ হয়ে পড়ে। পক্ষান্তরে, বর্ণনা এত দীর্ঘ হওয়াও সমীচীন নয়, যাতে তা পড়া ও স্মরণ রাখা কঠিন হয়।

দ্বিতীয় সম্ভাব্য কারণ এই যে, যেমন কোন কোন রেওয়ায়েতে বর্ণিত আছে, ইহুদীরা পরীক্ষার্থ মুহাম্মাদ-কে প্রশ্ন করেছিল, "যদি আপনি সত্যিই আল্লাহর নবী হন, তবে বলুন ইয়াকুব-পরিবার সিরিয়া থেকে মিসরে কেন স্থানান্তরিত হয়েছিল এবং ইউসুফ -এর ঘটনা কি ছিল? এরই পরিপ্রেক্ষিতে মুহাম্মাদ -এর জ্ঞাতার্থে ওহীর মাধ্যেমে পূর্ণ কাহিনী অবতারণ করা হয়।


012 Yusuf || সূরা ইউসুফ

অর্থসহ কোরান তেলাওয়াত

Quran Recite with Bengali Translation

Islamic Foundation Bangladesh

#Islam #Quran # ইউসুফ #Yusuf #IslamicFoundation #Recite #Bengali #bangla

011 Hud || সূরা হুদ29 Apr 202100:53:49

সূরা হুদ (আরবি: سورة هود‎‎) মুসলমানদের ধর্মীয় গ্রন্থ কুরআনের ১১তম সূরা; এতে আয়াত সংখ্যা ১২৩টি এবং রূকুর সংখ্যা ১০টি। হুদ সূরাটি মক্কায় অবতীর্ণ হয়েছে। এই সূরায় পূর্ববতী জাতিসমূহের উপরে আপতিত গজব (ঐশ্বরিক শাস্তি)এবং বিভিন্ন প্রকারের কঠিন আযাব (পূর্ব-নির্ধারিত শাস্তি) এবং কেয়ামতের ভয়াবহ ঘটনাবলী এবং পুরস্কার ও শাস্তির কথা বলা হয়েছে।

বিষয়বস্তু

কোরআন-এর ১০ম থেকে ১৫তম সুরাগুলিতে ইসলামের বিভিন্ন নবীর কাহিনী বর্ণনা করা হয়েছে। এই সূরাটিতে ৫০ থেকে ৬০ নং আয়াতে নবী হুদ-এর ঘটনা বর্ণিত হয়েছে।


Summary

  • Salih inviting his people to see the She-Camel
  • Illuminated collection of Stories of the Prophets
  • 1-2 The Quran a revelation from God
  • 3-5 Muhammad a warner and a preacher of goodness
  • 6 Infidels cannot hide their sin from God
  • 7-8 God the Creator and Preserver of all creatures
  • 8 The resurrection rejected by the infidels as sorcery
  • 9 They scoff at threatened punishment
  • 10-11 Mercy and judgment alike disregarded by infidels
  • 12 Those who persevere in good works shall be rewarded
  • 13 The unbelievers demand a sign from heaven
  • 14 Muhammad charged with forging the Qurán
  • 14-15 He challenges the infidels to produce ten chapters like it, or to become Muslims
  • 16-17 The miserable fate of those who live for this present world
  • 18 Moses and the Jews attest the truth of the Qurán
  • 19-23 The maligners of prophets shall be cursed
  • 24 The blessed portion of believers
  • 25 Similitudes of believers and unbelievers


011 Hud || সূরা হুদ

অর্থসহ কোরান তেলাওয়াত

Quran Recite with Bengali Translation

Islamic Foundation Bangladesh

#Islam #Quran # হুদ #Hud  #IslamicFoundation #Recite #Bengali #bangla


010 Yunus || সূরা ইউনুস27 Apr 202100:47:45

সূরা ইউনুস (আরবি ভাষায়: سورة يونس‎) মুসলমানদের ধর্মীয় গ্রন্থ কুরআনের দশম সূরা। এই সূরাটি মক্কায় অবতীর্ণ হয়েছে এবং এর আয়াত সংখ্যা ১০৯ টি। এই সূরাটিতে কোরাআন পাক ও ইসলামের মৌলিক উদ্দেশ্যাবলী- তওহীদ, রিসালাত, আখিরাত ইত্যাদি বিষয়ের যথার্থতা বিশ্বচরাচর এবং তার মধ্যকার পরিবর্তন-পরিবর্তনশীল ঘটনাবলীর মাধ্যমে প্রমাণ দেখিয়ে ভালো করে বোধগম্য করার ব্যবস্থা করা হয়েছে। সাথে সাথে কিছু উপদেশমূলক, ঐতিহাসিক ঘটনাবলী এবং কাহিনীর অবতারণা করে সে সমস্ত লোকদেরকে সতর্ক করা হয়েছে যারা আল্লাহ্‌ তাআলার এ সব প্রকাশ্য নিদর্শনসমূহের উপর একটু চিন্তা করে না।


ব্যাখ্যা

এই সূরার দ্বিতীয় আয়াতে রয়েছে মুশরেকদের একটি সন্দেহ ও প্রশ্নের উত্তর। সন্দেহটি ছিলো এই যে, কাফেররা তাদের মূর্খতার দরুণ সাব্যস্ত করে রেখেছিল যে, আল্লাহ্‌ তাআলার পক্ষ থেকে যে নবী বা রসূল আসবেন তিনি মানুষ হবেন না বরং তিনি মানুষ না হয়ে ফেরেশতা হওয়াটাই উচিত। কোরাআন পাক বিভিন্ন জায়গায় তাদের এই ভ্রান্ত ধারণার উত্তর বিভিন্ন প্রকারে দিয়েছেন। এক আয়াতে এরশাদ হয়েছেঃ

যমীনের উপর যদি ফেরেশতারা বাস করতো, তাহলে আমি তাদের জন্য কোন ফেরেশতাকেই রসূল বানিয়ে পাঠাতাম।

যার মূল কথা হলো এই যে, রেসালাতের উদ্দেশ্য ততহ্মণ পর্যন্ত পূর্ণ হবে না, যতহ্মণ পর্যন্ত না রসূল এবং যাদের মধ্যে রসূল পাঠানো হচ্ছে এই দুয়ের পারস্পরিক সম্পর্ক থাকে।


010 Yunus || সূরা ইউনুস

অর্থসহ কোরান তেলাওয়াত

Quran Recite with Bengali Translation

Islamic Foundation Bangladesh

#Islam #Quran # ইউনুস #IslamicFoundation #Recite #Bengali #bangla

009 At-Tawbah || সূরা আত-তাওবাহ্‌27 Apr 202101:07:33

সূরা আত-তাওবাহ্‌

সূরা আত-তাওবাহ্‌, (আরবি: سورة التوبة‎‎, "অনুশোচনা"), যা সূরা বার'আহ বা বার'আত (প্রত্যাখ্যান) নামেও পরিচিত[১] মুসলমানদের ধর্মীয় গ্রন্থ কুরআনের নবম সূরা। এই সূরাটি মদিনায় অবতীর্ণ হয়েছে এবং এর আয়াত সংখ্যা ১২৯ টি।[২] আরবি তওবা অর্থ ক্ষমা। একে সূরা তওবা বলা হয়, কারণ এতে মুসলমানদের তওবা কবুল হওয়ার বর্ণনা রয়েছে। সূরাটির অন্য নাম হলো বারা'আত - একে বারা'আত বলা হয় কারণ, এতে কাফেরদের তথা অবিশ্বাসীদের সাথে সম্পর্কচ্ছেদ ও তাদের ব্যাপারে দায়িত্ব-মুক্তির উল্লেখ আছে।


বিসমিল্লাহ-হীনতা

এই সূরার বৈশিষ্ট্য হলো এর শুরুতে বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম লেখা হয় না। কারণ কোরআন শরীফের বিভিন্ন অংশ ২৩ বছরের দীর্ঘ পরিসরে অবতীর্ণ হয়েছিল। কখনও একটি পূর্ণাঙ্গ সূরাও ভেঙে ভেঙে অবতীর্ণ হতো। জিব্রাইল (আ:) তা কোথায় বসাতে হবে, তা বলে দিতেন। যখন বিসমিল্লাহ অবতীর্ণ হতো তখন বোঝা যেত, আগের সূরার অবতরণ শেষ হয়েছে। কিন্তু সূরা তওবা অবতরণে কোনো বিসমিল্লাহ অবতীর্ণ হয়নি এবং রাসুল(সা:)ও তা লিখে যেতে নির্দেশ দেননি। এই অবস্থায় রাসুল(সা:) মৃত্যুবরণ করেন। পরবর্তিতে খলীফা ওসমান গনী [রাঃ] বিসমিল্লাহ দেখতে না পেয়ে একে অন্য সূরার অন্তর্ভুক্ত মনে করেন। অনেকে একে সূরা আনফালের অংশ মনে করেন। তাই আয়াত-সংখ্যার দিক দিয়ে বেশি হওয়াসত্ত্বেয় সাবধানতার খাতিরে কোরআন সংকলনের সময় একে সূরা আনফালের পরে স্থান দেয়া হয়েছে।

যেহেতু অবতরণের সময়ই এর শুরুতে বিসমিল্লাহ ছিল না, তাই বিজ্ঞ 'আলেমদের বক্তব্য হলো, কেউ যদি সূরা আনফালের পরে সূরা তওবা পড়ে, তাহলে সে বিসমিল্লাহ পড়বে না; তবে কেউ যদি পরম্পরাহীনভাবে সূরা তওবাই প্রথমে পড়ে, তাহলে বিসমিল্লাহ জুড়ে নিবে। অনেকে বিসমিল্লাহ'র বদলে 'আঊযুবিল্লা-হি মিন না-র পড়ে থাকেন, যার কোনো ভিত্তি কোনো বিশুদ্ধ হাদিস থেকে প্রমাণিত নয়।


অবিশ্বাসীদের সাথে সম্পর্কের আলোচনা

সূরা তওবার সর্বত্র কিছু যুদ্ধ (মক্কা বিজয়, হোনাইন যুদ্ধ, তাবুক যুদ্ধ), যুদ্ধ সংক্রান্ত ঘটনাবলী এবং এসংক্রান্ত হুকুম, মাসায়েল ইত্যাদির বর্ণনা রয়েছে। এসকল যুদ্ধের প্রেক্ষিতে আরবের সকল গোত্রের সাথে সকল চুক্তি বাতিলের নির্দেশ আসে।


009 At-Tawbah || সূরা আত-তাওবাহ্‌

অর্থসহ কোরান তেলাওয়াত

Quran Recite with Bengali Translation

Islamic Foundation Bangladesh

#Islam #Quran # তাওবাহ্‌  #IslamicFoundation #Recite #Bengali #bangla

008 Al-Anfal || সূরা আল-আনফাল27 Apr 202100:35:18

আল আনফাল (আরবি ভাষায়: الأنفال) মুসলমানদের ধর্মীয় গ্রন্থ কুরআনের ৮ নম্বর সূরা, এর আয়াত সংখ্যা ৭৫ টি । আল আনফাল সূরাটি মদিনায় অবতীর্ণ হয়েছে।

নামকরণ

এ সূরার নাম সূরা আল-আনফাল; কারণ সূরার প্রথম আয়াতেই এ শব্দটির উল্লেখ আছে, যার অর্থ যুদ্ধলব্ধ সম্পদ। এর অধিকাংশ বর্ণনা এ সংক্রান্ত। কেউ কেউ এটাকে সূরা ‘বদর’ও নাম দিয়েছেন। [বুখারীঃ ৪৮৮২] কারণ, অধিকাংশ আলোচনা ছিল বদর যুদ্ধের। আবার কেউ কেউ এ সূরাকে সূরা ‘জিহাদ' নামেও অভিহিত করেছেন।

নাযিলের সময়কাল

এ সূরাটি দ্বিতীয় হিজরীতে বদর যুদ্ধের পর নাযিল হয়। ইসলাম ও কুফরের মধ্যে সংঘটিত এ প্রথম যুদ্ধের ওপর এতে বিস্তারিত পর্যালোচনা করা হয়েছে ।



008 Al-Anfal || সূরা আল-আনফাল

অর্থসহ কোরান তেলাওয়াত

Quran Recite with Bengali Translation

Islamic Foundation Bangladesh

#Islam #Quran # আনফাল #IslamicFoundation #Recite #Bengali #bangla

007 Al-A'raf || সূরা আল-আরাফ27 Apr 202101:33:34

সূরা আল আরাফ (আরবি ভাষায়: سورة الأعراف, "অর্থ উঁচু স্থান") মুসলমানদের ধর্মীয় গ্রন্থ কুরআনের সপ্তম সূরা, এর আয়াত সংখ্যা ২০৬টি এবং এর রূকুর সংখ্যা ২৪টি। এই সূরাটি মক্কায় অবতীর্ণ হয়েছে। এই সূরার কেন্দ্রীয় বিষয়বস্তু হচ্ছে রিসালাতের প্রতি ঈমান আনার দাওয়াত।

নামকরণ

এ সূরার ৪৬ ও ৪৭নং আয়াতে (পঞ্চম রুকূতে) আসহাবে আরাফ বা আরাফবাসীদের উল্লেখ করা হয়েছে। সেই জন্যে এর নামকরণ করা হয়েছে আল আরাফ। অন্য কথায় বলা যায়, এ সূরাকে সূরা আল আরাফ বলার তাৎপর্য হচ্ছে এই যে, যে সূরার মধ্যে আ’রাফের কথা বলা হয়েছে, এটা সেই সূরা।

নাযিলের সময়-কাল

এ সূরার আলোচ্য বিষয়ের প্রতি দৃষ্টিপাত করলে সুস্পষ্টভাবে অনুভূত হয়ে যে, এ সূরাটি সূরা আন আমের প্রায় সমসময়ে নাযিল হয়। অবশ্য এটা আগে না আন’আম আগে নাযিল হয় তা নিশ্চয়তার সাথে চিহ্নিত করা যাবে না। তবে এ সূরায় প্রদত্ত ভাষণের বাচনভংগী থেকে এটি যে ঐ সময়ের সাথে সম্পর্কিত তা পরিষ্কার বুঝা যায়। কাজেই এর ঐতিহাসিক পটভূমি অনুধাবন করার জন্যে সূরা আন’আমের শুরুতে যে ভূমিকা লেখা হয়েছে তার ওপর একবর নজর বুলিয়ে নেয়া যথেষ্ট হবে।[১]


007 Al-A'raf || সূরা আল-আরাফ

অর্থসহ কোরান তেলাওয়াত

Quran Recite with Bengali Translation

Islamic Foundation Bangladesh

#Islam #Quran # আরাফ #IslamicFoundation #Recite #Bengali #bangla

006 Al-An'am || সূরা আল-আনআম27 Apr 202101:25:26

সূরা আল আনআম (আরবি ভাষায়: سورة الأنعام, "অর্থ পশু") মুসলমানদের ধর্মীয় গ্রন্থ কুরআনের ৬ নম্বর সূরা, এর আয়াত সংখ্যা ১৬৫টি এবং এর রূকুর সংখ্যা ২০টি। এই সূরাটি মক্কায় অবতীর্ণ হয়েছে। এই সূরাতে আল্লাহর একত্ববাদ, পূণরুত্থান, জান্নাত এবং জাহান্নাম সম্পর্কে আলোচনা করা হয়েছে।


নাযিল হওয়ার উপলক্ষ

সূরাটির নাযিল হওয়ার সময়-কাল নির্ধারিত হয়ে যাওয়ার পর আমরা সহজেই এর প্রেক্ষাপটের দিকে দৃষ্টি ফেরাতে পারি। আল্লাহর রসূল যখন মানুষকে ইসলামের দিকে দাওয়াত দেবার কাজ শুরু করেছিলেন। তারপর থেকে বারোটি বছর অতীত হয়ে গিয়েছিল। কুরাইশদের প্রতিবন্ধকতা, জুলুম ও নির্যাতন চরমে পৌঁছে গিয়েছিল। ইসলাম গ্রহণকারীদের একটি অংশ তাদের অত্যাচার নিপীড়নে অতিষ্ঠ হয়ে দেশ ত্যাগ করেছিল। তারা হাবশায় (ইথিওপিয়া) অবস্থান করছিল। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের সাহায্য-সমর্থন করার জন্য আবু তালিব বা হযরত খাদীজা কেউই বেঁচে ছিলেন না। ফলে সব রকমের পার্থিব সাহায্য থেকে বঞ্চিত হয়ে তিনি কঠোর প্রতিবন্ধকতার মধ্য দিয়ে ইসলাম প্রচার ও রিসালতের দায়িত্ব পালন করে যাচ্ছিলেন। তার ইসলাম প্রচারের প্রভাবে মক্কায় ও চারপাশের গোত্রীয় উপজাতিদের মধ্য থেকে সৎ লোকেরা একের পর এক ইসলাম গ্রহণ করে চলছিল। কিন্তু সামগ্রিকভাবে সমগ্র জাতি ইসলামের অস্বীকার ও প্রত্যাখ্যানের ঝোঁক প্রকাশ করলেও তার পেছনে ধাওয়া করা হতো। তাকে তিরস্কার, গালিগালাজ করা হতো। শারীরিক দুর্ভোগ ও অর্থনৈতিক, সামাজিক নিপীড়নে তাকে জর্জরিত করা হতো। এ অন্ধকার বিভীষিকাময় পরিবেশে একমাত্র ইয়াসরবের দিক থেকে একটি হালকা আশার আলো দেখা দিয়েছিল। সেখানকার আওস ও খাযরাজ গোত্রের প্রভাবশালী লোকেরা এসে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের হাতে বাই’আত করে গিয়েছিলেন। সেখানে কোন প্রকার অভ্যন্তরীণ বাধা প্রতিবন্ধকতার সম্মুখীন না হয়েই ইসলাম প্রসার লাভ করতে শুরু করেছিল। কিন্তু এ ছোট্ট একটি প্রারম্ভিক বিন্দুর মধ্যে ভবিষ্যতের যে বিপুল সম্ভাবনা লুকিয়ে ছিল তা কোন স্থুলদর্শীর দৃষ্টিগ্রাহ্য হওয়া সম্ভবপর ছিল না। বাহ্যিক দৃষ্টিতে মনে হতো, ইসলাম একটি দুর্বল আন্দোলন। এর পেছনে কোন বৈষয়িক ও বস্তুগত শক্তি নেই। এর আহবায়কের পেছনে তার পরিবারের ও বংশের দুর্বল ও ক্ষীণ সাহায্য-সমর্থন ছাড়া আর কিছুই নেই। মুষ্টিমেয় অসহায় ও বিক্ষিপ্ত বিচ্ছিন্ন ব্যক্তিই ইসলাম গ্রহণ করেছে। যেন মনে হয় নিজেদের জাতির বিশ্বাস, মত ও পথ থেকে বিচ্যুত হয়ে তারা সমাজ থেকে এমনভাবে দূরে নিক্ষিপ্ত হয়েছে যেমন গাছের মরা পাতা মাটির ওপর ঝরে পড়ে।


006 Al-An'am || সূরা আল-আনআম


অর্থসহ কোরান তেলাওয়াত

Quran Recite with Bengali Translation

Islamic Foundation Bangladesh

#Islam #Quran # আনআম #IslamicFoundation #Recite #Bengali #bangla

005 Al-Ma'idah || সূরা আল-মায়িদাহ27 Apr 202101:16:45

সূরা আল মায়িদাহ (আরবি ভাষায়: سورة المائدة) মুসলমানদের ধর্মীয় গ্রন্থ কুরআনের ৫ নম্বর সূরা, এর আয়াত সংখ্যা ১২০টি এবং এর রূকুর সংখ্যা ১৬টি। সূরাটি মদিনায় অবতীর্ণ হয়েছে।


Summary

  • 1 Covenants are to be fulfilled
  • 2 Lawful meats
  • 3 Heathen pilgrims not to be molested
  • 4 Islam completed—last revelation of the Quran
  • 4-5 Certain kinds of food, gaming, and lots forbidden
  • 6 Muslims permitted to eat the food of Jews and Christians, and to marry their women
  • 7 The law of purifications
  • 8 Believers reminded of the covenant of Aqabah
  • 9-11 Muslims should forget old quarrels with brethren
  • 12 God’s favour to Muslims
  • 13-15 Disobedience of Jews and Christians exposed
  • 16-18 Jews and Christians are exhorted to accept Islam
  • 19-20 The divinity of Christ denied
  • 21 Jews and Christians not the children of God
  • 22 Muhammad sent as a warner
  • 23-29 Israel’s rebellion at Kadesh Barnea
  • 30-34 The story of Cain and Abel 35-36 The sin of homicide
  • 37-38 The punishment of theft accompanied by apostasy
  • 39 The faithful exhorted to fight for religion
  • 40-41 The punishment of infidels
  • 42-44 The penalty of theft
  • 45-55 Muhammad to judge the Jews and Christians by the law, gospel, and the Quran
  • 56 Muslims forbidden to fraternise with Jews and Christians
  • 57-58 Hypocrites threatened
  • 59-61 Believers warned and instructed
  • 62-63 Muslims not to associate with infidels
  • 64-65 The Jews exhorted and warned
  • 66-69 The hypocrisy and unbelief of the Jews rebuked
  • 70 Promises to believing Jews and Christians
  • 71 Muhammad required to preach 72 He attests Jewish and Christian Scriptures 73 Believing Jews, Sabeans, and Christians to be saved
  • 74-75 The Jews rejected and killed the prophets of God 76-81 The doctrines of the Trinity and Christ’s Sonship rejected 82-84 Disobedient Jews cursed by their prophets 85-88 Jewish hatred and Christian friendship compared
  • 89-90 Muslims to use lawful food etc
  • 91 Expiation for perjury
  • 92-94 Wine and lots forbidden
  • 95-97 Law concerning hunting and gaming during pilgrimage
  • 98-100 Pilgrimage and its rites enjoined
  • 101-102 The Prophet not to be pestered with questions
  • 102-104 Heathen Arab customs denounced
  • 105-107 Wills to be attested by witnesses
  • 108 The prophets ignorant of the characters of their followers
  • 109-110 Jesus—his miracles—God’s favour to him
  • 111 The apostles of Jesus were Muslims
  • 112-114 A table provided by Jesus for the apostles
  • 115-118 Jesus did not teach his followers to worship him and his mother
  • 119 The reward of the true believer
  • 120 God is sovereign


005 Al-Ma'idah || সূরা আল-মায়িদাহ

অর্থসহ কোরান তেলাওয়াত

Quran Recite with Bengali Translantion


Islamic Foundation Bangladesh

#Islam #Quran # মায়িদাহ #IslamicFoundation #Recite #Bengali #bangla

103 Al-Asr || সূরা আছর12 Apr 202300:00:35

সূরা আছর মুসলমানদের ধর্মীয় গ্রন্থ কুরআনের ১০৩ তম সূরা। এই সূরাটি মক্কায় অবতীর্ণ হয়েছে এবং এর আয়াত সংখ্যা ৩ টি।

সূরা আছর কুরআনের একটি সংক্ষিপ্ত সূরা তবে মুসলামানদের কাছে এটি বেশ তাৎপর্যপূর্ণ সূরা এবং অনেক মুসলমান মনে করে মানুষ এ সূরাটিকেই চিন্তা ভাবনা সহকারে পাঠ করলে তাদের ইহকাল ও পরকাল সংশোধনের জন্যে যথেষ্ট হয়ে যায়। সূরার বক্তব্য অনুসারে এ সূরায় স্রষ্টা যুগের কসম করে বলেছেন যে, মানবজাতি অত্যন্ত হ্মতিগ্রস্ত এবং এই হ্মতির কবল থেকে কেবল তারাই মুক্ত, যারা চারটি বিষয় নিষ্ঠার সাথে পালন করে - ঈমান বা স্রষ্টার প্রতি বিশ্বাস, সৎকর্ম, অপরকে সত্যের উপদেশ এবং ধর্য্য রাখার উপদেশ দান।[১]

নাযিল হওয়ার সময় ও স্থান

মুজাহিদ , কাতাদাহ ও মুকাতিল একে মাদানী বলেছেন । কিন্তু মুফাসসিরগণের বিপুল সংখ্যাগরিষ্ঠ অংশ একে মক্কী সূরা হিসেবে গণ্য করেছেন। আর এই সূরার বিষয়বস্তু সাক্ষ্য দেয় , এটি মক্কী যুগেরও প্রাথমিক পর্যায়ে নাযিল হয়ে থাকবে। সে সময় ইসলামের শিক্ষাকে সংক্ষিপ্ত ও অত্যন্ত হৃদয়গ্রাহী বাক্যের সাহায্যে বর্ণনা করা হতো। এভাবে শ্রোতা একবার শুনার পর ভুলে যেতে চাইলেও তা আর ভুলতে পারতো না এবং আপনা আপনি লোকদের মুখে তা উচ্চারিত হতে থাকতো।

শানে নুযূল

ওলীদ ইবনে মুগিরা,আস ইবনে ওয়াইল, আসওয়াদ ইবনে মুত্তালিব প্রমুখ মুশরিক বলত যে , মুহাম্মদ অবশ্যই ক্ষতির মধ্যে রয়েছে । এ পরিপ্রেক্ষিতে (তাদের কথার অসারতা প্রমাণ করে) আল্লাহ তা'আলা সূরাটি নাযিল করেন।

বিষয়বস্তুর বিবরণ

তাফহীমুল কোরআনের ব্যাখ্যা অনুসারে, সময় মানে বিগত সময়-অতীত কালও হতে পারে আবার চলিত সময়ও। এই চলিত বা বর্তমান কাল আসলে কোনো দীর্ঘ সময়ের নাম নয়। বর্তমান কালে প্রতি মুহূর্তে বিগত হচ্ছে এবং অতীতে পরিণত হচ্ছে। আবার ভবিষ্যতের গর্ভ থেকে প্রতিটি মুহূর্ত বের হয়ে এসে বর্তমানে পরিণত হচ্ছে এবং বর্তমান থেকে আবার তা অতীতে বিলীন হয়ে যাচ্ছে। এখানে যেহেতু কোনো বিশেষত্ব ছাড়াই শুধু সময়ের কসম খাওয়া হয়েছে, তাই দুই ধরনের সময় বা কাল এর অর্ন্তভূক্ত হয়। অতীতকালের কসম খাওয়ার মানে হচ্ছেঃ মানুষের ইতিহাস এর সাক্ষ্য দিচ্ছে, যারাই এই গুনাবলী বিবর্জিত ছিল তারাই পরিনামে হ্মতিগ্রস্ত হয়েছে। আর বর্তমানকালের কসম খাওয়ার অর্থ হল যে, বর্তমানে যে সময়টি অতিবাহিত হচ্ছে সেটি আসলে এমন একটি সময় যা প্রত্যেক ব্যক্তি ও জাতিকে দুনিয়ায় কাজ করার জন্য দেয়া হয়েছে।[২]

আয়াত সমূহ

وَالْعَصْرِ

১. শপথ অপরাহ্নের;

إِنَّ الْإِنسَانَ لَفِي خُسْرٍ
২. নিশ্চয় মানুষ ক্ষতিগ্রস্থদের অন্তর্ভুক্ত;

إِلَّا الَّذِينَ آمَنُوا وَعَمِلُوا الصَّالِحَاتِ وَتَوَاصَوْا بِالْحَقِّ وَتَوَاصَوْا بِالصَّبْرِ
৩. কিন্তু তারা ব্যতীত, যারা বিশ্বাস স্থাপন করে ও সৎকর্ম করে এবং পরস্পরকে উপদেশ দেয় সত্যের এবং উপদেশ প্রদান করে ধৈর্য্যের৷

Summary

  • 1-2 Men generally seek for gain and find loss
  • 3 The righteous, however, are the exception to this rule [3]


.

অর্থসহ কোরান তেলাওয়াত

Quran Recite with Bengali Translation

Islamic Foundation Bangladesh

.

#Islam #Quran #Al-Asr #আছর #IslamicFoundation #Recite #Bengali #bangla


004 An-Nisa || সূরা আন-নিসা25 Apr 202101:37:31

সূরা আন নিসা (আরবি ভাষায়: سورة النساء, Sūratu an-Nisā, অর্থ "মহিলা") মুসলমানদের ধর্মীয় গ্রন্থ কুরআনের চতুর্থ সূরা, এর আয়াত সংখ্যা ১৭৬টি এবং এর রূকুর সংখ্যা ২৪টি। আন নিসা সূরাটি মদিনায় অবতীর্ণ হয়েছে। এই সূরাতে মুসলিমদের জীবন পরিচালনা ও কিভাবে একতাবদ্ধ থাকতে হবে সে সম্পর্কে বলা আছে।


Summary

  • 1 Man and his Creator
  • 2-5 Orphans, the duty of guardians to such
  • 6-13 The law of inheritance
  • 14-15 The punishment of adulteresses
  • 16-17 Repentance enjoined
  • 18-19 Women’s rights
  • 20-27 Forbidden and lawful degrees in marriage
  • 28-30 Gaming, rapine, and suicide forbidden
  • 31-33 Husband’s superiority over woman recognised
  • 34 Reconcilement of man and wife
  • 35-36 Parents, orphans, the poor etc to be kindly treated
  • 37-41 Hypocrisy in almsgiving condemned
  • 42 Prayer forbidden to the drunken and polluted
  • 43-45 Jewish mockers denounced
  • 46-53 Idolatry the unpardonable sin
  • 54-55 The rewards of faith and unbelief
  • 56 Trusts to be faithfully paid back
  • 57-68 Disputes to be settled by God and his Apostle
  • 69-74 Precautions etc, in warring for the faith
  • 75-84 The disobedient and cowardly reproved
  • 85 Salutations to be returned
  • 86-90 Treatment of hypocrites and apostates
  • 91-93 Believers not to be slain or plundered
  • 94-99 Believers in heathen countries to fly to Muslim lands
  • 100-102 Special order for prayer in time of war
  • 103 Exhortation to zeal for Islam
  • 104-114 Fraud denounced
  • 115-125 Idolatry and Islam compared
  • 126 Equity in dealing with women and orphans enjoined
  • 127-129 men are protectors of women
  • 130-132 God to be feared
  • 133 Fraud denounced
  • 134-138 Muslims exhorted to steadfastness
  • 139-143 Hypocrites to be shunned
  • 144-151 The reward of hypocrisy and belief compared
  • 152-154 Presumptuous and disobedient Jews destroyed
  • 155-158 The Jews defame Mary and Jesus
  • 159-160 Certain kinds of food forbidden to Jews as punishment
  • 161-168 Muhammad’s inspiration like that of other prophets
  • 169-174 Christians reproved for their faith in Jesus as the Son of God and in the doctrine of the Trinity
  • 175 The law of inheritance for distant relatives 



Islamic Foundation Bangladesh

004 An-Nisa || সূরা আন নিসা

Quran Recite with Bengali Translantion  

#Islam #Quran # নিসা #IslamicFoundation #Recite #Bengali #bangla

003 Al Imran || আল ইমরান25 Apr 202101:36:56

আল ইমরান (আরবি ভাষায়: آل عمران‎) মুসলমানদের ধর্মীয় গ্রন্থ কুরআনের তৃতীয় সূরা, এর আয়াত সংখ্যা ২০০টি এবং এর রূকুর সংখ্যা ২০টি। আল ইমরান সূরাটি মদিনায় অবতীর্ণ হয়েছে।


Summary

  • 1-2 God is one and self-existent
  • 3-4 The Quran to be believed
  • 5-6 God omniscient
  • 7 Plain and obscure verses of the Quran
  • 8-9 The prayer of those versed in Quranic mystery
  • 10-12 The punishment of Pharaoh a warning to infidels
  • 13 The victory at the Battle of Badr alluded to
  • 14-18 The faithful, their character and reward
  • 19-20 Islam the true religion
  • 21-25 The punishment of unbelievers eternal
  • 26-27 God omnipotent and sovereign
  • 28-34 Obedience to God enjoined
  • 35-38 The Virgin Mary - her conception - nurtured by Zacharias 39-41 John the Baptist, his birth 42-57 Christ announced to the Virgin - his miracles, apostles etc
  • 58-65 Muhammad’s dispute with the Christians of Najran
  • 66-77 The hypocritical Jews reproached
  • 78-83 Prophets not to be worshipped
  • 84-91 God’s curse on infidels
  • 92 Almsgiving enjoined
  • 93-95 The Jews unlawfully forbid certain meats
  • 96-97 The Kaabah founded
  • 98-105 Muslims are warned against the friendship of Jews etc 106-109 The lot of infidels and believers contrasted 110-112 Muslims safe from the enmity of Jews and Christians 113-115 Certain believing Jews commended for their faith 116-120 Muslims not to make friends of Jews and Christians
  • 121-122 The battle of Uhud alluded to
  • 123-129 Disheartened Muslims encouraged
  • 130-136 Usury forbidden
  • 137-138 The doom of defamers of the apostles
  • 139-144 Islam not dependent on Muhammad for success
  • 145-148 The former prophets are examples of perseverance
  • 149-151 Unbelievers to be avoided
  • 152-154 Certain Muslims disobedient at Uhud 155-157 The hypocrites rebuked 158-159 Muslims slain at Uhud to enter paradise
  • 160-161 Mild treatment of vacillating Muslims
  • 162-165 The spoils of war to be honestly divided 166-169 The faithful sifted by defeat at Uhud 170-172 The joy of the Uhud martyrs in paradise
  • 173-176 Certain Muslims commended for faithfulness
  • 177-180 The fate of unbelievers
  • 181 The miser’s doom
  • 182-190 Scoffing Jews denounced—they charge Muhammad with imposture
  • 191-195 Meditations and prayers of the pious 196-198 God’s answer to the prayers of the pious
  • 199 Certain believing Jews and Christians commended
  • 200 Exhortation to patience and perseverance 



Islamic Foundation Bangladesh

003 Al Imran

Quran Recite with Bengali Translantion  

#Islam #Quran # Imran #IslamicFoundation #Recite #Bengali #bangla

002 Al-Baqara || সূরা আল-বাকারা25 Apr 202102:52:35

আল বাকারা (আরবি ভাষায়: سورة البقرة) মুসলমানদের পবিত্র ধর্মীয় গ্রন্থ কুরআনের দ্বিতীয় সূরা, এর আয়াত সংখ্যা ২৮৬ টি এবং এর রূকুর সংখ্যা ৪০ টি। আল বাকারা সূরাটি মদিনায় অবতীর্ণ হয়েছে।


Summary

  • 1-5 The Believers in the Hereafter
  • 6-20 The Disbelievers and hypocrites in the Hereafter
  • 21-38 Exhortation to the worship of the true God
  • 39-102 Jews and Christians urged to accept the claim of Muhammad to be a prophet of God
  • 102-112 The opposition of Jews and Christians to Muhammad’s prophetic pretensions combated
  • 113 The doctrine of abrogation enunciated
  • 115 A Qibla declared to be unnecessary
  • 116-141The Jews denounced and the religion of Abraham declared to be the true Islam
  • 142-153 The Jews finally abandoned and the Arabs accepted by the adoption of Makkah as the Qibla of Islam
  • 154-163 The Bereaved friends of those slain at the Battle of Badr comforted
  • 164-172 Makkans exhorted to faith in God, and directed to observe the law respecting forbidden meats
  • 173-176 Law concerning lawful and unlawful food (delivered at Madina)
  • 177 The sum of Muslim duty
  • 178-179 The law of retaliation
  • 180-182 The law concerning bequests
  • 183-185 The law concerning fasting
  • 186-187 The fast of Ramadan
  • 188-202 The pilgrimage to Makkah and war for the faith
  • 203-206 Hypocrites and true believers contrasted
  • 207-208 Exhortation to a hearty acceptance of Islam
  • 209 The doom of infidels pronounced
  • 210-212 The Jews reproached
  • 213 Suffering to be patiently endured
  • 214-242 Sundry laws relating to almsgiving, war, wine, orphans etc.
  • 243-253 The duty of warring in defence of religion enjoined by precept, and illustrated by the history of former prophets
  • 255 The Throne Verse
  • 256-257 Laa ikraha fid deen.
  • 258-260 The doctrine of the resurrection illustrated
  • 261-274 Exhortation and encouragement to almsgiving
  • 275-277 Usury forbidden
  • 278-283 Debts in Islam including the longest verse in the Quran
  • 284-286 The three verses of Paradise.


Islamic Foundation Bangladesh

002 Al-Baqara 

Quran Recite with Bengali Translantion  


#Islam #Quran # Baqara #IslamicFoundation #Recite #Bengali #bangla

001 Al-Fatiha || সূরা আল-ফাতিহা25 Apr 202100:01:09

সূরা আল ফাতিহা (আরবি: سورة الفاتحة‎‎) মুসলমানদের ধর্মীয় গ্রন্থ কুরআনের প্রথম সূরা, এর আয়াত সংখ্যা ৭ এবং রুকু সংখ্যা ১। ফাতিহা শব্দটি আরবি "ফাতহুন" শব্দজাত যার অর্থ "উন্মুক্তকরণ"। এটি আল্লাহ্ এর পক্ষ থেকে বিশেষ প্রতিদান স্বরূপ। সূরা ফাতিহা অন্যান্য সূরার ন্যায় বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহীম দিয়ে শুরু হয়েছে। আল ফাতিহা সূরাটি মক্কায় অবতীর্ণ হয়েছে বিধায় মক্কী সূরা হিসেবে শ্রেণীবদ্ধ। সূরা ফাতিহাকে ভেঙ্গে ভেঙ্গে পড়া যায় না বলে একে অখণ্ড সূরা নামেও ডাকা হয়। সূরা ফাতিহাকে ভেঙে পড়ার বিধান নেই।


Islamic Foundation Bangladesh

001 Al-Fatiha
Quran Recite with Bengali Translantion

#Islam #Quran # Fatiha #IslamicFoundation #Recite #Bengali #bangla

102 At-Takathur || সূরা তাকাসুর11 Apr 202300:01:06

সূরা আত তাকাসুর মুসলমানদের ধর্মীয় গ্রন্থ কুরআনের ১০২ তম সূরা, এর আয়াত সংখ্যা ৮ টি এবং রূকুর সংখ্যা ১। আত তাকাসুর সূরাটি মক্কায় অবতীর্ণ হয়েছে।

তাকাসুর শব্দটি আরবি: كثرة থেকে উদ্ভূত হয়েছে। এর অর্থ প্রচুর ধন-সম্পদ সঞ্চয় করা। হযরত ইবনে আব্বাস ও হাসান বসরী তফসীর করেছেন। এ শব্দটি প্রাচুর্যের প্রতিযোগিতা অর্থেও ব্যবহৃত হয়। কাতাদাহ্‌ এ অর্থই করেছেন। হযরত ইবনে আব্বাস বর্ণনা করেন, রসূলুল্লাহ্‌ একবার এ আয়াত তেলাওয়াত করে বললেনঃ এর অর্থ অবৈধ পন্থায় সম্পদ সংগ্রহ করা এবং আল্লাহ্‌র নির্ধারিত খাতে ব্যয় না করা।[১][২]

নাযিল হওয়ার সময়কাল

আবু হাইয়ান ও শওকানী বলেন, সকল তাফসীরকার একে মক্কী সূরা গণ্য করেছেন। এ ব্যাপারে ইমাম সুয়ুতির বক্তব্য হচ্ছে, মক্কী সূরা হিসেবেই এটি বেশি খ্যাতি অর্জন করেছে। কিন্তু কিছু কিছু বর্ণনায় একে মাদানী সূরা বলা হয়েছে।এছাড়া রসুলল্লাহ (সঃ) মক্কী সূরার যে বৈশিষ্ট্যর কথা বলছিলেন তার সাথে অধিক পরিমাণ মিল তাই এটি মাক্কী সূরা


শানে নুযূল

ইবনে আবু হাতেম আবু বুরাইদার রেওয়ায়েত উদ্ধৃত করেছেন। তাতে বলা হয়েছেঃ বনী হারেসা ও বনিল হারস নামক আনসারদের দুটি গোত্রের ব্যপারে এ সূরাটি নাযিল হয়। উভয় গোত্র পরস্পরের বিরুদ্ধে প্রতিযোগিতামূলক ভাবে প্রথমে নিজেদের জীবিত লোকদের গৌরবগাঁথা বর্ণনা করে। তারপর কবরস্থানে গিয়ে মৃত লোকদের গৌরবগাঁথা বর্ণনা করে। তাদের এই আচরণের ফলে আল্লাহ্‌র এই বাণী নাযিল হয়। কিন্তু শানে নূযুলের জন্য সাহাবায়ে কেরাম ও তাবেঈগণ যে পদ্ধতি অবলম্বন করেছেন তাকে এই সূরা নাযিলের উপলক্ষ বলে মেনে নেবার সপক্ষে প্রমাণ হিসাবে গ্রহণ করা যায় না।


ইমাম বুখারী ও ইবনে জারীর হযরত উবাই ইবনে কা'বের একটি উক্তি উদ্ধৃত করেছেনঃ তাতে তিনি বলেছেনঃ "আমরা রসূলে করীম এর এ বাণীটিকে


“বনি আদমের কাছে যদি দুই উপত্যকা সমান সম্পদ থাকে তারপরও সে তৃতীয় একটি উপত্যকার আকাঙ্খা করবে। আদম সন্তানের পেট মাটি ছাড়া আর কিছু দিয়ে ভরে না। ”

কুরআনের মধ্যে মনে করতাম। এমন কি শেষ পর্যন্ত আলহাকুমুত্‌ তাকাসুর সূরাটি নাযিল হয়।"[৩]


বিষয়বস্তুর বিবরণ

এ সূরার মুল বিষয়বস্তু হলো আখিরাত। আখিরাত সম্পর্কে সজাগ এবং আখিরাতে যে অর্জিত সম্পদের হিসাব নেওয়া হবে সে বিষয়েই সতর্ক করা হয়েছে।


আলোচ্য বিষয়

দুনিয়া পাওয়ার ধান্দায় পরিণাম। Summary

  • 1-3 Men spend their time seeking the things of this world
  • 3-5 The judgment-day shall reveal their folly
  • 6-8 In consequence they shall see hell-fire [1]

.

অর্থসহ কোরান তেলাওয়াত

Quran Recite with Bengali Translation

Islamic Foundation Bangladesh

.

#Islam #Quran #At-Takathur #তাকাসুর #IslamicFoundation #Recite #Bengali #bangla

101 Al-Qaria || সূরা ক্বারিয়াহ11 Apr 202300:01:07

সূরা আল ক্বারিআহ বা আল ক্বারিয়াহ (আরবি: سورة القارعة‎‎) মুসলমানদের ধর্মীয় গ্রন্থ পবিত্র কুরআনের ১০১তম সূরা। এর আয়াত সংখ্যা ১১টি এবং এর রূকুর সংখ্যা ১। এটি একটি মক্কী সূরা অর্থ্যাৎ এটি মক্কায় অবতীর্ণ হয়েছে।

এ সূরার প্রথম শব্দ ক্বারিআহ থেকে এর নামকরণ করা হয়েছে।[১] এ সূরায় শুধু কিয়ামত ও আখেরাতের ওপর আলোকপাত তরা হয়েছে। সূরার শুরুতে মানুষকে একটি "মহা দুর্ঘটনা!" বলে সতর্ক করা হয়েছে: ‘কী সেই মহা দুর্ঘটনা? তুমি কি জানো সেই মহা দুর্ঘটনাটি কী?’ এভাবে শ্রোতাদেরকে একটি ভয়াবহ ঘটনা অনুষ্ঠিত হবার খবর শোনার জন্য প্রস্তুত করার পর দুটি বাক্যে তাদের সামনে কিয়ামতের নক্‌শা এঁকে দেয়া হয়েছে।[২]


শানে নুযূল

যে ব্যক্তি সংখ্যায় তো নামায, রোযা, সদকা-যাক্বাত, হজ্জ অনেক করে, কিন্তু আন্তরিকতা ও সুন্নতের সাথে সামঞ্জস্য কম, তার আমলের ওজন কম হবে।


বিষয়বস্তুর বিবরণ

এ সূরায় আমলের ওজন ও তার হালকা এবং ভারী হওয়ার প্রেক্ষিতে জাহান্নাম অথবা জান্নাত লাভের বিষয় আলোচিত হয়েছে। আমলের সম্পর্কে বিস্তারিত আলোচনা সূরা আ'রাফের শুরুতে করা হয়েছে। সেখানে লিখিত হয়েছে যে, বিভিন্ন হাদীস আয়তের মধ্যে সমন্বয় সাধন করে জানা যায়, আমলের ওজন সম্ভবতঃ দুবার হবে। প্রথমতঃ ওজন করে মুমিন ও কাফেরের মধ্যে পার্থক্য নিরূপণ করা হবে। মুমিনের পাল্লা ভারী ও কাফেরর পাল্লা হালকা হবে। এরপর মুমিনদের মধ্যে সৎকর্ম ও অসৎকর্মের পার্থক্য বিধানের জন্যে হবে দ্বিতীয় দফা ওজন করা হবে। এ সূরায় বাহ্যতঃ প্রথম ওজন বোঝানো হয়েছে, যাতে প্রত্যেক মুমিনের পাল্লা ঈমানের অভাবে হালকা হবে, সে যদিও কিছু সৎকর্ম করে থাকে। যার আমল আন্তরিকতাপূর্ণ ও সুন্নতের সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ, সংখ্যায় কম হলেও তার আমলের ওজন বেশি হবে। পক্ষান্তরে যে ব্যক্তি সংখ্যায় তো নামায, রোযা, সদকা-যাক্বাত, হজ্জ অনেক করে, কিন্তু আন্তরিকতা ও সুন্নতের সাথে সামঞ্জস্য কম, তার আমলের ওজন কম হবে।[৩] Summary

After a picturesque depiction of judgement day in first 5 verses,[7] next 4 verses (ayat) describe that God's Court will be established and the people will be called upon to account for their deeds. The people whose good deeds will be heavier, will be blessed with bliss and happiness, and the people whose good deeds will be lighter, will be cast into the burning fire of hell.[8]

The last 2 verses describe Háwíyah[9] in a similar emphatic[10][11] way as Al-Qariah was emphasized[12][13] in the beginning. According to the Papal translator, Ludovico Marracci, the original word Hâwiyat is the name of the lowest dungeon of hell, and properly signifies a deep pit or gulf.[14] Jewish to Muslim convert, Muhammad Asad comments here: Lit., "his mother [i.e., goal] will be an abyss" (of suffering and despair). According to Quranite translator, Sam Gerrans, the term "mother" (umm) is used idiomatically to denote something that embraces or enfolds.[15]

.

অর্থসহ কোরান তেলাওয়াত

Quran Recite with Bengali Translation

Islamic Foundation Bangladesh

.

#Islam #Quran #Al-Qaria #ক্বারিয়াহ #IslamicFoundation #Recite #Bengali #bangla

100 Al-Adiyat || সূরা আদিয়াত23 Feb 202300:01:25

সূরা আল-আদিয়াত (আরবি: سورة العاديات‎‎) মুসলমানদের ধর্মীয় গ্রন্থ কুরআনের ১০০ তম সূরা, এর আয়াতের সংখ্যা ১১টি, এর রূকুর সংখ্যা ১টি এবং ৩০ পারা। আ'দিয়াত সূরাটি মক্কায় অবতীর্ণ হয়েছে। আল-আদিয়াত এর বাংলা অর্থ হল অভিযানকারী।[১]

অবতীর্ণ হওয়ার সময় ও স্থান

এই সূরাটির মক্কী বা মাদানী হওয়ার ব্যাপারে মতভেদ রয়েছে। আবদুল্লাহ ইবনে মাসউদ, জাবের, হাসান বসরী, ইকরামা ও আতা বলেন, এটি মক্কী সূরা। আনাস ইবনে মালিক ও কাতাদাহ একে মাদানী সূরা বলেন। অন্যদিকে ইবনে আব্বাস থেকে দুই ধরনের মত উদ্ধৃত হয়েছে। তাঁর একটি মত হচ্ছে এটি মক্কী সূরা এবং অন্য একটি বক্তব্যে তিনি একে মাদানী সূরা বলে উল্লেখ করেছেন। কিন্তু সূরার বক্তব্য ও বর্ণনাভঙ্গী পরিষ্কারভাবে জানিয়ে দিচ্ছে যে, এটি কেবল মক্কী সূরাই নয় বরং মক্কী যুগের প্রথম দিকে নাযিল হয়।

শানে নুযূল

সুরা আদিয়াত নাজিলের পটভূমি হল হিজরি অষ্টম সনের একটি যুদ্ধ। মুসলমানদের ওপর অতর্কিতে হামলার উদ্দেশ্যে আরবের ইয়াবেস উপত্যকার মুশরিকরা মদীনার পার্শ্ববর্তী এলাকাতে জড়ো হলে হযরত মুহাম্মদ(সঃ) এ সংবাদ পেয়ে আবু বকরের নেতৃত্বে তাদের প্রতিহত করতে এক সেনাদল পাঠান। কিন্তু তারা ছিল খুবই দুর্ধর্ষ। ফলে আবু বকর ফিরে যেতে বাধ্য হন এবং বহু মুসলমানও নিহত হয়। দ্বিতীয় দিন উমর ইবনে খাত্তাবের নেতৃত্বে পাঠানো সেনাদলও একইভাবে ব্যর্থ হয়। তৃতীয় দিন আমর ইবনে আস বলেন, ‘আমাকে যদি নেতা নিযুক্ত করা হয় তবে আমি কৌশলে তাদেরকে হারাব।’ তাকেও পাঠানো হল। কিন্তু তিনিও ব্যর্থ হয়ে ফিরে আসলেন। কোনো কোনো বর্ণনায় বলা হয় আবু বকর ও উমর কেবল আলোচনার মাধ্যমে ওই শত্রুদের বশে আনার চেষ্টা করেন এবং ব্যর্থ হন। যাই হোক অবশেষে মুহাম্মাদ আলীকে নেতা নিযুক্ত করলেন এবং তিনি তাঁকে মসজিদে আহযাব অবধি পৌঁছে দিয়ে বিদায় নিলেন। আলী সেনাদলকে সঙ্গে নিয়ে রওনা দিলেন এবং রাত থাকতেই তাদের কাছে পৌঁছে গেলেন এবং আক্রমণ করে তাদের বহু লোককে হত্যা করলেন এবং অবশিষ্টকে শৃঙ্খলিত করে নিয়ে আসলেন। এ কারণে ঐ যুদ্ধকে ‘বাতুল আখদাল’ বলা হয়।


এদিকে আলীর নেতৃত্বে বিজয়ীরা মদীনা পৌঁছানোর পূর্বেই সুরা আদিয়াত নাজিল হয়। মুহাম্মাদ ফজরের নামাজে এই নতুন সুরা পড়লে সাহাবিরা এ সম্পর্কে জানতে চাইলে তিনি আলীর নেতৃত্বাধীন সেনাদের বিজয়ের সুসংবাদ শোনান। মুহাম্মাদ প্রফুল্ল চিত্তে যুদ্ধবিজয়ীদের অভ্যর্থনা জানাতে বেরিয়ে আসেন। আর যখন তাঁর ওপর আলীর দৃষ্টি পড়ল সঙ্গে সঙ্গে তিনি ঘোড়া থেকে নেমে পড়লেন। তখন মুহাম্মাদ বললেন, ‘হে আলী! যদি আমার উম্মতের বিপথগামিতার আশঙ্কা না থাকত তবে তোমার সম্পর্কে আমি সেই কথা বলতাম যারপর মানুষ তোমার পদধূলিকে রোগ-মুক্তির জন্য নিয়ে যেত।’

Summary

  • 1-6 Oaths that man is ungrateful to his God
  • 7-8 Man loves the things of this world
  • 9-11 Man’s secret thoughts shall be discovered in the judgment-day [2]

A one liner theme of surah al-adiyat would read that this surah gives an example that horses are more grateful to their owners than men are to their Rabb (Allah).[3]

First five ayaat of the surah consist of an oath as a metaphor enforcing the lesson.[4] They describe a scene of horses charging, panting, producing sparks by their hooves, raiding at the time of dawn, stirring up the cloud of dust and arriving a gathering.

The substantive proposition is in verses 6-8 that Man is ungrateful to his Lord and himself is a witness to it and he is immoderate in the love of worldly good.[5]

The last three ayaat conclude the surah with a rhetorical question that Does the man not know about the time when contents of the graves will be resurrected and that which is in men's breasts shall be brought to light on that Day their Sustainer will show that He has always been fully aware of them.

.

অর্থসহ কোরান তেলাওয়াত

Quran Recite with Bengali Translation

Islamic Foundation Bangladesh

.

#Islam #Quran #Al-Adiyat#আদিয়াত #IslamicFoundation #Recite #Bengali #bangla

099 Al-Zalzalah || সূরা যিলযাল16 Feb 202300:01:12

সূরা যিল্‌যাল(আরবি: سورة الزلزلة‎‎) মুসলমানদের ধর্মীয় গ্রন্থ কুরআনের ৯৯ তম সূরা, এর আয়াত সংখ্যা ৮ টি এবং এর রূকুর সংখ্যা ১। যিলযাল সূরাটি মদিনায় অবতীর্ণ হয়েছে।

এই সূরার বিষবস্তু হচ্ছে, মৃত্যুর পর মানুষের পরকালের জীবনের সূত্রপাত কিভাবে হবে এবং মানুষের জন্য তা হবে কেমন বিস্ময়কর ও সেখানে দুনিয়ায় করা সমস্ত কাজের হিসাব মানুষের সামনে এসে যাওয়া। হযরত আবী হাতেম হযরত আবু সাঈদ খুদরী থেকে যে রেওয়ায়েতটি উদ্ধৃত করা হয়েছে তাতে বলা হয়েছেঃ যখন আয়াতটি নাযিল হয় তখন আমি রসূলুল্লাহ্‌-কে বললাম, হে আল্লাহর রসূল! আমি কি আমার আমল দেখবো? তিনি জবাব দিলেন, হাঁ। আমি বললাম, এই বড় বড় গুণাহগুলিও দেখবো? জবাব দিলেন, হাঁ। বললাম, আর এই ছোট ছোট গুণাহগুলিও? জবাব দিলেন, হাঁ। একথা শুনে আমি বললাম, তাহলে তো আমি মারা পড়েছি। তিনি বললেন, আনন্দিত হও, হে আবু সাঈদ কারণ প্রত্যেক নেকী তার নিজের মতো দশটি নেকীর সমান হবে।[১]

Summary
  • 1-3 The judgment-day shall be ushered in by a declare why she trembles
  • 6-8 Men shall be judged according to their deeds[1]

The surah begins by describing how on the Day of Judgment, the Earth will give off a terrible earthquake and "throw up her burdens". Through the inspiration of God, the Earth will bear witness to the actions of men it has witnessed. According to Michael Sells, the earth opening up and bearing forth her secrets in this sura is indicative of a birth metaphor. The earth al-'Ard in the feminine gender bears forth of how her lord revealed the final secret to her. Human beings will then realize that the moment of accountability has arrived. This meticulous accountability will reflect good and evil deeds that might have seemed insignificant at the time.[2]

The two concluding verses state that all men will be sorted out into groups according to their deeds, and they will see the consequence of everything they have done; every atom's weight of good or evil:

That day mankind will issue forth in scattered groups to be shown their deeds.And whoso doeth good an atom's weight will see it then,And whoso doeth ill an atom's weight will see it then.— The Qur'an, verses 99:6-8 (translated by Marmaduke Pickthall)

.

অর্থসহ কোরান তেলাওয়াত

Quran Recite with Bengali Translation

Islamic Foundation Bangladesh

.

#Islam #Quran #Al-Zalzalah #যিলযাল#IslamicFoundation #Recite #Bengali #bangla

098 Al-Bayyin || সূরা বাইয়্যিনাহ09 Feb 202300:02:22

সূরা আল বাইয়্যিনাহ (আরবি: سورة البينة‎‎‎) মুসলমানদের ধর্মীয় গ্রন্থ কুরআনের ৯৮ নম্বর সূরা, এর আয়াত সংখ্যা ৮ টি এবং এর রূকু ১টি। আল বাইয়্যিনাহ সূরাটি মদীনায় অবতীর্ণ হয়েছে।

Summary
  • 1-2 The idolaters stagger at the revelations of the Quran
  • 3-4 Jews and Christians dispute among themselves since the advent of Muhammad and his new religion
  • 5 Unbelievers of all classes threatened with divine judgments
  • 6 Those who disbelieve, from the People of the Book, and polytheists are the worst of all creatures, destined for hell[2]
  • 7-8 'Those who believed and done righteous deeds' are “the best of creatures”; their reward [3]

প্রথম আয়াতে রসূলুল্লাহ্‌-এর আবির্ভাবের পূর্বে দুনিয়াতে কুফর, শিরক, ও মূর্খতার ঘোর অন্ধকারের কথা উল্লেখ করে বলা হয়েছে যে, এহেন সর্বগ্রাসী অন্ধকার দূর করার জন্যে একজন পারদর্শী সংস্কারক প্রেরণ করা ছিল অপরিহার্য। রসূলুল্লাহ্‌ -এর জন্ম ও আবির্ভাবের পূর্বে আহ্‌লে-কিতাবরা সবাই তার নবুওয়তের ব্যাপারে ঐকমত্য পোষণ করত। কেননা, তাদের ঐশীগ্রন্থ তৌরাত ও ইঞ্জীলে রসূলুল্লাহ্‌ -এর নবুওয়ত, তার বিশেষ গুণাবলী ও তার প্রতি কোরআন অবতরন সম্পর্কে সুস্পষ্ট বর্ণনা ছিল। তাই ইহুদী ও খ্রীষ্টানদের মধ্যে এ ব্যাপারে কোন বিরোধ ছিল না যে, শেষ যমানার নবী ও রসূল হযরত মোহাম্মদ মোস্তফা আগমন করবেন, তার প্রতি কোরআন নাযিল হবে এবং তার অনুসরণ সবার জন্যে অপরিহার্য হবে।

“ আহ্‌লে কিতাবরা রসূলুল্লাহ্‌ -এর আবির্ভাবের পূর্বে তাঁর আগমনের অপেক্ষায় ছিল এবং যখন মুশরেকদের সাথে তাদের মোকাবেলা হত, তখনই তাঁর মধ্যস্থতায় আল্লাহ্‌ তাআলার কাছে বিজয় কামনা করে দোয়া করত যে, শেষ নবীর বরকতে আমাদের দান করা হোক। ”

অথবা তারা মুশরিকদেরকে বলতঃ

“ তোমরা আমাদের বিরুদ্ধে শক্তি পরীক্ষা করছ বটে, কিন্তু সত্বরই একজন রসূল আসবেন, যিনি তোমাদেরকে পদানত করবেন। আমরা তাঁর সাথে থাকব, ফলে আমদেরই বিজয় হবে। ”

রসূলুল্লাহ্‌ -এর আগমনের পূর্বে আহ্‌লে-কিতাবরা সবাই তার নবুওয়ত সম্পর্কে অভিন্ন মত পোষণ করত, কিন্তু যখন তিনি আগমন করলেন, তখন তারা অস্বীকার করতে লাগল। কোরআনেরও অন্য এক আয়াতে এ সম্পর্কে বলা হয়েছেঃ

“ তাদের কাছে যখন পরিচিত রসূল, সত্যধর্ম অথবা কোরআন আগমন করল, তখন তারা কুফর করতে লাগল। ”

আলোচ্য আয়াতে এ বিষয়টি এভাবে বর্ণিত হয়েছে যে, আশ্চর্যের বিষয়, রসূলের আগমন ও তাকে দেখার পূর্বে তো তাদের মধ্যে তার সম্পর্কে কোন মতবিরোধ ছিল না; সবাই তার নবুওয়ত সম্পর্কে একমত ছিল, কিন্তু যখন সুস্পষ্ট প্রমাণ অর্থাৎ শেষনবী আগমন করলেন, তখন তাদের মধ্যে বিভেদ সৃষ্টি হয়ে গেল। কেউ কেউ বিশ্বাস স্থাপন করে মুমিন হল এবং অনেকেই কাফের হয়ে গেল।[১]

সবশেষে পরিষ্কারভাবে বলে দেয়া হয়েছে, যেসব আহ্‌লি কিতাব ও মুশরিক এই রসূলকে মেনে নিতে অস্বীকার করবে তারা নিকৃষ্টতম সৃষ্টি। তাদের শাস্তি চিরস্তন জাহান্নাম। আর যারা ঈমান এনে সৎ কর্মের পথ অবলম্বন করবে এবং দুনিয়ায় আল্লাহ্‌কে ভয় করে জীবন যাপন করবে তারা সর্বোত্তম সৃষ্টি। তারা চিরকাল জান্নাতে থাকবে। এই তাদের পুরস্কার।[২]


.

অর্থসহ কোরান তেলাওয়াত

Quran Recite with Bengali Translation

Islamic Foundation Bangladesh

.

#Islam #Quran #Al-Bayyin #বাইয়্যিনাহ #IslamicFoundation #Recite #Bengali #bangla

097 Al-Qadr || সূরা ক্বদর02 Feb 202300:00:53

সূরা আল-কদর (বা ক্বদর) (আরবি: سورة القدر‎‎) মুসলমানদের ধর্মীয় গ্রন্থ কুরআনের ৯৭ তম সূরা, এর আয়াত সংখ্যা ৫ টি এবং এর রূকুর সংখ্যা ১। আল ক্বদর সূরাটি মক্কায় অবতীর্ণ হয়েছে।[১] কদরের এর অর্থ মাহাত্ম্য ও সম্মান। এর মাহাত্ম্য ও সম্মানের কারণে একে "লায়লাতুল-কদর" তথা মহিম্মান্বিত রাত বলা হয়। আবু বকর ওয়াররাক বলেনঃ এ রাত্রিকে লায়লাতুল-কদর বলার কারণ এই যে, আমল না করার কারণে এর পূর্বে যার কোন সম্মান ও মূল্য মহিমান্বিত থাকে না, সে এ রাত্রিতে তওবা-এস্তেগফার ও এবাদতের মাধ্যমে সম্মানিতও হয়ে যায়।

ঐতিহাসিক পটভূমি

হযরত আবু যর গেফারী বর্ণিত রেওয়ায়েতে রসূলুল্লাহ্‌ (সঃ) বলেনঃ ইবরাহীম-এর সহীফাসমূহ ৩রা রমযানে, তাওরাত ৬ই রমযানে, ইঞ্জিল ১৩ই রমযানে এবং যাবুর ১৮ই রমযানে অবতীর্ণ হয়েছে। কোরআন পাক ২০শে রমযানুল-মোয়ারকে নাযিল হয়েছে।[২] হাদীসে আছে, শবে-কদরে জিবরাঈল ফেরেশতাদের বিরাট এক দল নিয়ে পৃথিবীতে অবতরণ করেন এবং যত নারী-পুরুষ নামায অথবা যিকরে মশগুল থাকে, তাদের জন্যে রহমতের দোয়া করেন। ফেরেশতাগণ শবে-কদরে সারা বছরের অবধারিত ঘটনাবলী নিয়ে পৃথিবীতে অবতরণ করে। কোন কোন তফসীরবিদ একে "সালাম্মুন" এর সাথে সম্পর্কযুক্ত করে এ অর্থ করেছেন যে, এ রাত্রিটি যাবতীয় অনিষ্ট ও বিপদাপদ থেকে শান্তিস্বরূপ।[৩] শবে-কদরের এই বরকত রাত্রির কোন বিশেষ অংশে সীমিত নয়; বরং ফজরের উদয় পর্যন্ত বিস্তৃত।

নাযিল হওয়ার সময় ও স্থান

এর মক্কী বা মাদানী হবার ব্যাপারে দ্বিমত রয়ে গেছে। আবু হাইয়ান বাহরুল মুহীত গ্রন্থে দাবী করেছেন , অধিকাংশ আলেমের মতে এটা মাদানী সূরা । আলী ইবনে আহমাদুল ওয়াহেদী তাঁর তাফসীরে বলেছেন , এটি মদীনায় নাযিলকৃত প্রথম সূরা। অন্যদিকে আল মাওয়ারদী বলেন , অধিকাংশ আলেমের মতে এটি মক্কী সূরা । ইমাম সুয়ূতী ইতকান গ্রন্থে একথাই লিখেছেন। ইবনে মারদুইয়া ইবনে আব্বাস (রা) , ইবনে যুবাইর ( রা) ও হযরত আয়েশা ( রা) থেকে এ উক্তি উদ্ধৃত করেছেন যে , সূরাটি মক্কায় নাযিল হয়েছিল। সূরার বিষয়বস্তু পর্যালোচনা করলেও একথাই প্রতীয়মান হয় যে , এর মক্কায় নাযিল হওয়াটাই যুক্তিযুক্ত।

শানে নুযূল

ইবনে আবী হাতেম -এর রেওয়ায়েতে আছে, রসূলুল্লাহ্‌ (সঃ) একবার বনী-ইসরাঈলের জনৈক মুজাহিদ সম্পর্কে আলোচনা করলেন। সে এক হাজার মাস পর্যন্ত অবিরাম জিহাদ[৪] মশগুল থাকে এবং কখনও অস্ত্র সংবরণ করেনি। মুসলমানগণ একথা শুনে বিস্মিত হলে এ সূরা কদর অবতীর্ণ হয়। এতে এ উম্মতের জন্যে শুধু এক রাত্রির ইবাদতই সে মুজাহিদের এক হাজার মাসের এবাদত অপেক্ষা শ্রেষ্ঠ প্রতিপন্ন করা হয়েছে। ইবনে জরীর অপর একটি ঘটনা এভাবে উল্লেখ করেছেন যে, বনী-ইসরাঈলের জনৈক ইবাদতকারী ব্যক্তি সমস্ত রাত্রি ইবাদতের মশগুল থাকত ও সকাল হতেই জিহাদের জন্যে বের হয়ে যেত এবং সারাদিন জিহাদে লিপ্ত থাকত। সে এক হাজার মাস এভাবে কাটিয়ে দেয়। এর পরিপ্রেক্ষিতেই আল্লাহ্‌ তাআলা সূরা-কদর নাযিল করে এ উম্মতের শ্রেষ্ঠত্ব প্রমাণ করেছেন। এ থেকে আরও প্রতীয়মান হয় যে, শবে-কদর উম্মতে মুহাম্মদীরই বৈশিষ্ট্য।[৫]


সারসংক্ষেপ

  • সুরাটির ১ নং আয়াতে তথ্য অনুযায়ী জানা যায় আল কদরের রাতে ইসলামের নবি মুহাম্মদ (দঃ) - এর প্রতি তার ধর্মীয় ঐশী গ্রন্থ কুরআন অবতীর্ণ হয় ।
  • ২ থেকে ৫ নং আয়াত (শেষ পর্যন্ত) আল কদরের রাত্রির মর্যাদা-মহিমা বর্ণিত ও প্রশংসিত হয়েছে ।[৮]


.

অর্থসহ কোরান তেলাওয়াত

Quran Recite with Bengali Translation

Islamic Foundation Bangladesh

.

#Islam #Quran #Al-Qadr #ক্বদর #IslamicFoundation #Recite #Bengali #bangla

096 Al-Alaq || সূরা আলাক্ব26 Jan 202300:02:13

আল আলাক্ব (আরবি ভাষায়: العلق) মুসলমানদের ধর্মীয় গ্রন্থ কুরআনের ৯৬ তম সূরা। সূরা আলাক্বের আয়াত সংখ্যা ১৯। এতে একটি রূকু রয়েছে।


নাযিল হওয়ার সময় ও স্থান

সূরা আলাক্ব মক্কায় অবতীর্ণ। এটি মক্কী সূরা হিসাবে পরিগণিত।

এই সূরাটির দুটি অংশ পরিলক্ষ্য করা যায়। প্রথম অংশটি প্রথম আয়াত থেকে শুরু হয়ে পঞ্চম আয়াত অবধি বিস্তৃত। অত:পর দ্বিতীয় অংশটি ষষ্ঠ আয়াত থেকে শুরু হয়ে সূরার শেষ পর্যন্ত অর্থাৎ ১৯শ আয়াত অবধি বিস্তৃত। প্রথম অংশটি যে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের ওপর অবতীর্ণ সর্বপ্রথম অহী এ ব্যাপারে উম্মাতে মুসলিমার আলেম সমাজের বিপুল সংখ্যাগরিষ্ঠ অংশ একমত। এ প্রসংগে ইমাম আহমাদ, বুখারী, মুসলিম ও অন্যান্য মুহাদ্দিসগণ অসংখ্য সনদের মাধ্যমে হযরত আয়েশা (রা:) থেকে যে হাদীসটি উদ্ধৃত করেছেন তা সর্বাধিক সহীহ হাদীস হিসেবে গণ্য। এ হাদীসে হযরত আয়েশা (রা:) নিজে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম থেকে ওহী শুরু হবার সম্পূর্ণ ঘটনা শুনে বর্ণনা করেছেন। এ ছাড়াও ইবনে আব্বাস (রা:),আবু মূসা আশ’আরী (রা:) ও সাহাবীগণের একটি দলও একথা বর্ণনা করেছেন যে, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের ওপর সর্বপ্রথম কুরআনের এই আয়াতগুলোই নাযিল হয়েছিল। আর রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম যখন হারম শরীফে নামায পড়া শুরু করেন এবং আবু জেহেল তাকে হুমকি দিয়ে তা থেকে বিরত রাখার চেষ্টা করে তখন দ্বিতীয় অংশটি নাযিল হয়।

Summary

  • 1-5 Command to Muhammad to recite the Quran
  • 6-14 Rebuke of Abu Jahl for hindering the Muslim cause
  • 15 ۩ 19 Abu Jahl threatened with the pains of hell [3]
  • 1-5 The first revelation

Main article: Muhammad's first revelation

The first five verses of this sura are believed by some to be the first verses of the Qur'an claimed to be related by Muhammad. He received them while on a retreat in a mountain cave at Hira, just outside the city of Makkah in 610 CE. A few commentators disagree with this account, claiming that the first revelation was the beginning of surat al-Muddaththir or surat al-Fatiha, but theirs is a minority position. Moreover, the term ‘Insan’ which is translated to man or human appears 65 times in the Qur'an, applying to both sexes of mankind, a generic ‘man’.[4]


.

অর্থসহ কোরান তেলাওয়াত

Quran Recite with Bengali Translation

Islamic Foundation Bangladesh

.

#Islam #Quran #Al-Alaq #আলাক্ব #IslamicFoundation #Recite #Bengali #bangla

095 At-Tin || সূরা ত্বীন19 Jan 202300:01:08

সূরা আত-ত্বীন (আরবি: التين‎‎) মুসলিম ধর্মগ্রন্থ আল-কুরআনের ৯৫ তম সূরা। এর মোট আটটি আয়াত বা বাক্য রয়েছে। ত্বীন শব্দের অর্থ আঞ্জির বা ডুমুর। এই সূরাতে আল্লাহর উপর ঈমান (বিশ্বাস) এবং সৎকর্মশীলতার উপর গুরুত্ব আরোপ করা হয়েছে। এই সূরাতে আল্লাহ প্রদত্ত কয়েকটি নিয়ামত বা অনুগ্রহের দোহাই দিয়ে ঈমান ও সৎকাজ করার নির্দেশ দেয়া হয়েছে। বলা হয়েছে, যেহেতু মানবজাতি অনেক অনুগ্রহ দ্বারা ধন্য হয়েছে, সেহেতু তাদের উচিত আল্লাহর উপর ঈমান রাখা এবং সৎকাজ করা; নচেৎ তারা নীচ ও শাস্তিযোগ্যরূপে গণ্য হবে। [১]


নামকরণ

সূরাটির প্রথম শব্দ 'ত্বীন' শব্দটিকেই এর নাম হিসেবে নেয়া হয়েছে।[২]

নাযিল হবার সময়

এই সূরাটি মক্কা নগরীতে নাযিল (অবতীর্ণ) হয়েছে।


অনুবাদ

শুরু করছি আল্লাহর নামে যিনি পরম করুণাময়, অতি দয়ালু।

  • ০০১. শপথ আঞ্জির ও যয়তুনের,
  • ০০২. এবং সিনাই পর্বতের,
  • ০০৩. এবং এই নিরাপদ (মক্কা) নগরীর।
  • ০০৪. আমি সৃষ্টি করেছি মানুষকে সুন্দরতম অবয়বে।
  • ০০৫. অতঃপর তাকে নামিয়ে দিয়েছি নীচ থেকে নিচে।
  • ০০৬. কিন্তু যারা বিশ্বাস স্থাপন করেছে ও সৎকর্ম করেছে, তাদের জন্যে রয়েছে এমন পুরস্কার যা কোনোদিন শেষ হবেনা।
  • ০০৭. কাজেই (হে নবী!) এরপর পুরস্কার ও শাস্তির ব্যাপারে কে তোমাকে মিথ্যাবাদী বলতে পারে?
  • ০০৮. আল্লাহ কি সকল বিচারকদের মধ্যে শ্রেষ্ঠতম বিচারক নন?

Summary

  • 1-4 Oaths that God created man “a most excellent fabric”
  • 5-6 God has made all men vile except true believers
  • 7-8 None may rightly deny the judgment-day

মূল বক্তব্য

এই সূরার শুরুতে আঞ্জির (ডুমুর), যয়তুন (জলপাই), সিনাই পর্বত এবং মক্কা শহরের কসম বা দোহাই দেয়া হয়েছে। আরবে সেই যুগে আঞ্জির ও জলপাই অত্যন্ত গুরুত্ববাহী দুটি ফল ছিল; খাদ্য ও অর্থকরী ফসল হিসেবে এর গুরুত্ব ছিল অসীম। সিনাই পর্বত হলো নবী হযরত মুসা এর স্মৃতিবিজড়িত স্থান। আর মক্কা ছিল নবী হযরত ইব্রাহিম এবং ইসমাইল -এর স্মৃতিবিজড়িত জায়গা। তদুপরি পবিত্র কাবা ঘরের মর্যাদার কারণে এই শহরটি নিরাপদ শহর হিসেবে তৎকালে গণ্য হত; সেখানকার অধিবাসীরা যুদ্ধ ও লুন্ঠনের আশঙ্কামুক্ত ছিল। এসকল বিষয়ের দোহাই দেওয়ার পর বলা হয়েছে, মানুষ অত্যন্ত সুন্দর গড়নে সৃষ্ট হয়েছে কিন্তু এদেরকেই আবার অত্যন্ত নিচে নামিয়ে দেয়া হবে যদি এরা স্রষ্টা ও প্রতিপালকের উপর বিশ্বাস না রাখে এবং ভাল কার্যকলাপ না করে। তদুপরি শেষ বিচারের দিন এদেরকে কঠিন বিচারের মুখোমুখিও হতে হবে। সমাপ্তিতে এও মনে করিয়ে দেয়া হয়েছে যে, মহান প্রভু কখনো কারো উপর অবিচার করবেন না; শুধুমাত্র সুবিচারই করবেন। [৪]


.

অর্থসহ কোরান তেলাওয়াত

Quran Recite with Bengali Translation

Islamic Foundation Bangladesh

.

#Islam #Quran #At-Tin #ত্বীন #IslamicFoundation #Recite #Bengali #bangla

112 Al-Ikhlas || সূরা ইখলাস05 Jan 202400:00:35

স্রষ্টার একত্ববাদের ঘোষণা [১] বা একনিষ্ঠতা (Arabic: الْإِخْلَاص, আল-ইখলাস ) [২] বা একত্ববাদ (আরবি: التوحيد, আত-তাওহীদ),[৩] যা সাধারণত সূরা আল-ইখলাস নামে পরিচিত, হলো কুরআনের ১১২ তম অধ্যায় (সূরা)।

কুরআন এর এই (সূরা)টি মুসলমাগণ বিশেষভাবে অনুশীলন করেন, এবং ইসলাম এর দ্বিতীয় উৎস (হাদিস) সূরাটিকে পুরো কুরআনের এক-তৃতীয়াংশের সমান বলে ঘোষণা করে। বলা হয় যে, সূরা ইখলাস (নবুয়ত লাভের পর) মুহাম্মাদ ও কুরাইশ পৌত্তলিকদের দ্বন্দ্ব চলাকালীন মুহাম্মাদ (সল্লল্লহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর সাথে আল্লাহর বিভিন্ন বৈশিষ্ট্য সম্পর্কে চ্যালেঞ্জের জবাব দিয়েছিল।[৬]

আল-ইখলাস কেবল এই সূরার নামই নয়, এর বিষয়বস্তুর শিরোনামও, কারণ এটি একমাত্র তাওহীদের সাথে সম্পর্কিত। সাধারনত কুরআনের অন্যান্য সূরাগুলো তদ্বীয় একটি শব্দের নামে নামকরণ করা হয়েছে। তবে এই সূরাতে ইখলাস শব্দটি কোথাও পাওয়া যায় না। অর্থাৎ, এর অর্থ এবং বিষয় বিবেচনায় রেখে এ নাম দেওয়া হয়েছে।

۝ [৪] বলুন (হে নবি),আল্লাহ এক ও অদ্বিতীয়;۝ আল্লাহ অমুখাপেক্ষী;۝ তিনি কাউকে জন্ম দেননি,কেউ তাঁকে জন্ম দেননি;۝ আর কেউই তাঁর সমতুল্য নয়।[৫]

Meaning

1. Say: He, Allah, is Ahad (The Unique One of Absolute Oneness, i.e., single and indivisible with absolute and permanent unity and distinct from all else, who is unique in It’s essence, attributes, names and acts, The One who has no second, no associate, no parents, no offspring, no peers, free from the concept of multiplicity or divisibility, and far from conceptualization and limitation, and there is nothing like Him in any respect).[8][9][10]

2. Allah is al-Samad [ar] (The Ultimate Source of ALL existence, The uncaused cause Who created all things out of nothing, Who is eternal, absolute, immutable, perfect, complete, essential, independent, and self-sufficient; Who does not need to eat or drink, sleep or rest; Who needs nothing while all of creation is in absolute need of Him; The One eternally and constantly required and sought, depended upon by all existence and to whom all matters will ultimately return).[11][9][12][13]

3. He begets not, nor is He begotten (He is Unborn and Uncreated, has no parents, wife or offspring).

4. And there is none comparable (equal, equivalent or similar) to Him.[14][15]

Hadith

According to hadiths, this surah is an especially important and honored part of the Quran:


Narrated Abu Said Al-Khudri: A man heard another man reciting (in the prayers): 'Say (O Muhammad): "He is Allah, the One." (112.1) And he recited it repeatedly. When it was morning, he went to the Prophet and informed him about that as if he considered that the recitation of that Sura by itself was not enough. Allah's Apostle said, "By Him in Whose Hand my life is, it is equal to one-third of the Quran."[18][19]

.

অর্থসহ কোরান তেলাওয়াত

Quran Recite with Bengali Translation

Islamic Foundation Bangladesh

.

#Islam #Quran #Al-Ikhlas #ইখলাস #IslamicFoundation #Recite #Bengali #bangla

094 Al-Inshirah || সূরা ইনশিরাহ12 Jan 202300:00:53

সূরা ইনশিরাহ পবিত্র কুরআনের ৯৪ তম সূরা। এর আয়াত সংখ্যা ৮, এটি মক্কায় অবতীর্ন তাই ইনশিরাহ মক্কি সূরা।

Summary

A map of Mecca, circa 1790. Sura Ash-Sharhh was revealed in Mecca, around 611 CE.

  • 1-4 God made Muhammad’s mission easy to him
  • 5-8 He is exhorted to labour and pray after the mission is ended

The passage asks the reader, who is Muhammad specifically, if God has been a comfort and a remover of obstacles. Whatever personal sorrows this may bring to mind, "Surely, with each difficulty there is ease". This may indeed be the key phrase of this sura; it is repeated in lines 5 and 6. Conversely, the reader is asked to continue their work diligently, even when it grows simple again - for God, Himself is what you are working for.


সূরা ইনশিরাহ’র মূল তিনটি বিষয় হল মহানবী (সা:) এর প্রতি মহান আল্লাহর নানা অনুগ্রহ, ভবিষ্যতে তাঁর দাওয়াতি তৎপরতার সমস্যাগুলোর সমাধানের সুসংবাদ বা ইঙ্গিত এবং এক আল্লাহর প্রতি মনোনিবেশ বা গভীর প্রেমসহ তাঁর ইবাদত ও তাঁর দরবারে দোয়া আর কাকতি-মিনতিতে মশগুল হওয়া। মহানবীর (স :) নবুওতি তৎপরতা আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু হলে এ তৎপরতার প্রথম বছরেই নাজিল হয়েছিল সূরা ইনশিরাহ।

সূরা ইনশিরাহ’য় প্রথমত আল্লাহ রাসূল (সা:) এর বক্ষ জ্ঞানে পরিপূর্ণ হওয়ার কথা উল্লেখ করেছেন। তা সত্ত্বেও কোনো কোনো তাফসীরকার বলেন যে, ফেরেশতা মহানবী (সা.)-এর বক্ষ বিদারণ করেছেন এবং তাঁর হৃদয় ধৌত করেছেন। এটা বুদ্ধি-বিবেকের সম্পূর্ণ বিপরীত ও অযৌক্তিক কথা। কারণ বুক ধুয়ে কখনও আত্মিক পরিশুদ্ধতা অর্জিত হয় না।

দ্বিতীয়ত আল্লাহ তাঁর প্রতি এই অনুগ্রহ করেছেন যে, পবিত্র কুরআন ব্যাখ্যা ও ঐশী বিধিবিধান পৌঁছানো এবং তা বাস্তবায়িত করার যে গুরুদায়িত্ব তাঁর কাঁধে ছিল তা হযরত আলীর (আ.)-এর খেলাফত ও প্রতিনিধিত্বের মাধ্যমে লাঘব করে দিয়েছেন। আর যেহেতু এ আদেশ অর্থাৎ আলী (আ.)-এর খেলাফতের ঘোষণাকে তিনি খুব কঠিন কর্ম গণ্য করেছিলেন সে কারণে আল্লাহ যেরূপে অন্য স্থানে অন্য বাক্যে বিষয়টির প্রতি ইঙ্গিত করেছেন অনুরূপ এ স্থলেও এভাবে বলেছেন যে, যখন অবসর পাও অর্থাৎ যখন তুমি বিদায় হজ পালন করে নবুওয়াতের দায়িত্ব সম্পন্ন করে নেবে তখন আলীকে খলিফা নিযুক্ত করার কঠোর প্রচেষ্টায় রত হও। অতঃপর আল্লাহর দিকে মনোনিবেশ করবে। অর্থাৎ মৃত্যুর প্রস্ততি নেবে। অবশ্য সুন্নী মুফাসসিররা এরূপ ব্যাখ্যা করেননি।

মহানবী (সা) যখন একত্ববাদের প্রচার শুরু করেন তখন কাফের ও মুশরিকদের ব্যাপক বিরোধিতা আর বাধার মুখোমুখি হন। তাই রেসালতের দায়িত্ব পালন তাঁর কাছে খুব কঠিন মনে হচ্ছিল প্রথমদিকে। অবশ্য প্রত্যেক নবী-রাসুলের জন্যই প্রথম দিকে কঠিন পরিবেশ সৃষ্টি হয়েছিল; মহান আল্লাহর সহায়তায় তারা সব সংকট ও বাধা কাটিয়ে বিজয়ী হয়েছিলেন। তবে মহানবীর (সা) জন্য পরিবেশ-পরিস্থিতি ছিল অনেক বেশি কঠিন ও প্রতিকূল। আর এ জন্যই মহান আল্লাহ সূরা ইনশিরাহ’তে উদ্বিগ্ন ও চিন্তিত মহানবী (সা:) কে বলছেন, আল্লাহর ধর্ম প্রচারের জন্য কষ্ট ও ত্যাগ স্বীকার কখনও বিফলে যায় না। প্রতিটি সংকট ও কষ্টের মধ্যেই লুকিয়ে আছে মুক্তির পথ। পবিত্র লক্ষ্য অর্জনের জন্য কষ্ট করা ও ত্যাগ স্বীকার এবং নানা বাধার মোকাবিলা করা ক্রম-বিকাশ ও উন্নতির নতুন নতুন পথ খুলে দেয়। তাই সংকট বা সমস্যাকে ভয় না করে সানন্দে বরণ করা উচিত। মহানবী (সা:) যেমন অবর্ণনীয় নানা কষ্টের শিকার হয়েছেন তেমনি আল্লাহর অনেক বিশেষ অনুগ্রহও পেয়েছেন। আর এ জন্যই সূরা ইনশিরাহতে মহান আল্লাহ বলেছেন:  নিশ্চয়ই কষ্টের সাথে স্বস্তি আছে।

সূরা ইনশিরাহ'র চার নম্বর আয়াতে মহান আল্লাহ তাঁর সর্বশেষ রাসুল সম্পর্কে বলছেন, আমরা তোমার স্মরণকে উন্নীত করেছি। - আজ বিশ্বব্যাপী যত খানে যতবার নামাজের পবিত্র আজান দেয়া হয় ততবারই বিশ্বনবী হযরত মুহাম্মাদ (সা:)'র নাম শ্রদ্ধাভরে উচ্চারণ করা হয়। মহান আল্লাহর নামের পরই মহানবীর (সা:) নাম উচ্চারণ করা হয়।


সূরা ইনশিরাহ’র শেষ আয়াতে বলা হয়েছে, হে নবী! যখনই কোনো গুরুত্বপূর্ণ কাজ শেষ করে অবসর পাবে তখন আরও একটি গুরুত্বপূর্ণ কাজ শুরু করবে। সব সময়ই সাধনায় ব্যস্ত থাকবে এবং সর্ব অবস্থায় আল্লাহর প্রতি মনোযোগী থাকবে তথা আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জনে সচেষ্ট থাকবে ও তাঁর নৈকট্য অর্জনের দিকে দ্রুত এগিয়ে যাবে।

.

অর্থসহ কোরান তেলাওয়াত

Quran Recite with Bengali Translation

Islamic Foundation Bangladesh

.

#Islam #Quran #Al-Inshirah #ইনশিরাহ #IslamicFoundation #Recite #Bengali #bangla

093 Ad-Dhuha || সূরা দুহা05 Jan 202300:01:24

সূরা আদ-দুহা (আরবি: الضحى‎ aḍ-Ḍuḥà, অর্থ: "সকালের ঘণ্টা, উজ্জ্বল সকাল"‎‎) মুসলমানদের ধর্মীয় গ্রন্থ কুরআনের ৯৩ তম সূরা, এর আয়াতের সংখ্যা ১১টি এবং এর রূকুর সংখ্যা ১টি। আদ-দুহা সূরাটি মক্কায় অবতীর্ণ হয়েছে।[১]

Summary
  • 1-3 Muhammad comforted by the assurance that God is with him
  • 4-5 The life to come to be preferred to the present life
  • 6-11 Muhammad exhorted to care for the orphan and beggar


Period of revelation

Its subject matter clearly indicates that it belongs to the earliest period at Mecca. Traditions also show that the revelations were suspended for a time, which caused Muhammad to be deeply distressed and grieved. On this account he felt very anxious that perhaps he had committed some error because of which his Lord had become angry with him and had forsaken him. Thereupon he was given the consolation that revelation had not been stopped because of some displeasure but this was necessitated by the same expediency as underlies the peace and stillness of the night after the bright day, as if to say: "If you had continuously been exposed to the intensely bright light of Revelation waḥy your nerves could not have endured it. Therefore, an interval was given in order to afford you peace and tranquility." This state was experienced by Muhammad in the initial stage of the Prophethood when he was not yet accustomed to hear the intensity of Revelation. On this basis, observance of a pause in between was necessary. This we have already explained in the introduction to sura al-Muddaththir; and in E. N. 5 of Surah al-Muzzammil also we have explained what great burden of the coming down of Revelation he had to bear. Later, when Muhammad developed the power to bear this burden, there was no longer any need for long gaps.

.

অর্থসহ কোরান তেলাওয়াত

Quran Recite with Bengali Translation

Islamic Foundation Bangladesh

.

#Islam #Quran #Ad-Dhuha #দুহা #IslamicFoundation #Recite #Bengali #bangla

092 Al-Lail || সূরা লাইল29 Dec 202200:02:14

সূরা আল লাইল (আরবি: النَّاسِ‎‎‎) মুসলমানদের ধর্মীয় গ্রন্থ আল-কুরআনের ৯২ তম সূরা(অধ্যায়), এর আয়াত সংখ্যা ২১টি এবং এর রূকুর সংখ্যা ১টি। লাইল শব্দের অর্থ রাত্রি। আল লাইল সূরাটি মক্কায় অবতীর্ণ হয়েছে।[১][২] তাই এটি মাক্কী সূরা

মূল বক্তব্য

এ সূরায় বলা হয়েছে মানুষের প্রচেষ্টা বিভিন্ন প্রকারের। তার মাঝে এক প্রকার হল আল্লাহ্‌র প্রতি পরিপূর্ণ বিশ্বাস(ঈমান) স্থাপন করা, আল্লাহ্‌র সন্তুষ্টি লাভ করার উদ্দেশ্যে গরিব দুঃখীদের মাঝে দান খয়রাত করা, উদার হওয়া, মহানুভব হওয়া ইত্যাদি মানবিক গুণাবলী অর্জন করা। আর আরেক প্রকারের প্রচেষ্টা হল সত্যকে অস্বীকার করা, সত্যকে গোপন করা(কুফর), মিথ্যা বলা, আল্লাহ্‌র একত্বে অন্য কাউকে অংশীদার করা(শিরকি কাজ করা), অহংকার করা, কার্পণ্য করা, মানুষের অধিকার নষ্ট করা, জুলুম/অত্যাচার করা ইত্যাদি খারাপ গুণাবলী অর্জন করা। এই সূরায় বলা হয়েছে যারা ইমানদার ও ভাল গুণাবলীর অধিকারী তাদের জন্য সাফল্য অর্জনের পথ সুগম হয়ে যায়। পরকালে তাদের সাফল্য সুনিশ্চিত। অন্যদিকে যারা খারাপ গুণাবলীর অধিকারী- বেঈমান, নাফরমান তাদের জন্য ব্যর্থতা আর পরকালের জীবনে থাকবে অবধারিত শাস্তি।[৩]

Summary
  • 1-4 Oaths by various natural objects
  • 5-13 The obedient blessed and the covetous accursed
  • 14-16 The covetous warned with hell-fire
  • 17-21 True believers shall be rewarded hereafter


স্বপ্নের তাবীর

যে ব্যক্তি স্বপ্নে দেখে যে সে এই সূরা পাঠ করছে সে অভাবগ্রস্ত হবে না, এমতাবস্থায় তার কর্তব্য হবে নিদ্রাভঙ্গ হলেই উঠে তাহাজ্জুদের নামায আদায় করা। আল্লামা ইবনে সীরীনের স্বপ্নের তাবীর নামক কিতাবে(বইতে) উল্লেখ আছে যে ব্যক্তি স্বপ্নে সূরা আল-লাইল পড়তে দেখবে তার রাত্রি জাগরণের তাওফীক হবে এবং মান-মর্যাদাহানী হতে বেঁচে থাকবে। [৪]


.

অর্থসহ কোরান তেলাওয়াত

Quran Recite with Bengali Translation

Islamic Foundation Bangladesh

.

#Islam #Quran #Al-Lail#লাইল #IslamicFoundation #Recite #Bengali #bangla
091 Ash-Shams || সূরা শাম্‌স22 Dec 202200:02:05

সূরা আশ-শাম্‌স (আরবি: الشمس‎‎‎) মুসলমানদের ধর্মীয় গ্রন্থ কুরআনের ৯১ তম সূরা, এর আয়াত সংখ্যা ১৫টি এবং এর রূকুর সংখ্যা ১টি। আশ-শাম্‌স সূরাটি মক্কায় অবতীর্ণ হয়েছে।[১] আশ-শাম্‌স শব্দের অর্থ সূর্য।[২] এখানে একটি পূর্বে সমৃদ্ধ বিলুপ্ত আরব গোষ্ঠী, সামুদ জাতির ভাগ্যের কথা আলোচনা করা হয়েছে। এই সূরার প্রথম দিকে নয়টি বিষয়ের শপথ করা হয়েছে। নবী সালেহ এক আল্লাহর উপাসনা করতে তাদের প্রতি আহবান জানান, এবং তিনি আল্লাহর নাম তাদেরকে আদেশ করেন যে উটনীকে একটি বিশেষ সংরক্ষণ করতে, তারা আদেশ অমান্য করে এবং তার বার্তা প্রত্যাখ্যানে অব্যাহত থাকে, এবং সালেহ অনুসরণকারীদের ​​ছাড়া আল্লাহ তাদের সবাই ধ্বংস করে দেন।


আয়াতসমূহ

শুরু করছি আল্লাহর নামে যিনি পরম করুণাময়, অতি দয়ালু।

وَالشَّمْسِ وَضُحَاهَا

শপথ সূর্যের ও তার কিরণের,

وَالْقَمَرِ إِذَا تَلَاهَا

শপথ চন্দ্রের যখন তা সূর্যের পশ্চাতে আসে,

وَالنَّهَارِ إِذَا جَلَّاهَا

শপথ দিবসের যখন সে সূর্যকে প্রখরভাবে প্রকাশ করে,

وَاللَّيْلِ إِذَا يَغْشَاهَا

শপথ রাত্রির যখন সে সূর্যকে আচ্ছাদিত করে,

وَالسَّمَاء وَمَا بَنَاهَا

শপথ আকাশের এবং যিনি তা নির্মাণ করেছেন, তাঁর।

وَالْأَرْضِ وَمَا طَحَاهَا

শপথ পৃথিবীর এবং যিনি তা বিস্তৃত করেছেন, তাঁর,

وَنَفْسٍ وَمَا سَوَّاهَا

শপথ প্রাণের এবং যিনি তা সুবিন্যস্ত করেছেন, তাঁর,

فَأَلْهَمَهَا فُجُورَهَا وَتَقْوَاهَا

অতঃপর তাকে তার অসৎকর্ম ও সৎকর্মের জ্ঞান দান করেছেন,

قَدْ أَفْلَحَ مَن زَكَّاهَا

যে নিজেকে শুদ্ধ করে, সেই সফলকাম হয়।

وَقَدْ خَابَ مَن دَسَّاهَا

এবং যে নিজেকে কলুষিত করে, সে ব্যর্থ মনোরথ হয়।

كَذَّبَتْ ثَمُودُ بِطَغْوَاهَا

সামুদ সম্প্রদায় অবাধ্যতা বশতঃ মিথ্যারোপ করেছিল।

إِذِ انبَعَثَ أَشْقَاهَا

যখন তাদের সর্বাধিক হতভাগ্য ব্যক্তি তৎপর হয়ে উঠেছিল।

فَقَالَ لَهُمْ رَسُولُ اللَّهِ نَاقَةَ اللَّهِ وَسُقْيَاهَا

অতঃপর আল্লাহর রসূল তাদেরকে বলেছিলেনঃ আল্লাহর উষ্ট্রী ও তাকে পানি পান করানোর ব্যাপারে সতর্ক থাক।

فَكَذَّبُوهُ فَعَقَرُوهَا فَدَمْدَمَ عَلَيْهِمْ رَبُّهُم بِذَنبِهِمْ فَسَوَّاهَا

অতঃপর ওরা তার প্রতি মিথ্যারোপ করেছিল এবং উষ্ট্রীর পা কর্তন করেছিল। তাদের পাপের কারণে তাদের পালনকর্তা তাদের উপর ধ্বংস নাযিল করে একাকার করে দিলেন।

وَلَا يَخَافُ عُقْبَاهَا

আল্লাহ তা’আলা এই ধ্বংসের কোন বিরূপ পরিণতির আশঙ্কা করেন না।


স্বপ্নের তাবীর

যে ব্যক্তি সূরা আশ শামস পড়তে দেখবে প্রত্যেক বিষয়ে তাকে জ্ঞান-বুদ্ধি এবং তীক্ষ্ণ ধীশক্তি দেয়া হবে। তাফসীরে নূরুল কোরআনে বর্ণিত হয়েছে যে ব্যক্তি স্বপ্নে এই সূরা পাঠ করতে দেখবে সে সুবিচারক শাসনকর্তার সঙ্গে উঠা বসা করবে।

.

অর্থসহ কোরান তেলাওয়াত

Quran Recite with Bengali Translation

Islamic Foundation Bangladesh

.

#Islam #Quran #Ash-Shams  #শাম্‌স #IslamicFoundation #Recite #Bengali #bangla

090 Al-Balad || সূরা বালাদ02 Dec 202200:02:13

সূরা আল-বালাদ (আরবি: البلد‎‎ al-balad, নগরী, দেশ) মুসলমানদের ধর্মীয় গ্রন্থ কুরআনের ৯০ তম সূরা; এর আয়াত অর্থাৎ বাক্য সংখ্যা ২০ এবং রূকু তথা অনুচ্ছেদ সংখ্যা ১। সূরা আল-বালাদ মক্কায় অবতীর্ণ হয়েছে।

নামকরণ

এই সূরাটির প্রথম আয়াতের َآ اٌقْسِمُ بِهآذَا الْبَلَدِ বাক্যাংশের الْبَلَدِ শব্দটি অনুসারে এই সূরার নামটি গৃহীত হয়েছে; অর্থাৎ, যে সূরার মধ্যে البلد (‘বালাদ’) শব্দটি আছে এটি সেই সূরা।[১]

সারমর্ম
  • ১-৭ মানুষ যদিও মাটির সৃষ্ট, তবুও তারা ধনসম্পদ নিয়ে গর্ব করে
  • ৮-১৬ বন্দীদের মুক্তি এবং দরিদ্র ও অনাথদের খাওয়ানো হবে।
  • ১৭-২০ ডান ও বাম হাতের সঙ্গীদের বর্ণনা।
শানে নুযূল

বিষয়বস্তু ও লেখনী থেকে ধারণা করা যায় এই সূরাটি মক্কায় অবতীর্ণ প্রথম সূরাগুলোর একটি।[৩] তবে সূরাটিতে এমন ইঙ্গিত পাওয়া যায় যা থেকে মনে হয় এটি এমন এক সময়ে নাযিল হয়েছিল যখন মক্কার অবিশ্বাসী গোষ্ঠীভুক্ত মানুষেরা মুহাম্মদের বিরুদ্ধে তাদের বিরোধ ঘোষণা করেছিল এবং তার উপর অত্যাচার করাকে আইণতঃ সিদ্ধ বলে স্থাপন করে নিয়েছিল।

বিষয়বস্তুর বিবরণ

সাইয়ীদ আবুল আল মওদুদি (মৃত্যু ১৯৭৯) বর্ণিত তাফসীর তাফহিম আল-কুরআনে উল্লেখ রয়েছে, এই সুরার মূল উদ্দেশ্য পৃথিবীতে মানুষের প্রকৃত অবস্থান সম্পর্কে বর্ণনা দেওয়া। আর এ কথা জানানো যে, সৃষ্টিকর্তা মানুষের সামনে ভালো ও খারাপ দুই পথের দিশা দেখিয়েছেন এবং কোন পথটি সঠিক এবং অনুসরণীয় সেটি বিবেচনা করার ক্ষমতা প্রদান করেছেন। এখন এটি মানুষের সিদ্ধান্ত যে সে কোন পথটি বেছে নেবে। সে কি সৎকর্ম করে প্রকৃত সুখী হবে নাকি অপকর্মে লিপ্ত হয়ে ধ্বংসের পথে অগ্রসর হবে।

প্রথমত যেই মক্কায় মক্কাবাসীদের দ্বারা মুহম্মদ সমস্যার সম্মুখীন হয়েছিল, সেই মক্কাকে সত্যের সাক্ষী হিসাবে উল্লেখ করা হয়েছে যে, এই পৃথিবী মানুষের জন্য বিশ্রাম ও স্বাচ্ছন্দ্যের জায়গা নয়, যেখানে মানুষ আনন্দ-উল্লাসপূর্ণ জীবনযাপন করবে। বরং তিনি মানুষকে কঠোর পরিশ্রম ও সংগ্রামের জন্য সৃষ্টি করেছেন। যদি এই কথাটি সূরা নাজমের ৩৯ নম্বর আয়াতেও রয়েচে (লাইসা লিল ইনসানি ইল্লা মা সা'আ আর এই যে মানুষের জন্য কিছুই থাকবে না যার জন্য সে চেষ্টা না করে)। এ বিষয়টি স্পষ্ট হয়ে যায় যে, এই পৃথিবীতে মানুষের ভবিষ্যত তার পরিশ্রমের উপর নির্ভর করে।

.

অর্থসহ কোরান তেলাওয়াত

Quran Recite with Bengali Translation

Islamic Foundation Bangladesh

.

#Islam #Quran #Al-Balad #বালাদ #IslamicFoundation #Recite #Bengali #bangla

089 Al-Fajr || সূরা ফাজ্‌র25 Nov 202200:04:09

আল ফাজ্‌র (আরবি: سورة الفجر‎‎) কুরআনের ৮৯তম সূরা। আল ফাজ্‌র শব্দের অর্থ ভোর। এই সূরাটি কুরআনের ৩০তম পারায় অবস্থিত। এতে ৩০টি আয়াত আছে।[১] এই সূরাতে প্রাচীনকালের কয়েকটি অবিশ্বাসী জাতির ধ্বংস হওয়ার কাহিনী বর্ণনা করা হয়েছে। এছাড়া অর্থলিপ্সু ও নির্দয় লোকদের সমালোচনাও এই সূরায় বিদ্যমান। এখানে সৎ ও সত্যপন্থীদেরকে জান্নাতের সুসংবাদও দেয়া হয়েছে। এই সূরার শুরুতে প্রভাত বেলার শপথ করে বক্তব্য সূচনা করা হয়েছে।[২]


নামকরণ

সূরাটির প্রথম শব্দ 'আল ফাজ্‌র' এর নাম হিসেবে নেয়া হয়েছে। যার অর্থ হচ্ছে ভোরবেলা। উক্ত সূরাটিতে আল্লাহ পাঁচটি বস্তুর নাম উল্লেখ করে শপথ নিয়েছেন। [৩]

Summary

Then the surah discusses that Man praises God in prosperity, but reproaches him in adversity in ayaat 14th to 17th. The discourse then denounces the oppression of the poor in ayaat 18th to 22nd. And approaching the end ayaat 23rd to 25th give the verdict that the wicked will vainly regret their evil deeds on the judgment-day, while ayaat 26th to the 30th gives the good news to the believing soul invited to the joys of Paradise.[7]

.

অর্থসহ কোরান তেলাওয়াত

Quran Recite with Bengali Translation

Islamic Foundation Bangladesh

.

#Islam #Quran #Al-Fajr #ফাজ্‌র #IslamicFoundation #Recite #Bengali #bangla

088 Al-Ghashiyah || সূরা গাশিয়াহ্‌18 Nov 202200:02:40

সূরা আল গাশিয়াহ্‌ (আরবি ভাষায়: اَلْغَاشِيَةِ‎) মুসলমানদের ধর্মীয় গ্রন্থ কুরআনের ৮৮ তম সূরা, এর আয়াত অর্থাৎ বাক্য সংখ্যা ২৬; তবে এতে কোন রূকু তথা অনুচ্ছেদ নেই। সূরা আল গাশিয়াহ্‌ মক্কায় অবতীর্ণ হয়েছে।


নামকরণ

এই সূরাটির প্রথম আয়াতের اَلْغَاشِيَةِ বাক্যাংশ থেকে এই সূরার নামটি গৃহীত হয়েছে; অর্থাৎ, যে সূরার মধ্যে اَلْغَاشِيَةِ (‘আল গাশিয়াহ্‌’) শব্দটি আছে এটি সেই সূরা।[১]


নাযিল হওয়ার সময় ও স্থান

এ সূরাটির সমগ্র বিষয়বস্তু একথা প্রমাণ করে যে এটিও প্রথম দিকে অবতীর্ণ সূরাগুলোর অন্তরভুক্ত। কিন্তু এটি এমন সময় নাযিল হয় যখন রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম সাধারণের মধ্যে ব্যাপকভাবে ইসলাম প্রচারের কাজ শুরু করেন এবং মক্কায় লোকেরা তার দাওয়াত শুনে তার প্রতি উপেক্ষা প্রদর্শন করতে থাকে।[১]


Summary
  • 1-3 The terrible day of judgment
  • 4-7 Description of the torments of hell
  • 8-16 The joyful state of the Muslims on the judgment-day
  • 17-20 God manifests himself in his works
  • 21-22 Muhammad only to warn, not to rule over, the infidels
  • 23-26 God will himself punish the unbelievers[2]

Hadith

The first and foremost exegesis/tafsir of the Qur'an is found in hadith of Muhammad.[3] Although scholars including ibn Taymiyyah claim that Muhammad has commented on the whole of the Qur'an, others including Ghazali cite the limited amount of narratives, thus indicating that he has commented only on a portion of the Qur'an.[4] Ḥadīth (حديث) is literally "speech" or "report", that is a recorded saying or tradition of Muhammad validated by isnad; with Sirah Rasul Allah these comprise the sunnah and reveal shariah. According to Aishah,[5][6] the life of Muhammad was practical implementation of Qur'an.[7][8][9] Therefore, higher count of hadith elevates the importance of the pertinent surah from a certain perspective. This surah was held in special esteem in hadith, which can be observed by these related narratives. According to hadith, Muhammad used to recite this surah in Zuhr prayer and in congregational prayers of Jumu'ah and in Eid prayers.[10] And Muhammad used to recite this surah after surah Al-Jumua (Sura 62) or after Al-Ala (Sura 87).[11][12]

.

অর্থসহ কোরান তেলাওয়াত

Quran Recite with Bengali Translation

Islamic Foundation Bangladesh

.

#Islam #Quran #Al-Ghashiyah #গাশিয়াহ্‌ #IslamicFoundation #Recite #Bengali #bangla

087 Al-Ala || সূরা আ’লা11 Nov 202200:02:26

সূরা আল আ'লা পবিত্র কুরআনের ৮৭ তম সূরা; এতে আয়াত সংখ্যা ১৯টি এবং রূকুর সংখ্যা ১টি। এই সূরাটি মক্কায় অবতীর্ণ হয়েছে।


Al-Aʻlā (Arabic: الأعلى, “The Most High”, “Glory To Your Lord In The Highest”) is the eighty-seventh chapter (surah) of the Qur'an, with 19 ayat or verses.

Al-A'la describes the Islamic view of existence, the Oneness of Allah, and Divine revelation, additionally mentioning rewards and punishments. Mankind often hides things from each other and from themselves as well. The sura reminds its readers that Allah knows the things that are declared and things that lie hidden. The final verse of this Sura affirms that a similar message was also revealed to Abraham and Moses in the scriptures.[1] This sura is part of the series of Al-Musabbihat as it begins with the glorification of Allah. This is a Makkan sura. The first 7 Āyāt (verses) were revealed during the first years of Makkan life.

One of the companions of Ali said that he prayed twenty consecutive nights behind him and he did not recite any Surah, except Surah A’la. Surat Al-A'lā is among the most recited suras in the Jummah and Witr prayers.

Summary
  • 1-5 God, the Most High, praised for His works
  • 6-9 God promises to help Muhammad to proclaim the Quran
  • 10-11 The God-fearing only shall be admonished
  • 12-15 The wicked shall be punished, but the righteous shall be blessed
  • 16-17 Men choose the present life rather than the life to come
  • 18-19 The books of Abraham and Moses attest the Quran


.

অর্থসহ কোরান তেলাওয়াত

Quran Recite with Bengali Translation

Islamic Foundation Bangladesh

.

#Islam #Quran #Al-Ala #আ’লা #IslamicFoundation #Recite #Bengali #bangla

086 At-Tariq || সূরা তারিক্ব04 Nov 202200:02:10

সূরা আত-তারিক্ব (আরবি ভাষায়: الطّارق‎) মুসলমানদের ধর্মীয় গ্রন্থ কুরআনের ৮৬ তম সূরা, এর আয়াত অর্থাৎ বাক্য সংখ্যা ‌১৭; তবে এতে কোন রূকু তথা অনুচ্ছেদ নেই। সূরা আত-তারিক্ব মক্কায় অবতীর্ণ হয়েছে।

নামকরণ

এই সূরাটির প্রথম আয়াতের الطَّارِق বাক্যাংশ থেকে এই সূরার নামটি গৃহীত হয়েছে; অর্থাৎ, যে সূরাটি الطَّارِق (‘তারিক্ব‌’) শব্দটি রয়েছে এটি সেই সূরা।

Summary
  • 1-3 Oath by the star of piercing brightness
  • 4 Every soul has its guardian angel
  • 5-8 God the Creator, and therefore can raise the dead
  • 9-10 The judgment-day shall reveal secret thoughts
  • 11-14 Oaths by heaven and earth that the Quran is God’s word
  • 15-17 Muhammad exhorted to bear patiently with the unbelievers plotting his ruin


Exegesis

1-4 Sins are being recorded

In this sura, God (Allah) takes an oath by the sky and At-Tariq to say that there is an assigned watcher over every human being and all the deeds and sins done by human beings are being recorded.


5-7 Between the backbone and the ribs

Allah then asks the human beings to think about how they were created. He then goes on to say that he has created human beings from the gushing water flowing between the backbone and the ribs.[1]


8-10 Judgment Day

Allah then reminds the human beings about the Judgment Day, the day when all the secrets would be revealed. On that day, human beings would have no power and no one would help them.


11-14 Oath on the heaven and the earth

God then takes another oath on the heaven and the earth to say that, whatever being said here is word of God and must be taken very seriously.


15-17 Non-believers plotting a scheme

In the last three verses of the chapter, Allah says that the non-believers are plotting a scheme but in return God is also planning a scheme.


.

অর্থসহ কোরান তেলাওয়াত

Quran Recite with Bengali Translation

Islamic Foundation Bangladesh

.

#Islam #Quran #At-Tariq #তারিক্ব #IslamicFoundation #Recite #Bengali #bangla

085 Al-Burooj || সূরা বুরুজ28 Oct 202200:03:14

সূরা আল-বুরুজ (আরবি ভাষায়: البروج‎) মুসলমানদের ধর্মীয় গ্রন্থ কুরআনের ৮৫ তম সূরা, এর আয়াত অর্থাৎ বাক্য সংখ্যা ২২, সূরা আল-বুরুজ‌ মক্কায় অবতীর্ণ হয়েছে।

নামকরণ

এই সূরাটির প্রথম আয়াতের اَلْبُرُوْجَ বাক্যাংশ থেকে এই সূরার নামটি গৃহীত হয়েছে; অর্থাৎ, যে সূরাটিতে البروج (‘বুরুজ‌’) শব্দটি রয়েছে এটি সেই সূরা।


Summary
  • 1-7 Cursed were the persecutors of the believers burned with fire
  • 8-9 The believers persecuted for their faith in God
  • 10-12 For the infidels is hell-fire, but for believers Paradise
  • 13-16 God is Creator and Sovereign Ruler of the universe
  • 17-20 Pharaoh and Thamúd examples to warn those who reject the Quran
  • 21 The glorious Quran is kept in the Preserved Table [4]

The surah opens with an oath by a heaven full of stars: by the sky containing great stars.


Exegesis

4-8 People of the Ditch

Main article: People of the Ditch

Interpreters give several different versions of the story to be referred to in verses 4–8: persecution of Christians by Dhu Nuwas in Yemen, persecutions by Nebuchadnezzar, and people of the trench. It has been documented that Dun Nuwas burned 20,000 Christians alive in a burning trench because they refused to convert to Judaism.[5]


22 The 'preserved tablet'

Quranic exegetes produced different interpretations of the term 'preserved tablet' in verse 22. In this surah the relationship of Quran to the 'Preserved Tablet' is correlated with the relation of the stars 'Al-Buruj' to the heavens 'Al-Sama'. Some of the Mu'tazila argued that revelations were created initially in the preserved tablet. The 'Preserved Tablet' seems to be close to another term, 'Mother of all books' (umm al-kitab), mentioned in Ar-Ra'd 13:39 and Az-Zukhruf 43:4.[6]


.

অর্থসহ কোরান তেলাওয়াত

Quran Recite with Bengali Translation

Islamic Foundation Bangladesh

.

#Islam #Quran #Al-Burooj #বুরুজ #IslamicFoundation #Recite #Bengali #bangla

111 Al-Masad || সূরা লাহাব29 Dec 202300:00:46

সূরা আল লাহাব (আরবি: سورة اﻟﻠﻬﺐ) মুসলমানদের ধর্মীয় গ্রন্থ কুরআনের ১১১ তম সূরা। এর আয়াত সংখ্যা ৫ এবং সূরাটি মক্কায় অবতীর্ণ হয়েছে।

আবু লাহাবের আসল নাম ছিল আবদুল ওয্‌যা। সে ছিল আবদুল মোত্তালিবের অন্যতম সন্তান। গৌরবর্ণের কারণে তার ডাক নাম হয়ে যায় আবু লাহাব। কোরআন পাক তার আসল নাম বর্জন করেছে। কারণ সেটা মুশরিকসুলভ। এছাড়া "আবু লাহাব" ডাক নামের মধ্যে জাহান্নামের সাথে বেশ মিলও রয়েছে। সে রসূলুল্লাহ্‌ - এর কট্টর শত্রু ও ইসলামের ঘোর বিরোধী ছিল এবং রসূলুল্লাহ্‌ -কে কষ্ট দেয়ার প্রয়াস পেত। তিনি যখন মানুষকে ঈমানের দাওয়াত দিতেন, তখন সে সাথে সাথে যেয়ে তাকে মিথ্যাবাদী বলে প্রচার করত।

নাযিল হওয়ার সময় ও স্থান

এটি মাক্কি সূরা, বোখারী ও মুসলিম এর বর্ণনানুসারে, রসুল সঃ এর উপরে যখন অবতীর্ণ হয় "আর আপনি আপনার নিকটজনদেরকে ভীতি প্রদর্শন করুন" তখন তিনি সঃ সাফা পর্বতের চূড়ায় তার আত্মীয় স্বজনদেরকে সমবেত করে তাদেরকে আল্লাহ্‌র ভয় প্রদর্শন করেন। প্রতিউত্তরে আবু লাহাব কটাক্ষ করলে সূরাটির সুত্রপাত হিসাবে প্রথম তিন আয়াত অবতীর্ণ হয়।

শানে নুযূল

আল্লাহ্‌ একটি আয়াত অবতীর্ণ করলে রসূলুল্লাহ্‌ সাফা পর্বতে আরোহণ করে কোরাইশ গোত্রের উদ্দেশে "আবদে মানাফ" ও "আবদুল মোত্তালিব" ইত্যাদি নাম সহকারে ডাক দিলেন। এভাবে ডাক দেয়া তখন আরবে বিপদাশংকার লক্ষণ রূপে বিবেচিত হত। ডাক শুনে কোরাইশ গোত্র পর্বতের পাদদেশে একত্রিত হল। রসূলুল্লাহ্‌ বললেনঃ "যদি আমি বলি যে, একটি শত্রুদল ক্রমশঃই এগিয়ে আসছে এবং সকাল বিকাল যে কোন সময় তোমাদের উপর ঝাঁপিয়ে পড়বে, তবে তোমরা আমার কথা বিশ্বাস করবে কি?" সবাই একবাক্যে বলে উঠলঃ "হাঁ, অবশ্যই বিশ্বাস করব।" অতঃপর তিনি বললেনঃ "আমি (শিরক ও কুফরের কারণে আল্লাহ্‌র পক্ষ থেকে নির্ধারিত) এক ভীষণ আযাব সর্ম্পকে তোমাদেরকে সতর্ক করছি।" একথা শুনে আবু লাহাব বললঃ "ধ্বংস হও তুমি, এজন্যেই কি আমাদেরকে একত্রিত করেছ?" অতঃপর সে রসূলুল্লাহ্‌ -কে পাথর মারতে উদ্যত হল। এই ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে সূরা লাহাব অবতীর্ণ হয়।[১]


বাংলা অনুবাদঃ

  1. ধ্বংস হোক আবু লাহাবের হস্তদ্বয় এবং ধ্বংস হোক সে নিজেও।
  2. তার ধন-সম্পদ আর সে যা অর্জন করেছে তা তার কোন কাজে আসল না।
  3. অচিরেই সে শিখা বিশিষ্ট জাহান্নামের আগুনে প্রবেশ করবে,
  4. আর তার স্ত্রীও- যে কাঠবহনকারিণী (যে কাঁটার সাহায্যে নবী-কে কষ্ট দিত এবং একজনের কথা অন্যজনকে ব’লে পারস্পরিক বিবাদের আগুন জ্বালাত)।
  5. আর (দুনিয়াতে তার বহনকৃত কাঠ-খড়ির পরিবর্তে জাহান্নামে) তার গলায় শক্ত পাকানো রশি বাঁধা থাকবে।

.

অর্থসহ কোরান তেলাওয়াত

Quran Recite with Bengali Translation

Islamic Foundation Bangladesh

.

#Islam #Quran #Al-Masad #লাহাব #IslamicFoundation #Recite #Bengali #bangla

084 Al-Inshiqaq || সূরা ইন‌শিকাক29 Jul 202200:03:36

সূরা আল ইন‌শিকাক (আরবি ভাষায়: الانشقاق‎) মুসলমানদের ধর্মীয় গ্রন্থ কুরআনের ৮৪ তম সূরা, এর আয়াত অর্থাৎ বাক্য সংখ্যা ২৫; তবে এতে কোন রূকু তথা অনুচ্ছেদ নেই। সূরাটিতে ১টি সিজদাহ রয়েছে।[১] সূরা আল ইনশিকাক‌ মক্কায় অবতীর্ণ হয়েছে।

নামকরণ

এই সূরাটির প্রথম আয়াতের اِنْشَقَّتْ বাক্যাংশ থেকে এই সূরার নামটি গৃহীত হয়েছে, যার মূল হচ্ছে اِنْشَقَّاق (ফেঁটে যাওয়া); অর্থাৎ, যে সূরাটিতে الانشقاق (‘ইনশিকাক‌’) শব্দটি রয়েছে এটি সেই সূরা।


Summary

  • 1-5 Signs of the judgment-day
  • 6-15 The books of the righteous and the wicked given into their hands, and the consequence thereof
  • 16-20 Oaths attesting the doctrine of the resurrection
  • 21-25 The unbelievers denounced and threatened 


The name of the chapter, Al-Inshiqaq, is a noun variously translated as "The Sundering", "The Bursting Asunder", "The Splitting Open", among others. This name comes from the first verse of the chapter which reads When the sky is rent asunder. The verse does not contain the word al-inshiqaq verbatim, but rather it contains a word of the same root. It is a reference to the destruction of the world at the end of days, which the chapter portend. Thematically, the chapter follows a day-of-judgement theme that is present in the preceding chapters, including Al-Infitar (the 82nd chapter) and Al-Mutaffifin (83rd).

The chapter begins (verses 1 to 5) by mentioning events that will happen on the Day of Judgment, including the sundering of the sky and the flattening of all that is on earth. Verses 6 to 15 talk about the disparity between those who in that day will be "given [their] book in [their] right hand" and have a joyful reckoning, and those who will not. A series of oaths (verses 16—18) follows, and then another contrast between the fate of the believers and the unbelievers in the day of judgment.


Revelation

According to the Islamic tradition, Al-Inshiqaq was most likely revealed after the 82nd chapter Al-Infitar, and was chronologically one of the last of the Meccan surahs—chapters revealed before Muhammad's migration to Medina.


Prostration

According to the hadith, Muhammed was prostrated when reciting this chapter, particularly after the verse 21 which reads ... and that when the Quran is recited unto them, they do not prostrate? Therefore, most Islamic scholars consider this verse one of the 15 verses in the Quran where one prostrates after reciting it. In most copies of the Qur'an these are indicated by the symbol ۩. Most Maliki jurists consider it obligatory to prostrate after reciting the verse; Malik ibn Anas, the founder of the Maliki school, was a notable exception.



.

অর্থসহ কোরান তেলাওয়াত

Quran Recite with Bengali Translation

Islamic Foundation Bangladesh

.

#Islam #Quran #Al-Inshiqaq #ইন‌শিকাক #IslamicFoundation #Recite #Bengali #bangla

083 Al-Mutaffifin || সূরা মুতাফ্‌ফিফীন22 Jul 202200:05:07

সূরা আত মুত্বাফ্‌ফিফীন‌ (আরবি ভাষায়: المطفّفين‎) মুসলমানদের ধর্মীয় গ্রন্থ কুরআনের ৮৩ তম সূরা, এর আয়াত অর্থাৎ বাক্য সংখ্যা ৩৬; তবে এতে কোন রূকু তথা অনুচ্ছেদ নেই। সূরা আত মুত্বাফ্‌ফিফীন‌ মক্কায় অবতীর্ণ হয়েছে।

নামকরণ

এই সূরাটির প্রথম আয়াতের وَيُلٌ لِّلْمُطَفِّفِيْنَ বাক্যাংশ থেকে এই সূরার নামটি গৃহীত হয়েছে; অর্থাৎ, যে সূরাটিতে المطفّفين (‘আত মুত্বাফ্‌ফিফীন’) শব্দটি রয়েছে এটি সেই সূরা।

Ayat (verses)
  • 1-6 Denunciation of those who use false weights and measures
  • 7-9 The acts of the wicked are recorded in the book Sajjín
  • 10-18 Woe to those who reject Muhammad and deny the judgment-day
  • 18-21 The acts of the righteous are registered in Illiyún
  • 22-28 The rewards of the righteous in Paradise
  • 29-36 Unbelievers mock at The Believers now, but shall be laughed at in turn


Summary

The primary theme of this surah is Islamic eschatology or the hereafter, and the rhetoric addresses the following subjects is the discourse. The surah opens with a declaration of war and denunciation of those who use false weights and measures in the first six ayat. The surah warns the audience that the acts of the wicked are recorded in the book Sajjín in 7th to 9th ayaat. The surah makes explicit the relation between morality and the doctrine of the Hereafter effectively and impressively with woes to those who reject Muhammad and deny the judgment-day in ayaat up to 17th. Further up to 21st ayat, the surah describes that the acts of the righteous are registered in Illiyún. The rewards of the righteous in Paradise are explained in ayaat 22nd up to 28th. In conclusion, from 29th to the 36th ayat, the believers have been consoled, and the disbelievers warned as if to say: Unbelievers mock at Muslims now but shall be laughed at in turn on the Day of Resurrection.



.

অর্থসহ কোরান তেলাওয়াত

Quran Recite with Bengali Translation

Islamic Foundation Bangladesh

.

#Islam #Quran #Al-Mutaffifin #মুতাফ্‌ফিফীন #IslamicFoundation #Recite #Bengali #bangla

082 Al-Infitar || সূরা ইনফিতার15 Jul 202200:02:36

সূরা আল-ইনফিতার‌ (আরবি ভাষায়: الانفطار‎) মুসলমানদের ধর্মীয় গ্রন্থ কুরআনের ৮২ তম সূরা, এর আয়াত অর্থাৎ বাক্য সংখ্যা ১৯; তবে এতে কোন রূকু তথা অনুচ্ছেদ নেই। সূরা আল-ইনফিতার‌ মক্কায় অবতীর্ণ হয়েছে।

নামকরণ

এই সূরাটির প্রথম আয়াতের اِ نْفَطَرَتْ বাক্যাংশ থেকে এই সূরার নামটি গৃহীত হয়েছে; অর্থাৎ, যে সূরাটিতে نفطار (‘ইনফিতার‌’) শব্দটি রয়েছে এটি সেই সূরা।

নাযিল হওয়ার সময় ও স্থান

এই সূরা আর সূরা আত্‌ তাকভীর এর বিষয়বস্তুর মধ্যে গভীর ভাবে মিল খূঁজে পাওয়া যায়। এ থেকে বোঝা যায়, এই সূরা দুটি প্রায় একই সময়ে নাযিল হয়েছে...। সুতরাং এটি মক্কা মু'আয্‌যামার প্রথম যুগের নাযিল হওয়া সূরাগুলোর অন্তরভূক্ত।

বিষয়বস্তুর বিবরণ

এর বিষয়বস্তু হচ্ছে আখিরাত। মুসনাদে আহমাদ, তিরমিযী, ইবনুল মন্‌যার,তাবারানী হাকিম ও ইবনে মারদুইয়ায়, হযরত আব্দুল্লাহ ইবনে উমর এর একটি বর্ণনা উদ্ধৃত হয়েছে। তাতে রসূলুল্লাহ বলেছেনঃ "যে ব্যক্তি কিয়ামতের দিনটি নিজের চোখে দেখতে চায়, সে যেন সূরা তাকভীর, সূরা ইনফিতার ও সূরা ইনশিকাক পড়ে নেয়।"

Summary
  • 1-5 Signs of the judgment-day
  • 6-9 Astonishing unbelief of man in his Creator
  • 10-12 Guardian angels record the deeds of men
  • 13-16 In the judgment the righteous shall be rewarded and the wicked punished
  • 17-19 On the day of judgment there shall be no intercessor

.

অর্থসহ কোরান তেলাওয়াত

Quran Recite with Bengali Translation

Islamic Foundation Bangladesh

.

#Islam #Quran #Al-Infitar #ইনফিতার #IslamicFoundation #Recite #Bengali #bangla

081 At-Takwir || সূরা আত-তাকভীর15 Apr 202200:03:24

সূরা আত-তাকভীর‌ (আরবি ভাষায়: التكوير) মুসলমানদের ধর্মীয় গ্রন্থ কুরআনের ৮১ তম সূরা, এর আয়াত অর্থাৎ বাক্য সংখ্যা ২৯; এর রূকু তথা অনুচ্ছেদ ১ টি। সূরা আত-তাকভীর‌ মক্কায় অবতীর্ণ হয়েছে।

নামকরণ

এই সূরাটির প্রথম আয়াতের كُوِرَتْ বাক্যাংশ থেকে এই সূরার নামটি গৃহীত হয়েছে। 'তাকভীর' (تَكْوِيْر) হচ্ছে মূল শব্দ; এর অতীতকাল হিসাবে ব্যবহৃত্ হয় 'কুওভিরাত' (كُوِرَتْ) শব্দটি, যার অর্থ গুটিয়ে ফেলা।


Summary
  • 1-14 The terrible signs of the judgment-day
  • 15-25 Oaths that the Quran is the word of Allah, and that Muhammad is neither a madman nor deluded by the devil
  • 26-29 The Quran an admonition to all men


Hadith

Whoever wants to see the Qiyamah with his/her eyes should read the verses of at-Takwir, al-Infitar and al-Inshiqaq.” 

Imam Ahmad recorded from Ibn Umar that the Messenger of Allah said: “Whoever wishes to look at the Day of Resurrection, as if he is seeing it with this eye, then let him recite: ‘When the sun Kuwwirat’(At-Takwir) and ‘When the heaven is cleft sunder (Al-Infitar) and ‘When the heaven is split asunder.(Al-Inshiqaq)’”

It was narrated that Umar ibn Horayth said: "I heard the Prophet (ﷺ) reciting: 'When the sun is wound round.' in fajr. (at-Takwir (81:1)) "

Sahabah reported[8] that Muhammad used to recite surahs An-Naba (78) and Al-Mursalat (77) in one rak'ah, and surahs Ad-Dukhan (44) and At-Takwir (81) in one rak'ah.

.

অর্থসহ কোরান তেলাওয়াত

Quran Recite with Bengali Translation

Islamic Foundation Bangladesh

.

#Islam #Quran #At-Takwir #আত-তাকভীর #IslamicFoundation #Recite #Bengali #bangla

080 Abasa || সূরা আবাসা14 Apr 202200:04:46

সূরা আবাসা‌ (আরবি ভাষায়: عبس‎) মুসলমানদের ধর্মীয় গ্রন্থ কুরআনের ৮০ তম সূরা, এর আয়াত অর্থাৎ বাক্য সংখ্যা ৪২; এর রূকু তথা অনুচ্ছেদ ১ টি। সূরা আবাসা‌ মক্কায় অবতীর্ণ হয়েছে।


নামকরণ

এই সূরাটির প্রথম শব্দ عَبَسَ থেকে এই সূরার নামটি গৃহীত হয়েছে; অর্থাৎ, যে সূরাটি عَبَسَ (‘আবাসা‌’) শব্দটি দ্বারা শুরু হয়েছে এটি সেই সূরা।


শানে নুযূল :

মা আয়েশা ছিদ্দীক্বা (রাযিয়াল্লাহু ‘আনহা) বলেন, অত্র সূরাটি অন্ধ ছাহাবী আব্দুল্লাহ ইবনে উম্মে মাকতূম সম্পর্কে (মক্কায়) নাযিল হয়। তিনি কোন একটি বিষয় জানার জন্য রাসূল (ছাঃ)-এর নিকটে আসেন। ঐ সময় রাসূলুল্লাহ (ছাঃ) জনৈক মুশরিক নেতার সাথে কথা বলছিলেন। এভাবে কথার মধ্যে কথা বলায় (অন্য বর্ণনায় এসেছে, ইবনে উম্মে মাকতূম পীড়াপীড়ি করায়) রাসূল (ছাঃ) বিরক্ত হন এবং তার দিক থেকে মুখ ফিরিয়ে ঐ নেতার প্রতি মনোনিবেশ করেন, যাতে তিনি হেদায়াত প্রাপ্ত হন। তখন অত্র আয়াতসমূহ নাযিল হয়।

উল্লেখ্য যে, আব্দুল্লাহ ইবনে উম্মে মাকতূমের কারণে তিরস্কারমূলক এই স্মরণীয় আয়াতগুলি নাযিল হওয়ায় রাসূলুল্লাহ (ছাঃ) তাকে খুবই সমাদর করতেন।[2] রাসূলুল্লাহ (ছাঃ) যুদ্ধে গমনকালে তাকে প্রায়ই মদীনার প্রশাসকের দায়িত্ব দিয়ে যেতেন। জীবনীকারগণ বলেন, রাসূলুল্লাহ (ছাঃ) বদর, ওহোদ, হামরাউল আসাদ ও বিদায় হজ্জ সহ মোট ১৩ বার মদীনা ত্যাগকালে তাকে মদীনার দায়িত্ব দিয়ে যান।[3] বেলাল তাহাজ্জুদ ও সাহারীর আযান দিতেন এবং তিনি ফজরের আযান দিতেন।[4] মূলতঃ এ সবই ছিল রাসূল (ছাঃ)-এর পক্ষ হ’তে তাকে বিশেষ মর্যাদা দানের ফল। আর এই মর্যাদা দানের কারণ ছিল তার উপলক্ষে সূরার প্রথম আয়াতগুলি নাযিল হওয়া। নিঃসন্দেহে এটি ছিল অত্যন্ত মর্যাদাপূর্ণ বিষয়। যতদিন দুনিয়া থাকবে ও কুরআনের পাঠক থাকবে, ততদিন মানুষ অন্ধ ছাহাবী আব্দুল্লাহ ইবনে উম্মে মাকতূমের নাম স্মরণ করবে। এই সৌভাগ্য হযরত আবুবকর (তওবা ৯/৪০), আয়েশা (নূর ২৪/১১-২৬) ও যায়েদ বিন হারেছাহ (আহযাব ৩৩/৩৭) ব্যতীত আর কারো হয়নি।

Summary
  • 1-11 Muhammad rebuked for frowning on a poor blind Muslim
  • 12-15 The Quran written in honourable, exalted, and pure volumes
  • 16-23 Man cursed for turning aside from his Creator
  • 24-32 It is God who provides man with food
  • 33-37 On the judgment-day men will desert their nearest relatives and friends
  • 38-42 The bright and sad faces of the resurrection-day

.

অর্থসহ কোরান তেলাওয়াত

Quran Recite with Bengali Translation

Islamic Foundation Bangladesh

.

#Islam #Quran #Abasa #আবাসা #IslamicFoundation #Recite #Bengali #bangla

079 Al-Nazi'at || সূরা আন-নাযিয়াত13 Apr 202200:06:04

সূরা আন নাযিয়াত‌ (আরবি ভাষায়: النّزعت‎) মুসলমানদের ধর্মীয় গ্রন্থ কুরআনের ৭৯ তম সূরা, এর আয়াত অর্থাৎ বাক্য সংখ্যা ৪৬ এবং রূকু তথা অনুচ্ছেদ সংখ্যা ২। সূরা আন নাযিয়াত মক্কায় অবতীর্ণ হয়েছে।


নামকরণ

এই সূরাটির প্রথম শব্দ وَالنَاِزعَاتْ থেকে এই সূরার নামটি গৃহীত হয়েছে; অর্থাৎ, যে সূরাটি وَالنَاِزعَاتْ (‘আন নাযিয়াত‌’) শব্দটি দ্বারা শুরু হয়েছে এটি সেই সূরা।


Summary
  • 1-3 Oaths by the angels of death that there will be a resurrection and judgment-day
  • 4 The preceding narration about the angels tasked in the following verse of 5. The angels with various roles and missions perform their tasks by descending from the sky.Muhammad ibn al-Uthaymeen said the tasks which angels done cannot be done by normal humans.
  • 5 The angels has roles that each of them assigned with certain tasks, such as Israfil, blowing horn of Qiyamah,[5][Notes 1] and Michael, who has been tasked to manage the dews, rains and growing plants, and Maalik, who are tasked to guard the hell while punishing the sinners.
  • 6-7 Oaths by the messengers of death that there will be a resurrection and judgment-day
  • 8-14 Infidels shall be restored to life notwithstanding their unbelief
  • 15-26 The story of Moses and his mission to Pharaoh
  • 27-33 The Creator can raise the dead
  • 34-41 The righteous and the wicked in judgment, their various condition
  • 42-46 No one knows the time of judgment, but whenever it comes it will be soon for the infidels


অর্থসহ কোরান তেলাওয়াত

Quran Recite with Bengali Translation

Islamic Foundation Bangladesh

.

#Islam #Quran #Al-Nazi'at  #আন-নাযিয়াত #IslamicFoundation #Recite #Bengali #bangla

078 An-Naba || সূরা আন-নাবা12 Apr 202200:05:52

সূরা আন নাবা‌ (আরবি ভাষায়: النّبا) মুসলমানদের ধর্মীয় গ্রন্থ কুরআনের ৭৮ তম সূরা; এর আয়াত অর্থাৎ বাক্য সংখ্যা ৪০ এবং এর রূকুর সংখ্যা ০২ টি। সূরা আন নাবা মক্কায় অবতীর্ণ হয়েছে।

নামকরণ

সূরার দ্বিতীয় আয়াতের عَنِ النَبَاِ الْعَظِيمِ বাক্যাংশের ‘আন নাবা’ শব্দটিকে এর নাম হিসেবে গণ্য করা হয়েছে। আর এটি কেবল নামই নয় , এই সূরার সমগ্র বিষয়বস্তুর শিরোনামও এটিই। কারণ নাবা মানে হচ্ছে কিয়ামত ও আখেরাতের খবর। আর এই সূরায় কিয়ামত ও আখেরাতের খবরের ওপরই সমস্ত আলোচনা কেন্দ্রীভূত করা হয়েছে।

Summary
  • 1-5 Unbelievers shall yet learn the truth of the resurrection
  • 6-16 God the Creator and Preserver of all things
  • 17-20 Judgment-day scenes described
  • 21-30 The recompense of unbelievers in hell described
  • 31-37 The joys of believers in Paradise described
  • 37-38 No intercessor except by God’s permission
  • 39-40 Sinners exhorted to flee from the day of wrath


.

অর্থসহ কোরান তেলাওয়াত

Quran Recite with Bengali Translation

Islamic Foundation Bangladesh

.

#Islam #Quran #An-Naba #আন-নাবা #IslamicFoundation #Recite #Bengali #bangla

077 Al-Mursalat || সূরা আল-মুরসালাত11 Apr 202200:06:07

সূরা আল-মুরসালাত‌ (আরবি ভাষায়: المرسلت) মুসলমানদের ধর্মীয় গ্রন্থ কুরআনের ৭৭ তম সূরা; এর আয়াত অর্থাৎ বাক্য সংখ্যা ৫০ এবং রূকু তথা অনুচ্ছেদ সংখ্যা ২। সূরা আল-মুরসালাত‌ মক্কায় অবতীর্ণ হয়েছে।

নামকরণ

এই সূরাটির প্রথম আয়াতের وَالۡمُرۡسَلٰتِ عُرۡفًاۙ বাক্যাংশ থেকে এই সূরার নামটি গৃহীত হয়েছে; এটি সেই সূরা যাতে المرسلت শব্দটি আছে।


Summary
  • 1-7 Oath by the messengers of God that the judgment-day is inevitable
  • 8-15 Woe on that day to those who accuse Muhammad of imposture
  • 16-19 In former times infidels were destroyed for accusing their prophets of imposture
  • 20-28 God the Creator of all things, therefore woe to those who accuse his messengers of imposture
  • 29-40 The woe of those who have been cast into hell for calling their prophets impostors
  • 41-44 The joy of those who did not call their prophets impostors
  • 45-50 The infidel Quraish soon to be overtaken by the woes of the judgment-day

.

অর্থসহ কোরান তেলাওয়াত

Quran Recite with Bengali Translation

Islamic Foundation Bangladesh

.

#Islam #Quran #Al-Mursalat #আল-মুরসালাত #IslamicFoundation #Recite #Bengali #bangla

076 Al-Insan || সূরা আদ-দাহর10 Apr 202200:03:48

সূরা আদ-দাহর‌ (আরবি ভাষায়: الدَّهْرِ) মুসলমানদের ধর্মীয় গ্রন্থ কুরআনের ৭৬ নম্বর সূরা; এর আয়াত অর্থাৎ বাক্য সংখ্যা ৩১ এবং রূকু তথা অনুচ্ছেদ সংখ্যা ২। এই সূরাটি সূরা আল ইনসান (আরবি ভাষায়: الإٍنسان) নামেও পরিচিত। সূরা আদ-দাহর মদীনায় অবতীর্ণ হয়েছে।


Recitation by Muhammad

A hadith narrated by Abu Huraira said that Muhammad used to recite Al-Insan together with Al-Sajdah (chapter 32 of the Quran) for the early morning prayer (fajr) every Friday. This report also appears in Tafsir ibn Kathir.


Names

The chapter is named after Al-Insan ("Man"), a word that appears in the first verse. Other common names for the chapter include Hal Ata, "Has There Not Come", after the first two words in the first verse; Al-Dahr, "Endless Time", a word that also appears in the first verse; and Al-Abrar, plural for "The Pious", after the description of the pious and their rewards in verses 5–22.

Summary
  • 1-4 God is able to raise the dead
  • 5-11 Unbelievers may mock, but they shall be overtaken by the resurrection-day
  • 12-15 Man shall be his own accuser on that day
  • 16-19 Muhammad rebuked for anticipating Gabriel in receiving the Qurán
  • 20-21 Men choose this life, but neglect the life to come
  • 22-25 Various thoughts of the righteous and the wicked on the resurrection-day
  • 26-36 Man helpless in the hour of death
  • 37-40 God, who created man, can raise him from the dead

.

অর্থসহ কোরান তেলাওয়াত

Quran Recite with Bengali Translation

Islamic Foundation Bangladesh

.

#Islam #Quran #Al-Insan  #আদ-দাহর #IslamicFoundation #Recite #Bengali #bangla

075 Al-Qiyama || সূরা আল-কিয়ামাহ09 Apr 202200:05:14

সূরা আল-ক্বিয়ামাহ‌ (আরবি ভাষায়: القيامة) মুসলমানদের ধর্মীয় গ্রন্থ কুরআনের ৭৫ তম সূরা; এর আয়াত অর্থাৎ বাক্য সংখ্যা ৪০ এবং রূকু তথা অনুচ্ছেদ সংখ্যা ২। সূরা আল-ক্বিয়ামাহ মক্কায় অবতীর্ণ হয়েছে।


নামকরণ

এই সূরাটির প্রথম আয়াতের الۡقِيٰمَةِۙ বাক্যাংশ থেকে এই সূরার নামটি গৃহীত হয়েছে; অর্থাৎ, যে সূরার মধ্যে القيامة (‘ক্বিয়ামাহ’) শব্দটি আছে এটি সেই সূরা।[১]

শানে নুযূল

ইসলাম ধর্ম প্রচারকালীন সময় নবী মুহাম্মদকে কাফেররা ক্বিয়ামাত সম্পর্কে বিভিন্ন প্রকার প্রশ্ন করতো; এসকল প্রশ্নের উত্তরে এই সূরাটি অবতীর্ণ হয়।


ব্যাখ্যা

এই সূরায় কেয়ামতের কথা বলা হয়েছে। যারা পরকাল অবিশ্বাসী মূলত তাদের সম্পর্কেই এই সূরাটি নাজিল হয়েছে। এই সূরাটিতে কেয়ামতের অবশ্যাম্ভাবীতা সম্পর্কে বলা হয়েছে। সূরাটিকে দুটি ভাগে ভাগ করা হয়ঃ


প্রথম ভাগ

১৬ থেকে ১৯ পর্যন্ত ৪ টি আয়াত ব্যতীত অবশিষ্ট আয়াতগুলো এর অংশ। এই আয়াতগুলো মূলতঃ কাফেরদের উদ্দেশ্য করে বলা হয়েছে, যাতে ক্বিয়ামাত সম্পর্কিত বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তর রয়েছে।


দ্বিতীয় ভাগ

এই ভাগটি ১৬ থেকে ১৯ নং আয়াতগুলো নিয়ে গঠিত। এগুলো নবী মুহাম্মদকে উদ্দেশ্য করে বলা হয়েছে।


পুরো সূরার ব্যাখ্যা

এই সূরাটি কেয়ামত সম্পর্কে সন্দেহের অবসান ঘটিয়েছে। এই সূরায় বলা হয়েছে আগে কাফেরেরা ভাবত আমরা তো মরার পর পঁচে গলে যাব।তাহলে আল্লাহ তায়ালা কীভাবে আবার সৃষ্টি করবেন? কিন্তু কুরআনে বলা হয়েছে যে,আল্লাহ তায়ালা তাদের আঙ্গুলগুলো পর্যন্ত সন্নিবেশন করতে সক্ষম।তারা প্রশ্ন করে কেয়ামত কবে হবে?আল্লাহ তায়ালা বলেছেন যে (আমার ব্যক্তিগত ভাষায়) কেয়ামত সেদিন হবে যেদিন দৃষ্টি চমকে যাবে,সূর্য ও চাঁদ জ্যোতিহীন হয়ে যাবে,চাঁদ ও সূর্যকে একত্র করা হবে। তখন মানুষ বলবে পালানোর জায়গা কোথায়? কিন্তু তারা ঠাঁই পাবার জায়গা পাবে না একমাত্র আল্লাহর আরশে আযীম ছাড়া। সেখানে নেকব্যক্তিরা স্থান লাভ করবে? মূলত মানুষ ভবিষ্যতেও ধৃষ্টতা দেখাতে চায়। যার কারণে তারা এসব ব্যাপারে মাথা ঘামায়।সেদিন তারা জীবনে যা করেছে তা তাদেরকে দেওয়া হবে।কিন্তু তারা এসব পাওয়ার পরও অজুহাত পেশ করবে। নবীজি এসব আয়াত মুখস্থ করার জন্য জিবরাঈল আঃ এর সঙ্গে ঠোঁট নাড়িয়ে পড়তেন।আল্লাহ তায়ালা এর প্রেক্ষিতে বলেন যে, হে নবী আপনার এভাবে পড়ার দরকার নেই। জিবরাঈল যা কিছু বর্ণনা করেন তার দিকে অনুসরণ করুন। মুখস্থ করানোর দায়িত্ব আমার। তবুও মানুষ পরকালকে উপেক্ষা করে। আর এসব অজুহাত এসবেরই কারণ। সেদিন নেককারেরা প্রভুর দিকে উজ্জ্বল মুখমন্ডল ফিরিয়ে রাখবে। আর বদকারেরা এর বিপরীতভাবে থাকবে। তারা নামাজ পড়েনি আল্লাহর ইবাদত করেনি। আর এসবের কারণে তাদের এই পরিণতি হবে। মানুষ মনে করে তাদের এভাবে ছেড়ে দেওয়া হবে। তারা স্খলিত বীর্য ছিল। অতঃপর তারা ছিল রক্তপিন্ড এবং আল্লাহ তাঁকে সুবিন্যস্ত করেছেন। আর সৃষ্টি করেছেন নারী ও পুরুষ। তাহলে কি এভাবে তিনি মৃত্যুর পর পুনরায় জীবিত করতে পারবেন না? অবশ্যই পারবেন। সুতরাং কেয়ামত অবশ্যই হবে। এ ই সূরা এসব বিষয় সম্পর্কেই বলা হয়েছে।


Summary

  • 1-4 God is able to raise the dead
  • 5-11 Unbelievers may mock, but they shall be overtaken by the resurrection-day
  • 12-15 Man shall be his own accuser on that day
  • 16-19 Muhammad rebuked for anticipating Gabriel in receiving the Qurán
  • 20-21 Men choose this life, but neglect the life to come
  • 22-25 Various thoughts of the righteous and the wicked on the resurrection-day
  • 26-36 Man helpless in the hour of death
  • 37-40 God, who created man, can raise him from the dead

.

অর্থসহ কোরান তেলাওয়াত

Quran Recite with Bengali Translation

Islamic Foundation Bangladesh

.

#Islam #Quran #Al-Qiyama #আল-কিয়ামাহ #IslamicFoundation #Recite #Bengali #bangla

110 An-Nasr || সূরা নাসর22 Dec 202300:00:43

সূরা আন নাসর (আরবি: سورة النصر) মুসলমানদের ধর্মীয় গ্রন্থ কুরআনের ১১০ তম সূরা। তাফসীরকারীদের সর্বসম্মত অভিমত এই যে, সূরাটি মদীনায় অবতীর্ণ এবং এর আয়াত সংখ্যা ৩টি। সূরা নছর-এর অপর নাম সূরা "তাওদী"। "তাওদী" শব্দের অর্থ বিদায় করা। এ সূরায় রসূলে কারীম-এর ওফাত নিকটবর্তী হওয়ার ইঙ্গিত আছে বিধায় এর নাম "তাওদী" হয়েছে।[১]

হযরত ইবনে আব্বাস থেকে বর্ণিত আছে যে, সূরা নছর কোরআনের সর্বশেষ একদফায় পূর্ণাঙ্গভাবে অবতীর্ণ সূরা। অর্থাৎ, এরপর কোন সম্পূর্ণ সূরা একদফায় অবতীর্ণ হয়নি, অন্যান্য সূরার আয়াত নাযিল হয়েছে। অত:এব কারো কারো বর্ণনায় সূরা আন নছরের পর কোন কোন আয়াত নাযিল হওয়ার যে তথ্য পাওয়া যায়, তা এর পরিপন্থী নয়। সূরা ফাতেহাকে এই অর্থেই কোরানের সর্বপ্রথম সূরা বলা হয়। আর্থাৎ, সম্পূর্ণ সূরারূপে একদফায় সূরা ফাতিহাই সর্বপ্রথম নাযিল হয়েছে। সুতরাং সূরা আলাকমুদ্দাস্‌সির ইত্যাদির কোন কোন আয়াত পূর্বে নাযিল হলেও তা এর পরিপন্থী নয়।[২]

নাযিল হওয়ার সময় ও স্থান

ঠিক কখন এ সূরাটি নাযিল হয়েছিল সে সম্পর্কে বিভিন্ন বর্ণনা পাওয়া যায়। হযরত ইবনে ওমর বলেনঃ সূরা নছর বিদায় হজ্বে অবতীর্ণ হয়েছে।[৩] এরপর "আলইয়াওমা আকমালতু লাকুম দিনাকুম" আয়াত অবতীর্ণ হয়। এর পর রসূলুল্লাহ্‌ মাত্র আশি দিন জীবিত ছিলেন। রসূলুল্লাহ্‌ -এর জ়ীবনের যখন মাত্র পঞ্চাশ দিন বাকী ছিল, তখন কামালার আয়াত নাযিল হয়। অতপরঃ মৃত্যুর পঁয়ত্রিশ দিন বাকী থাকার সময় "লাকাদ যা-আকুম রাসূলুম মিন আনফুছিকুম আযীযুন আলাইহি ..." আয়াতটি অবতীর্ণ হয় এবং একুশ দিন বাকী থাকার সময় ইত্তাক্বু ইয়াওমান তুরযাউনা ফিহী ..." আয়াতটি অবতীর্ণ হয়।[৪]


শানে নুযূল

এই সূরার আয়াতসমূহ নবী মুহাম্মদ কে উদ্দেশ্য করে বর্ণিত। মক্কা বিজয়ের লক্ষণসমূহ পরিস্ফুট হয়ে ওঠা এবং এ বিজয়ের মাধ্যমে দুনিয়াতে ইসলামের রাসুল মুহাম্মদ -এর আগমন ও অবস্থানের উদ্দেশ্য পূর্ণ হয়ে যাওয়ার সমাসন্নতার পরিপ্রেক্ষিতে এই সূরাটি নাযিল হয়ে থাকবে। এ সূরার অন্যতম তাৎপর্য এই যে মৃত্যু নিকটবর্তী প্রতীয়মান হলে মুসলমান ব্যক্তিকে তাসবীহ ও ইস্তেগফার করতে হবে।[৫] আয়িশা (রা:) থেকে বর্ণিত যে, সূরা আন নাসর নাযিল হওয়ার পর রাসুল প্রত্যেক নামাযের পর ‘সুবহানাকা রাব্বানা ওয়া বেহামদিকা আল্লাহুম্মাগ ফিরলি’ দুয়াটি পাঠ করতেন। উম্মে সালমা থেকে বর্ণিত যে, সূরা আন নছর নাযিল হওয়ার পর থেকে রাসুল (সা:) সর্বাবস্থায় ‘সুবহানাল্লাহে ওয়া বেহামদিহি আস্তাগফিরুল্লাহা ওয়া আ তুউবু ইলাইহি’ দুয়াটি পাঠ করতেন এবং, অতঃপর, এই দুয়া পাঠের যুক্তিস্বরূপ সূরাটি তিলাওয়াত করতেন। [৬]


বিষয়বস্তুর বিবরণ

৬৩০ খ্রিষ্টাব্দে মক্কা বিজয়ের পরের বছর অর্থাৎ ৯ম ও ১০ম হিজরীকে ইতিহাসে ‘প্রতিনিধি দলসমূহের আগমনের বছর’ বলে চিহ্নিত করা হয়েছে। প্রতিনিধি দলসমূহের সংখ্যা ৭০ এর চেয়ে বেশি। ওই সময়ে মক্কার কাফিররা দলে দলে ইসলাম গ্রহণ করে। সূরা নাসরে মানুষের বিজয়ের বা সাফল্যের জন্য সৃষ্টিকর্তার সাহায্যের ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়েছে। বিজয় মানুষের শক্তিমত্তার ওপর নির্ভর করে না: বিপুল শক্তিশালী দলও যুদ্ধে পরাজিত হয়; অন্যদিকে, দুর্বল দলও আল্লাহ’র সাহায্যক্রমে জয়ী হতে পারে বদরের যুদ্ধ যার প্রমাণ। শক্তিমত্তা নয়, আল্লাহ’র সাহায্যই বিজয়ের একমাত্র নিয়ামক, এ কথাই সূরা নাসরের প্রথমিক তাৎপর্য। বিজয়ের মুহূর্তে আল্লাহ তার রাসুল -কে দুটি নির্দেশ দিয়েছেন এবং নিজের একটি গুণের কথা পুনরুক্ত করেছেন। প্রথমটি হলো আল্লাহ’র গুণকীর্তন করা যে তিনি সবরকম দুর্বলতা বা দোষ থেকে মুক্ত (অর্থাৎ তিনি কারো সাহায্যের মুখাপেক্ষী নন)। দ্বিতীয়ত আল্লাহ’র কাছে ক্ষমা চাইতে বলা হয়েছে তথা তাওবা করতে বলা হয়েছে। পুনরুক্ত করে বলা হয়েছে যে, নিশ্চয়ই আল্লাহ তাওবা কবুলকারী। লক্ষণীয় যে, বিজয়ের জন্য উৎসব করতে বলা হয় নি।


বাংলা অনুবাদ

  1. যখন আসবে আল্লাহর সাহায্য ও বিজয়
  2. এবং আপনি মানুষকে দলে দলে আল্লাহর দ্বীনে প্রবেশ করতে দেখবেন
  3. তখন আপনি আপনার পালনকর্তার পবিত্রতা বর্ণনা করুন এবং তার কাছে ক্ষমা প্রার্থনা করুন; নিশ্চয় তিনি তাওবা কবুলকারী।



.

অর্থসহ কোরান তেলাওয়াত

Quran Recite with Bengali Translation

Islamic Foundation Bangladesh

.

#Islam #Quran #An-Nasr #নাসর #IslamicFoundation #Recite #Bengali #bangla

074 Al-Muddaththir || সূরা আল-মুদ্দাস্সির08 Apr 202200:08:07

সূরা আল মুদ্দাস্সির‌ (আরবি ভাষায়: المدثر) মুসলমানদের ধর্মীয় গ্রন্থ কুরআনের ৭৪ তম সূরা; এর আয়াত অর্থাৎ বাক্য সংখ্যা ৫৬ এবং রূকু তথা অনুচ্ছেদ সংখ্যা ২। সূরা আল মুদ্দাস্সির মক্কায় অবতীর্ণ হয়েছে।

নামকরণ

এই সূরাটির প্রথম আয়াতের الْمُدَّثِّرُ বাক্যাংশ থেকে এই সূরার নামটি গৃহীত হয়েছে; অর্থাৎ, যে সূরার মধ্যে المدثر (‘মুদ্দাস্সির’) শব্দটি আছে এটি সেই সূরা।[১]

নাযিল হওয়ার সময় ও স্থান

المدثر আল মুদ্দাস্সির ইসলামের একদম শুরুতে নাজিল হওয়া একটি সুরা। নাজিলের ক্রমানুসারে এর অবস্থান ৪র্থ। অর্থাৎ এর আগে মাত্র ৩টি সুরা নাজিল হয়েছে।

সুরা মুদ্দাস্সির মক্কায় ৬১০ খ্রিস্টাব্দে নাজিল হয়। প্রথম নাজিলকৃত সুরা আলাকে ১৯ এর সংখ্যাতত্ত্ব সহ নাজিল হলেও, এই সুরাতেই ঘোষণা দিয়ে জানানো হয়েছে।

"তার উপর রয়েছে ঊনিশ" পরে গবেষণা করে দেখা গেছে, সমগ্র কুরআন ১৯ সংখ্যার আশ্চর্য জালে গঠন করা হয়েছে। আর এ কারণেই এমন আরেকটি কুরআন রচনা মানুষের পক্ষে অসম্ভব। কেননা ৪৫ ডিজিট পর‍্যন্ত গাণিতিক মান বজায় রেখে একটি সুরা রচনা মানুষ শুধু নয়-আধুনিক সুপার কম্পিউটারও সক্ষম হবেনা। সুরা ফাতিহার অংশে গাণিতিক দু'একটি হিসাব দেওয়া হবে।

Summary
  • 1-7 Muhammad commanded to rise and preach Islam
  • 8-10 The judgment-day shall be a sad day for the unbelievers
  • 11-26 God exhorts Muhammad to leave his enemy in his hands
  • 27-29 The pains of hell described
  • 30-34 Nineteen angels set as a guard over hell, and why nineteen are mentioned
  • 35-40 Oath to attest the horrible calamities of hell-fire
  • 41-49 The wicked shall in hell confess their sins to the righteous
  • 50-55 Infidels shall receive no other warning than that of the Quran

.

অর্থসহ কোরান তেলাওয়াত

Quran Recite with Bengali Translation

Islamic Foundation Bangladesh

.

#Islam #Quran #Al-Muddaththir #আল-মুদ্দাস্সির  #IslamicFoundation #Recite #Bengali #bangla

© My Podcast Data