Explore every episode of the podcast বাংলা কুরআন - Bangla Quran | শুধু বাংলা অনুবাদ - Only Bangla Translation
| Title | Pub. Date | Duration | |
|---|---|---|---|
| Para/Juzz 30 - Quran: Only Bangla Translation | 06 Mar 2026 | 00:50:11 | |
পারা ৩০ – সংক্ষিপ্ত বর্ণনা কুরআনের ৩০ নম্বর পারা শুরু হয়েছে সূরা নাবা দিয়ে এবং শেষ হয়েছে সূরা নাস। এই পারায় কিয়ামত, আল্লাহর শক্তি, মানুষের সতর্কতা এবং ইমানদারদের জন্য আশ্বাস তুলে ধরা হয়েছে। এই পারার প্রধান বিষয়গুলো: • কিয়ামতের দিন এবং মানুষের পূর্ণ হিসাব সূরা নাবা ও সূরা নাজিয়াত এ কিয়ামতের ভয়াবহতা এবং মানুষের পুনরুত্থানের কথা উল্লেখ করা হয়েছে। সূরা আবাসা এ ব্যবসায়ী ও সমৃদ্ধদের সতর্ক করা হয়েছে যাতে তারা দারিদ্র ও দরিদ্রদের প্রতি উদার ও ন্যায়পরায়ণ থাকে। সূরা তাহা থেকে সূরা আছ-ছেলাশা/ফালাক পর্যন্ত মানুষের নৈতিক দায়িত্ব, শয়তানের প্রলোভন থেকে রক্ষা এবং আল্লাহর আশ্রয় নেওয়ার গুরুত্ব উল্লেখ করা হয়েছে। শেষে সূরা নাস এ মানুষকে প্রার্থনা করার আহ্বান জানানো হয়েছে, যাতে তারা শয়তানের প্রলোভন থেকে রক্ষা পায়। এই পারা আমাদের শেখায়: | |||
| Para/Juzz 29 - Quran: Only Bangla Translation | 06 Mar 2026 | 00:57:23 | |
পারা ২৯ – সংক্ষিপ্ত বর্ণনা কুরআনের ২৯ নম্বর পারা শুরু হয়েছে সূরা মুলক দিয়ে। এরপর রয়েছে সূরা কলম, সূরা হাক্কাহ, সূরা মাআরিজ, সূরা নূহ, সূরা জিন, সূরা মুজ্জাম্মিল, সূরা মুদ্দাসসির, সূরা কিয়ামাহ, সূরা ইনসান এবং সূরা মুরসালাত। এই পারায় মূলত কিয়ামত, মানুষের জবাবদিহি, নবীদের দাওয়াত এবং মানুষের জন্য সতর্কবার্তা তুলে ধরা হয়েছে। এই পারার প্রধান বিষয়গুলো: • আল্লাহর অসীম ক্ষমতা এবং সৃষ্টি সম্পর্কে চিন্তা করার আহ্বান সূরা মুলক এ আকাশ ও পৃথিবীর সৃষ্টির নিদর্শনের মাধ্যমে আল্লাহর ক্ষমতা স্মরণ করিয়ে দেওয়া হয়েছে এবং মানুষকে চিন্তা করতে বলা হয়েছে। সূরা কলম এ নবী মুহাম্মদ ﷺ এর চরিত্রের প্রশংসা করা হয়েছে এবং সত্য অস্বীকারকারীদের সম্পর্কে সতর্ক করা হয়েছে। সূরা হাক্কাহ ও সূরা মাআরিজ এ কিয়ামতের দিনের ভয়াবহতা এবং মানুষের জবাবদিহির কথা বর্ণনা করা হয়েছে। সূরা নূহ এ হযরত নূহ (আ.) তাঁর জাতিকে দীর্ঘ সময় ধরে আল্লাহর পথে ডাক দিয়েছিলেন — সেই ঘটনার কথা তুলে ধরা হয়েছে। সূরা জিন এ কিছু জিন কুরআন শুনে ঈমান গ্রহণ করার ঘটনার কথা বলা হয়েছে। সূরা মুজ্জাম্মিল ও সূরা মুদ্দাসসির এ নবী মুহাম্মদ ﷺ কে আল্লাহর বাণী প্রচার করার দায়িত্ব এবং ইবাদতের গুরুত্ব স্মরণ করিয়ে দেওয়া হয়েছে। পারা ২৯ এর শেষ অংশে কিয়ামত, জান্নাত ও জাহান্নামের বর্ণনা দিয়ে মানুষকে সতর্ক করা হয়েছে। এই পারা আমাদের শেখায়: | |||
| Para/Juzz 28 - Quran: Only Bangla Translation | 06 Mar 2026 | 00:48:53 | |
পারা ২৮ – সংক্ষিপ্ত বর্ণনা কুরআনের ২৮ নম্বর পারা শুরু হয়েছে সূরা মুজাদিলা দিয়ে। এরপর রয়েছে সূরা হাশর, সূরা মুমতাহিনা, সূরা সাফ এবং সূরা জুমুআহ। এই পারায় মুসলমানদের সামাজিক জীবন, আল্লাহর পথে আনুগত্য, এবং মুমিনদের জন্য গুরুত্বপূর্ণ নির্দেশনা তুলে ধরা হয়েছে। এই পারার প্রধান বিষয়গুলো: • আল্লাহ সবকিছু শোনেন ও জানেন — এই সত্যের স্মরণ সূরা মুজাদিলা তে একজন নারীর অভিযোগ আল্লাহ কীভাবে শুনেছেন তার ঘটনা উল্লেখ করা হয়েছে। এখানে গোপন পরামর্শ, মুনাফিকদের আচরণ এবং আল্লাহর সর্বজ্ঞতার কথা বলা হয়েছে। সূরা হাশর এ বনু নযীর ইহুদিদের ঘটনা তুলে ধরা হয়েছে এবং মুসলমানদের ঐক্য ও আল্লাহর উপর ভরসার শিক্ষা দেওয়া হয়েছে। এই সূরার শেষ অংশে আল্লাহর অনেক সুন্দর নাম ও গুণাবলি উল্লেখ করা হয়েছে। সূরা মুমতাহিনা তে মুসলমানদেরকে শিক্ষা দেওয়া হয়েছে কাদের সঙ্গে বন্ধুত্ব করা উচিত এবং কাদের সঙ্গে সতর্ক থাকা দরকার, বিশেষ করে যারা আল্লাহ ও তাঁর রাসুলের বিরোধিতা করে। সূরা সাফ এ আল্লাহর পথে একসাথে দাঁড়ানো এবং সত্যের জন্য সংগ্রাম করার আহ্বান জানানো হয়েছে। এখানে ঈসা (আ.) এর দাওয়াতের কথাও উল্লেখ করা হয়েছে। পারা ২৮ এর শেষ অংশে সূরা জুমুআহ রয়েছে, যেখানে জুমার নামাজের গুরুত্ব এবং আল্লাহকে স্মরণ করার আহ্বান জানানো হয়েছে। এই পারা আমাদের শেখায়: | |||
| Para/Juzz 27 - Quran: Only Bangla Translation | 06 Mar 2026 | 00:52:18 | |
পারা ২৭ – সংক্ষিপ্ত বর্ণনা কুরআনের ২৭ নম্বর পারা শুরু হয়েছে সূরা যারিয়াত এর শেষ অংশ দিয়ে। এরপর রয়েছে সূরা তূর, সূরা নাজম, সূরা ক্বামার এবং সূরা রহমান। এই পারায় কিয়ামত, আল্লাহর শক্তি, মানুষের জন্য সতর্কবার্তা এবং আল্লাহর অসংখ্য নিয়ামতের কথা তুলে ধরা হয়েছে। এই পারার প্রধান বিষয়গুলো: • কিয়ামতের দিন এবং মানুষের জবাবদিহি এরপর সূরা তূর এ কিয়ামতের ভয়াবহতা এবং অবিশ্বাসীদের পরিণতির কথা বলা হয়েছে। পাশাপাশি ঈমানদারদের জন্য জান্নাতের সুসংবাদ দেওয়া হয়েছে। সূরা নাজম এ নবী মুহাম্মদ ﷺ এর প্রতি নাজিল হওয়া ওহীর সত্যতা এবং আল্লাহর মহিমা তুলে ধরা হয়েছে। এখানে মানুষের ভুল বিশ্বাস ও মিথ্যা উপাসনার সমালোচনা করা হয়েছে। সূরা ক্বামার এ অতীতের বিভিন্ন জাতির ঘটনা উল্লেখ করা হয়েছে, যেমন নূহ (আ.), আদ, সামুদ এবং লুত (আ.) এর জাতি। তাদের অবাধ্যতার কারণে কীভাবে ধ্বংস নেমে এসেছিল তা স্মরণ করিয়ে দেওয়া হয়েছে। এরপর সূরা রহমান এ আল্লাহর অসংখ্য নিয়ামতের কথা বারবার স্মরণ করিয়ে দেওয়া হয়েছে এবং মানুষ ও জিনদের উদ্দেশ্যে বলা হয়েছে: “তোমরা তোমাদের প্রতিপালকের কোন কোন নিয়ামত অস্বীকার করবে?” এই পারা আমাদের শেখায়: | |||
| Para/Juzz 26 - Quran: Only Bangla Translation | 06 Mar 2026 | 00:49:33 | |
পারা ২৬ – সংক্ষিপ্ত বর্ণনা কুরআনের ২৬ নম্বর পারা শুরু হয়েছে সূরা আহকাফ এর শেষ অংশ দিয়ে। এরপর রয়েছে সূরা মুহাম্মদ, সূরা ফাতহ, সূরা হুজুরাত এবং সূরা ক্বাফ এর প্রথম অংশ। এই পারায় ঈমান, জিহাদ, মুসলমানদের পারস্পরিক আচরণ এবং কিয়ামতের স্মরণ সম্পর্কে আলোচনা করা হয়েছে। এই পারার প্রধান বিষয়গুলো: • ঈমানদার ও অবিশ্বাসীদের ভিন্ন পরিণতির কথা এরপর সূরা মুহাম্মদ এ বলা হয়েছে, যারা আল্লাহর পথে ঈমান আনে এবং সৎকর্ম করে আল্লাহ তাদের আমল কবুল করেন। আর যারা সত্যকে অস্বীকার করে তাদের জন্য রয়েছে কঠিন পরিণতি। সূরা ফাতহ এ হুদাইবিয়ার সন্ধিকে একটি মহান বিজয় হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে। এখানে ঈমানদারদের জন্য সুসংবাদ এবং নবী মুহাম্মদ ﷺ এর মর্যাদার কথা তুলে ধরা হয়েছে। সূরা হুজুরাত এ মুসলমানদের সামাজিক আচরণ সম্পর্কে গুরুত্বপূর্ণ নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। এখানে পরস্পরের প্রতি সম্মান, গীবত ও অপবাদ থেকে দূরে থাকা এবং মুসলিম ভ্রাতৃত্ব বজায় রাখার শিক্ষা দেওয়া হয়েছে। পারা ২৬ এর শেষ অংশে সূরা ক্বাফ এর শুরু রয়েছে, যেখানে কিয়ামতের দিন, মানুষের পুনরুত্থান এবং আল্লাহর অসীম ক্ষমতার কথা স্মরণ করিয়ে দেওয়া হয়েছে। এই পারা আমাদের শেখায়: | |||
| Para/Juzz 25 - Quran: Only Bangla Translation | 06 Mar 2026 | 00:47:38 | |
পারা ২৫ – সংক্ষিপ্ত বর্ণনা কুরআনের ২৫ নম্বর পারা শুরু হয়েছে সূরা ফুসসিলাত এর শেষ অংশ দিয়ে। এরপর রয়েছে সূরা শুরা, সূরা যুখরুফ এবং সূরা দুখান। এই পারায় আল্লাহর একত্ববাদ, ওহীর সত্যতা, নবীদের দাওয়াত এবং মানুষের জন্য শিক্ষা ও সতর্কবার্তা তুলে ধরা হয়েছে। এই পারার প্রধান বিষয়গুলো: • আল্লাহর দিকে মানুষকে দাওয়াত দেওয়ার গুরুত্ব এরপর সূরা শুরা তে আল্লাহর ওহী, পরামর্শের গুরুত্ব এবং ঈমানদারদের গুণাবলি সম্পর্কে আলোচনা করা হয়েছে। এখানে বলা হয়েছে, মুমিনরা আল্লাহর উপর ভরসা করে, নামাজ কায়েম করে এবং নিজেদের কাজ পরামর্শের মাধ্যমে সম্পন্ন করে। সূরা যুখরুফ এ দুনিয়ার ধন-সম্পদ ও ক্ষমতার মোহে পড়ে সত্যকে অস্বীকার করার প্রবণতার কথা বলা হয়েছে। এখানে ফেরাউন ও তার জাতির ঘটনা উল্লেখ করে মানুষকে অহংকার থেকে সতর্ক করা হয়েছে। সূরা দুখান এ কুরআনের মহত্ব, কিয়ামতের দিন এবং অবিশ্বাসীদের জন্য শাস্তির কথা তুলে ধরা হয়েছে। পাশাপাশি ঈমানদারদের জন্য জান্নাতের সুসংবাদ দেওয়া হয়েছে। এই পারা আমাদের শেখায়: | |||
| Para/Juzz 24 - Quran: Only Bangla Translation | 06 Mar 2026 | 00:16:11 | |
পারা ২৪ – সংক্ষিপ্ত বর্ণনা কুরআনের ২৪ নম্বর পারা শুরু হয়েছে সূরা যুমার এর শেষ অংশ দিয়ে। এরপর রয়েছে সূরা গাফির (মুমিন) এবং সূরা হা-মীম সাজদাহ (ফুসসিলাত) এর প্রথম অংশ। এই পারায় আল্লাহর একত্ববাদ, তাওবা, কিয়ামতের হিসাব এবং সত্যকে গ্রহণ করার আহ্বান সম্পর্কে আলোচনা করা হয়েছে। এই পারার প্রধান বিষয়গুলো: • আল্লাহর কাছে আন্তরিকভাবে তাওবা করার আহ্বান এরপর সূরা গাফির এ ফেরাউনের দরবারে একজন ঈমানদার ব্যক্তির সাহসী বক্তব্যের ঘটনা উল্লেখ করা হয়েছে, যেখানে তিনি মানুষকে আল্লাহর পথে আহ্বান করেন এবং কিয়ামতের শাস্তির ব্যাপারে সতর্ক করেন। এখানে আল্লাহর ক্ষমা ও দয়ার কথাও উল্লেখ করা হয়েছে। সূরা ফুসসিলাত এর শুরুতে কুরআনের সত্যতা, আল্লাহর সৃষ্টির নিদর্শন এবং মানুষের জন্য সঠিক পথ গ্রহণ করার আহ্বান তুলে ধরা হয়েছে। এখানে বলা হয়েছে, যারা আল্লাহর দিকে ডাকে এবং সৎকর্ম করে, তারা উত্তম পথের অনুসারী। এই পারা আমাদের শেখায়: | |||
| Para/Juzz 23 - Quran: Only Bangla Translation | 06 Mar 2026 | 00:52:59 | |
পারা ২৩ – সংক্ষিপ্ত বর্ণনা কুরআনের ২৩ নম্বর পারা শুরু হয়েছে সূরা ইয়াসিন এর শেষ অংশ দিয়ে। এরপর রয়েছে সূরা সাফফাত এবং সূরা সাদ এর প্রথম অংশ। এই পারায় তাওহিদ, কিয়ামত, নবীদের দাওয়াত এবং আল্লাহর প্রতি আনুগত্যের গুরুত্ব সম্পর্কে আলোচনা করা হয়েছে। এই পারার প্রধান বিষয়গুলো: • কিয়ামতের দিন মানুষের পুনরুত্থান এবং হিসাবের কথা এরপর সূরা সাফফাত এ বিভিন্ন নবীর জীবনের ঘটনা তুলে ধরা হয়েছে। এখানে হযরত নূহ (আ.), হযরত ইবরাহিম (আ.), হযরত ইসমাইল (আ.), হযরত মূসা (আ.), হযরত হারুন (আ.), হযরত ইলিয়াস (আ.) এবং হযরত ইউনুস (আ.) এর দাওয়াত ও আল্লাহর প্রতি তাদের দৃঢ় ঈমানের কথা বলা হয়েছে। হযরত ইবরাহিম (আ.) এর মহান কোরবানির ঘটনাও এখানে উল্লেখ করা হয়েছে। এরপর সূরা সাদ এর শুরুতে নবী দাউদ (আ.) এর জীবনের কিছু ঘটনা এবং ন্যায়বিচারের শিক্ষা তুলে ধরা হয়েছে। পাশাপাশি শয়তান ইবলিসের অহংকার এবং আদম (আ.) কে সেজদা করতে অস্বীকার করার ঘটনাও স্মরণ করিয়ে দেওয়া হয়েছে। এই পারা আমাদের শেখায়: | |||
| Para/Juzz 22 - Quran: Only Bangla Translation | 06 Mar 2026 | 00:45:17 | |
পারা ২২ – সংক্ষিপ্ত বর্ণনা কুরআনের ২২ নম্বর পারা শুরু হয়েছে সূরা আহযাব এর শেষ অংশ দিয়ে। এরপর রয়েছে সূরা সাবা এবং সূরা ফাতির। এই পারায় মূলত আল্লাহর প্রতি আনুগত্য, কৃতজ্ঞতা, কিয়ামতের জবাবদিহি এবং মানুষের জন্য আল্লাহর অসংখ্য নিয়ামতের কথা আলোচনা করা হয়েছে। এই পারার প্রধান বিষয়গুলো: • নবী মুহাম্মদ ﷺ এর প্রতি সম্মান প্রদর্শন এবং তাঁর উপর দরুদ পাঠ করার নির্দেশ এরপর সূরা সাবা তে হযরত দাউদ (আ.) ও হযরত সুলাইমান (আ.) কে আল্লাহ যে বিশেষ ক্ষমতা ও নিয়ামত দিয়েছিলেন তা উল্লেখ করা হয়েছে। এখানে সাবা জাতির উদাহরণ দিয়ে দেখানো হয়েছে, কৃতজ্ঞতা মানুষকে কল্যাণের দিকে নিয়ে যায় আর অকৃতজ্ঞতা ধ্বংসের কারণ হয়। সূরা ফাতির এ আল্লাহ আকাশ ও পৃথিবীর সৃষ্টি, ফেরেশতাদের ভূমিকা এবং মানুষের জীবনে আল্লাহর অগণিত নিয়ামতের কথা স্মরণ করিয়ে দেন। এখানে মানুষকে শয়তানের ধোঁকা থেকে সাবধান থাকতে এবং আল্লাহর দিকে ফিরে আসার আহ্বান জানানো হয়েছে। এই পারা আমাদের শেখায়: | |||
| Para/Juzz 21 - Quran: Only Bangla Translation | 06 Mar 2026 | 00:46:10 | |
পারা ২১ শুরু: সূরা আল-আনকাবুত ৪৬ নম্বর আয়াত থেকে সূরা আল-আহযাব ৩০ নম্বর আয়াত পর্যন্ত এই পারায় ঈমানের পরীক্ষা, নবীদের সংগ্রাম, আল্লাহর উপর ভরসা এবং মুসলিম সমাজের নৈতিক ও পারিবারিক নির্দেশনা তুলে ধরা হয়েছে। কষ্টের মধ্যেও সত্য পথে অটল থাকার শিক্ষা দেওয়া হয়েছে। এই পারায় যা রয়েছে ১. আহলে কিতাবের সাথে উত্তম আচরণ ইহুদি ও খ্রিস্টানদের সাথে উত্তমভাবে কথা বলার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। সত্য ও যুক্তির মাধ্যমে দাওয়াত দেওয়ার শিক্ষা। ২. ঈমানের পরীক্ষা মানুষ শুধু ঈমান বললেই পরীক্ষা ছাড়া থাকবে না। পরীক্ষার মাধ্যমে সত্যিকারের মুমিন আলাদা হয়। ৩. পূর্বের নবীদের উদাহরণ নূহ (আ.) দীর্ঘ সময় জাতিকে দাওয়াত দেন। ইবরাহিম (আ.) তাওহীদের জন্য সংগ্রাম করেন। অন্যায়কারী জাতির পরিণতির উদাহরণ দেওয়া হয়েছে। ৪. সূরা আর-রূম রোমানদের পরাজয় ও পরবর্তী বিজয়ের ভবিষ্যদ্বাণী উল্লেখ আছে। দুনিয়ার পরিবর্তনের মাধ্যমে আল্লাহর ক্ষমতা বোঝানো হয়েছে। ৫. আল্লাহর নিদর্শন মানুষের সৃষ্টি, দিন-রাতের পরিবর্তন, ভাষা ও বর্ণের বৈচিত্র্য—সব আল্লাহর নিদর্শন। ৬. সূরা লুকমান লুকমান তাঁর ছেলেকে গুরুত্বপূর্ণ উপদেশ দেন। শিরক থেকে দূরে থাকা পিতা-মাতার সাথে উত্তম আচরণ নামাজ কায়েম ধৈর্য ও বিনয়। ৭. সূরা আস-সাজদা আল্লাহর সৃষ্টির মহিমা এবং কিয়ামতের বাস্তবতা তুলে ধরা হয়েছে। ৮. সূরা আল-আহযাবের শুরু মুহাম্মদ (সা.)-এর মর্যাদা এবং মুসলিম সমাজের কিছু পারিবারিক ও সামাজিক বিধান উল্লেখ করা হয়েছে। এই পারার মূল বিষয় ঈমানের পরীক্ষা তাওহীদ ধৈর্য আল্লাহর নিদর্শন নৈতিক শিক্ষা এই পারা শেখায় সত্য পথে চললে পরীক্ষা আসে আল্লাহর উপর ভরসা রাখতে হয় শিরক সবচেয়ে বড় অন্যায় পরিবার ও সমাজে নৈতিকতা জরুরি ধৈর্য ও বিনয় মানুষকে সম্মানিত করে এই পারা মানুষকে ধৈর্য, তাওহীদ এবং নৈতিক জীবনযাপনের দিকে আহ্বান জানায়। | |||
| Para/Juzz 20 - Quran: Only Bangla Translation | 01 Mar 2026 | 00:45:42 | |
পারা ২০ শুরু: সূরা আন-নামল ৫৬ নম্বর আয়াত থেকে সূরা আল-কাসাস ৮৮ নম্বর আয়াত পর্যন্ত এই পারায় নবীদের জীবন, তাদের জাতির প্রতিক্রিয়া, ধৈর্য, আল্লাহর সাহায্য এবং তাওহীদের গুরুত্ব তুলে ধরা হয়েছে। কঠিন পরিস্থিতিতেও আল্লাহর উপর ভরসা রাখার শিক্ষা আছে। এই পারায় যা রয়েছে ১. সালেহ (আ.)-এর জাতি সালিহ (আ.)-এর উটনি নিদর্শন উপেক্ষা করলে শাস্তি আসে। নবীর সতর্কবার্তা উপেক্ষা করলে ধ্বংসের পরিণতি। ২. লুত (আ.)-এর জাতি লুত (আ.)-এর সতর্কবার্তা অগ্রাহ্য করলে শহর ধ্বংস হয়। অন্যায় এবং শারীরিক পাপের ফল স্পষ্ট। ৩. সূলােমানের (আ.) রাজত্ব সুলাইমান (আ.)-এর নেতৃত্ব ও জ্ঞান। প্রাণী ও পাখিদের সাথে আল্লাহর নিদর্শন। ন্যায় ও সততার উদাহরণ। ৪. মূসা (আ.)-এর জীবন মূসা (আ.)-এর নবুওয়াত ও ফেরাউনের সঙ্গে সংঘর্ষ। আল্লাহর সাহায্যে তিনি মুক্তি পান। অবাধ্যতা শাস্তি আনে। ৫. সূরা আল-কাসাস শুরু মূসা (আ.)-এর জন্ম থেকে বড় হওয়ার কাহিনি। ফেরাউনের অত্যাচার, শিশু অবস্থায় মিশরে রাখা, এবং তার পরিণতি। ধৈর্য, আস্থা ও আল্লাহর নির্দেশ মানার শিক্ষা। ৬. আল্লাহর সাহায্য ও নিদর্শন মানুষকে শিক্ষা দেয় যে ধৈর্য, ন্যায় ও সত্যের পথে চললে আল্লাহ সাহায্য করেন। শিরক ও অন্যায় পরিণতি আনে। এই পারার মূল বিষয় নবীদের ধৈর্য অবাধ্যতার পরিণতি আল্লাহর সাহায্য তাওহীদ ন্যায় ও সততা এই পারা শেখায় শিরক ও অন্যায় ধ্বংস ডেকে আনে ধৈর্য ও সততার সাথে আল্লাহর নির্দেশ পালন করা প্রয়োজন নবীদের উদাহরণ অনুসরণ করতে হবে আল্লাহ সীমাহীন সাহায্য করেন ন্যায় ও সততার জীবন সুখ ও সাফল্য আনে এই পারা মানুষকে ধৈর্য, তাওহীদে দৃঢ়তা এবং ন্যায়পরায়ণ জীবনযাপনের শিক্ষা দেয়। | |||
| Para/Juzz 19 - Quran: Only Bangla Translation | 01 Mar 2026 | 00:51:52 | |
পারা ১৯ শুরু: সূরা আল-ফুরকান ২১ নম্বর আয়াত থেকে সূরা আন-নামল ৫৫ নম্বর আয়াত পর্যন্ত এই পারায় শয়তানের ফাঁদ, নবীদের দাওয়াত, আল্লাহর নিদর্শন এবং ঈমান ও নৈতিকতার গুরুত্ব তুলে ধরা হয়েছে। মানুষকে সতর্ক করা হয়েছে যাতে তারা মিথ্যা পথে না চলে। এই পারায় যা রয়েছে ১. শয়তানের ফাঁদ ও প্রলোভন মানুষকে মিথ্যা পথে প্রলুব্ধ করার চেষ্টা। আল্লাহর স্মরণ ও সতর্কতা ছাড়া প্রলোভন এড়িয়ে যাওয়া সম্ভব নয়। ২. নবীদের উদাহরণ নূহ (আ.)-এর জাতি উপেক্ষা করলেও সতর্কবার্তা দেওয়া হয়েছে। হূদ (আ.)-এর জাতি অহংকারে ধ্বংস হয়। সালিহ (আ.)-এর উটনি নিদর্শন ভাঙলে শাস্তি আসে। লুত (আ.)-এর জাতি অন্যায়ের জন্য ধ্বংস হয়। ৩. সূরা আঞ্জুমান সুলাইমান (আ.)-এর নেতৃত্ব ও জ্ঞান। প্রাণী ও পাখির সাথে আল্লাহর নিদর্শন। ৪. সূরা আন-নামল সুলাইমান (আ.)-এর গল্পের বিস্তারিত। বিনয়, জ্ঞান ও ন্যায়পরায়ণতার উদাহরণ। কোরআনের সততা ও সত্য প্রকাশ। ৫. আল্লাহর নিদর্শন পৃথিবীর সৃষ্টির নিয়ম, প্রাণী, জল, আলো এবং মানুষের জীবন পরিচালনা। মানুষকে শিক্ষা দেয় কৃতজ্ঞ ও দায়িত্বশীল হতে। এই পারার মূল বিষয় শয়তানের ফাঁদ থেকে সতর্কতা নবীদের ধৈর্য ও সতর্কবার্তা আল্লাহর নিদর্শন নৈতিকতা তাওহীদ এই পারা শেখায় শয়তান প্রতিনিয়ত প্রলুব্ধ করে ধৈর্য ছাড়া পরীক্ষা উত্তীর্ণ হওয়া সম্ভব নয় নবীদের উদাহরণ অনুসরণ করা উচিত আল্লাহর নিদর্শন লক্ষ্য করলে কৃতজ্ঞতা জন্মে তাওহীদই সকল দাওয়াতের মূল ভিত্তি এই পারা মানুষকে সতর্ক, ধৈর্যশীল এবং আল্লাহর নিদর্শনের প্রতি সচেতন হতে শেখায়। | |||
| Para/Juzz 18 - Quran: Only Bangla Translation | 01 Mar 2026 | 00:48:49 | |
পারা ১৮ শুরু: সূরা আল-মুমিনূন ১ নম্বর আয়াত থেকে সূরা আল-ফুরকান ২০ নম্বর আয়াত পর্যন্ত এই পারায় সফল মুমিনদের গুণাবলি, বিভিন্ন নবীর কাহিনি, কিয়ামতের দৃশ্য এবং কোরআনের সত্যতা তুলে ধরা হয়েছে। ঈমান, চরিত্র ও জবাবদিহির শিক্ষা এখানে স্পষ্ট। এই পারায় যা রয়েছে ১. সফল মুমিনদের বৈশিষ্ট্য নামাজে খুশু অর্থহীন কাজ থেকে দূরে থাকা যাকাত আদায় পবিত্র জীবনযাপন অমানত ও ওয়াদা রক্ষা এই গুণগুলোর অধিকারীরাই জান্নাতের উত্তরাধিকারী। ২. মানব সৃষ্টির ধাপ মানুষকে মাটির উপাদান থেকে সৃষ্টি এবং ধাপে ধাপে গঠনের বর্ণনা। আল্লাহর শক্তি ও পরিকল্পনা স্পষ্ট করা হয়েছে। ৩. নবীদের কাহিনি নূহ (আ.)-এর দাওয়াত ও প্লাবন। মূসা (আ.) ও ফেরাউনের ঘটনা। ঈসা (আ.) ও তাঁর মাতা মারইয়াম (আ.)-এর উল্লেখ। সব নবীর দাওয়াত এক আল্লাহর ইবাদতের দিকে। ৪. কিয়ামতের দৃশ্য কবর থেকে উঠা, হিসাব, অস্বীকারকারীদের অনুশোচনা। জীবন একবারই, ফিরে আসার সুযোগ নেই। ৫. সূরা আন-নূর পবিত্রতা ও সামাজিক শুদ্ধতার আইন এসেছে। ব্যভিচারের শাস্তি উল্লেখ। মিথ্যা অপবাদ থেকে সতর্কতা। চোখ ও চরিত্র হেফাজতের নির্দেশ। ৬. ঘরে প্রবেশের আদব অন্যের ঘরে ঢোকার আগে অনুমতি নেওয়ার নির্দেশ। ৭. সূরা আল-ফুরকানের শুরু কোরআন সত্য-মিথ্যার পার্থক্যকারী কিতাব হিসেবে ঘোষণা। রাসুল মানুষই ছিলেন, খাবার খেতেন ও বাজারে চলাফেরা করতেন—এ নিয়ে অবিশ্বাসীদের আপত্তির জবাব দেওয়া হয়েছে। এই পারার মূল বিষয় সফল মুমিনের গুণ পবিত্রতা তাওহীদ জবাবদিহি সামাজিক শুদ্ধতা এই পারা শেখায় নামাজ ও চরিত্র একসাথে চলতে হবে অপবাদ বড় গুনাহ জীবন পরীক্ষার জায়গা নবীদের দাওয়াত একই কোরআন সত্যের মানদণ্ড এই পারা ব্যক্তি ও সমাজকে শুদ্ধ, দায়িত্বশীল ও ঈমানভিত্তিক জীবন গড়ার আহ্বান জানায়। | |||
| Para/Juzz 17 - Quran: Only Bangla Translation | 01 Mar 2026 | 00:45:56 | |
পারা ১৭ শুরু: সূরা আল-আম্বিয়া ১ নম্বর আয়াত থেকে সূরা আল-হাজ্জ ৭৮ নম্বর আয়াত পর্যন্ত এই পারায় কিয়ামতের সতর্কবার্তা, বহু নবীর দাওয়াত, তাওহীদের প্রমাণ এবং ইবাদত ও সংগ্রামের নির্দেশনা এসেছে। মানুষকে জবাবদিহির জন্য প্রস্তুত হতে বলা হয়েছে। এই পারায় যা রয়েছে ১. কিয়ামতের সতর্কবার্তা মানুষ গাফেল থাকে, কিন্তু হিসাবের দিন কাছে। প্রত্যেকে নিজের কাজের ফল পাবে। ২. নবীদের ধারাবাহিক দাওয়াত ইবরাহিম (আ.) মূর্তি ভেঙে তাওহীদের ঘোষণা দেন। লুত (আ.) অন্যায়ের বিরুদ্ধে অবস্থান নেন। নূহ (আ.)-এর ধৈর্য উল্লেখ করা হয়েছে। আইয়ুব (আ.)-এর কষ্ট ও ধৈর্যের উদাহরণ এসেছে। ইউনুস (আ.)-এর দোয়া ও মুক্তির ঘটনা। যাকারিয়া (আ.)-এর দোয়া কবুলের কথা বলা হয়েছে। ৩. সব নবীর দাওয়াত এক সবাই এক আল্লাহর ইবাদতের আহ্বান দিয়েছেন। শিরক বড় অন্যায়। ৪. সূরা আল-হাজ্জ হজের গুরুত্ব এবং কাবার মর্যাদা তুলে ধরা হয়েছে। কাবা মানুষের জন্য স্থাপিত ঘর। ৫. কোরবানির উদ্দেশ্য কোরবানির রক্ত বা মাংস নয়, তাকওয়া আল্লাহর কাছে পৌঁছে। ৬. জিহাদের অনুমতি অত্যাচারের বিরুদ্ধে লড়াইয়ের অনুমতি দেওয়া হয়েছে। মসজিদ ও ইবাদতের স্থান রক্ষার কথা বলা হয়েছে। ৭. উম্মাহর দায়িত্ব মুসলিমদের উত্তম উম্মাহ হিসেবে দায়িত্ব পালন করতে বলা হয়েছে। নামাজ কায়েম, যাকাত আদায়, সৎকাজে আহ্বান। এই পারার মূল বিষয় কিয়ামতের প্রস্তুতি তাওহীদ নবীদের ধৈর্য হজ ও কোরবানি সংগ্রাম ও দায়িত্ব এই পারা শেখায় জীবন ক্ষণস্থায়ী, হিসাব স্থায়ী ধৈর্য ধরলে আল্লাহ সাহায্য করেন সব নবীর দাওয়াত এক ইবাদতের আসল লক্ষ্য তাকওয়া অত্যাচারের বিরুদ্ধে দাঁড়ানো দায়িত্ব এই পারা মানুষকে জবাবদিহির সচেতনতা, তাওহীদে দৃঢ়তা এবং দায়িত্বশীল জীবনযাপনের আহ্বান জানায়। | |||
| Para/Juzz 16 - Quran: Only Bangla Translation | 01 Mar 2026 | 00:52:15 | |
পারা ১৬ শুরু: সূরা আল-কাহফ ৭৫ নম্বর আয়াত থেকে সূরা ত্বা-হা ১৩৫ নম্বর আয়াত পর্যন্ত এই পারায় মূসা (আ.) ও খিজিরের কাহিনির সমাপ্তি, যুলকারনাইনের ঘটনা এবং সূরা মারইয়াম ও ত্বা-হার গুরুত্বপূর্ণ দাওয়াত রয়েছে। আল্লাহর জ্ঞান, রহমত ও তাওহীদের বার্তা এখানে স্পষ্ট। এই পারায় যা রয়েছে ১. মূসা (আ.) ও খিজির মূসা (আ.) ধৈর্য ধরে খিজিরের কাজের ব্যাখ্যা শোনেন। নৌকা ক্ষতি করা, শিশুকে হত্যা, দেয়াল ঠিক করা—সব ঘটনার পেছনে আল্লাহর হিকমাহ ছিল। শিক্ষা: মানুষ সীমিত জানে, আল্লাহ সব জানেন। ২. যুলকারনাইন যুলকারনাইন ন্যায়পরায়ণ শাসক হিসেবে পরিচিত। তিনি ইয়াজুজ-মাজুজের ক্ষতি থেকে মানুষকে রক্ষা করতে প্রাচীর নির্মাণ করেন। ক্ষমতা পেলে ন্যায় প্রতিষ্ঠার শিক্ষা দেওয়া হয়েছে। ৩. সূরা মারইয়াম যাকারিয়া (আ.)-এর দোয়া ও সন্তান লাভের ঘটনা। মারইয়াম (আ.)-এর পবিত্রতা এবং ঈসা (আ.)-এর জন্মের অলৌকিক ঘটনা। তাওহীদ ও আল্লাহর শক্তি স্পষ্টভাবে তুলে ধরা হয়েছে। ৪. অন্যান্য নবীদের উল্লেখ ইবরাহিম, মূসা, ইসমাইলসহ কয়েকজন নবীর দাওয়াত সংক্ষেপে এসেছে। ইবরাহিম (আ.) তাঁর পিতাকে তাওহীদের দিকে ডাকেন। ৫. সূরা ত্বা-হা মূসা (আ.)-এর নবুওয়াত প্রাপ্তি। তূর পাহাড়ে আল্লাহর সাথে কথা বলা। ফেরাউনের কাছে দাওয়াত নিয়ে যাওয়া। জাদুকরদের পরাজয় ও ঈমান গ্রহণ। এই পারার মূল বিষয় আল্লাহর হিকমাহ ন্যায়পরায়ণ নেতৃত্ব অলৌকিক শক্তি তাওহীদ ধৈর্য এই পারা শেখায় মানুষের জ্ঞান সীমিত ক্ষমতা পেলে ন্যায় করতে হবে আল্লাহ চাইলে অসম্ভব সম্ভব হয় তাওহীদই সকল নবীর মূল দাওয়াত ধৈর্য ছাড়া সফলতা নেই এই পারা মানুষকে আল্লাহর জ্ঞানের সামনে বিনয়ী হতে এবং সত্য পথে অটল থাকতে শিক্ষা দেয়। | |||
| Para/Juzz 15 - Quran: Only Bangla Translation | 01 Mar 2026 | 00:50:25 | |
পারা ১৫ শুরু: সূরা আল-ইসরা ১ নম্বর আয়াত থেকে সূরা আল-কাহফ ৭৪ নম্বর আয়াত পর্যন্ত এই পারায় মিরাজের ঘটনা, নৈতিক নির্দেশনা, কোরআনের মর্যাদা এবং সূরা কাহফের গুরুত্বপূর্ণ কাহিনি শুরু হয়েছে। ঈমান, ধৈর্য এবং আল্লাহর জ্ঞানের ব্যাপ্তি এখানে স্পষ্ট। এই পারায় যা রয়েছে ১. মিরাজের ঘটনা মুহাম্মদ (সা.)-এর রাতের সফরের কথা বলা হয়েছে। মসজিদুল হারাম থেকে মসজিদুল আকসা পর্যন্ত ভ্রমণ আল্লাহর নিদর্শন হিসেবে উল্লেখ। ২. বনি ইসরাইলের সতর্কবার্তা বনি ইসরাইল-এর অবাধ্যতার ইতিহাস তুলে ধরা হয়েছে। অন্যায় করলে শাস্তি, সংশোধন করলে সুযোগ। ৩. নৈতিক জীবনব্যবস্থা পিতা-মাতার সাথে সদ্ব্যবহার অপচয় থেকে বিরত থাকা অন্যায় হত্যা নিষিদ্ধ অহংকার না করা ওয়াদা পূরণ করা ৪. কোরআনের মর্যাদা কোরআন হেদায়েত ও রহমত। মানুষের অন্তরের রোগের চিকিৎসা। ৫. সূরা আল-কাহফের শুরু আল্লাহর প্রশংসা এবং কোরআনের সত্যতা ঘোষণা। ৬. গুহাবাসীদের ঘটনা ঈমান রক্ষায় কয়েকজন যুবক গুহায় আশ্রয় নেয়। আল্লাহ তাদের দীর্ঘ সময় ঘুম পাড়িয়ে রাখেন। ধৈর্য ও ঈমানের শক্তির শিক্ষা। ৭. মূসা (আ.) ও খিজিরের কাহিনি শুরু মূসা (আ.) জ্ঞান অর্জনের জন্য সফর করেন। খিজিরের সাথে কিছু রহস্যময় ঘটনা শুরু হয়, যার মাধ্যমে আল্লাহর জ্ঞানের গভীরতা বোঝানো হয়। এই পারার মূল বিষয় মিরাজ ও আল্লাহর নিদর্শন নৈতিকতা কোরআনের হেদায়েত ঈমান রক্ষা ধৈর্য আল্লাহর সর্বজ্ঞতা এই পারা শেখায় নৈতিক জীবন ছাড়া ঈমান পূর্ণ হয় না কোরআন জীবনের দিশা ঈমানের জন্য ত্যাগ করতে হয় মানুষ সব জ্ঞান জানে না আল্লাহর পরিকল্পনা মানুষের বোঝার বাইরে এই পারা মানুষকে আত্মশুদ্ধি, ধৈর্য এবং আল্লাহর প্রতি পূর্ণ ভরসার দিকে আহ্বান জানায়। | |||
| Para/Juzz 14 - Quran: Only Bangla Translation | 01 Mar 2026 | 00:45:06 | |
পারা ১৪ শুরু: সূরা আল-হিজর ১ নম্বর আয়াত থেকে সূরা আন-নাহল ১২৮ নম্বর আয়াত পর্যন্ত এই পারায় কোরআনের সত্যতা, শয়তানের শত্রুতা, আল্লাহর নেয়ামত এবং কৃতজ্ঞতার শিক্ষা এসেছে। মানুষকে তাওহীদে দৃঢ় থাকার আহ্বান দেওয়া হয়েছে। এই পারায় যা রয়েছে ১. সূরা আল-হিজর কোরআন আল্লাহর সংরক্ষিত কিতাব বলে ঘোষণা করা হয়েছে। মানুষ উপহাস করলেও আল্লাহ তাঁর দ্বীন রক্ষা করেন। ২. আদম (আ.) ও ইবলিস আদম (আ.)-এর সৃষ্টি এবং ইবলিসের অহংকারের ঘটনা এসেছে। ইবলিস মানুষকে পথভ্রষ্ট করার অঙ্গীকার করে। আল্লাহ সতর্ক করেছেন, শয়তান প্রকাশ্য শত্রু। ৩. লুত (আ.)-এর জাতি লুত (আ.)-এর জাতির শাস্তির কথা বলা হয়েছে। অন্যায় আচরণের পরিণতি স্পষ্ট করা হয়েছে। ৪. সূরা আন-নাহল আল্লাহর অসংখ্য নেয়ামতের বর্ণনা এসেছে। আকাশ, জমিন, বৃষ্টি, পশু, ফল, সমুদ্র সবই মানুষের উপকারে। মানুষকে কৃতজ্ঞ হওয়ার আহ্বান। ৫. তাওহীদের দাওয়াত প্রত্যেক জাতির কাছে নবী পাঠানো হয়েছে এক আল্লাহর ইবাদতের জন্য। শিরক বড় জুলুম হিসেবে উল্লেখ। ৬. হিজরতের উৎসাহ যারা আল্লাহর পথে ত্যাগ করে, তাদের জন্য উত্তম প্রতিদান আছে। ৭. ন্যায় ও উত্তম আচরণের নির্দেশ আল্লাহ ন্যায়, সৎকাজ ও আত্মীয়তার সম্পর্ক রক্ষার আদেশ দেন। অশ্লীলতা, অন্যায় ও সীমালঙ্ঘন নিষিদ্ধ। এই পারার মূল বিষয় কোরআনের সংরক্ষণ শয়তানের শত্রুতা আল্লাহর নেয়ামত কৃতজ্ঞতা তাওহীদ নৈতিকতা এই পারা শেখায় আল্লাহ তাঁর দ্বীন রক্ষা করেন অহংকার ধ্বংসের কারণ নেওয়ামতের কদর করতে হবে শয়তান থেকে সতর্ক থাকতে হবে ন্যায় ও সৎকাজ সমাজকে শক্ত করে এই পারা মানুষকে কৃতজ্ঞ, সচেতন ও তাওহীদে দৃঢ় থাকার শিক্ষা দেয়। | |||
| Para/Juzz 13 - Quran: Only Bangla Translation | 01 Mar 2026 | 00:43:11 | |
পারা ১৩ শুরু: সূরা ইউসুফ ৫৩ নম্বর আয়াত থেকে সূরা ইবরাহিম ৫২ নম্বর আয়াত পর্যন্ত এই পারায় সূরা ইউসুফের কাহিনির সমাপ্তি এবং সূরা রা‘দ ও সূরা ইবরাহিমের গুরুত্বপূর্ণ দাওয়াতমূলক বার্তা রয়েছে। ধৈর্য, ক্ষমা, তাওহীদ এবং আল্লাহর উপর ভরসার শিক্ষা এখানে স্পষ্ট। এই পারায় যা রয়েছে ১. ইউসুফ (আ.)-এর কাহিনির সমাপ্তি ইউসুফ (আ.) কারাগার থেকে মুক্ত হয়ে রাষ্ট্রীয় দায়িত্ব পান। দুর্ভিক্ষের সময়ে জ্ঞান ও সততার মাধ্যমে মিসরকে রক্ষা করেন। ভাইদের ক্ষমা করেন। পিতা ইয়াকুব (আ.)-এর সাথে পুনর্মিলন ঘটে। স্বপ্নের পূর্ণ বাস্তবায়ন হয়। ২. সূরা রা‘দ আল্লাহর শক্তি ও সৃষ্টির নিদর্শন তুলে ধরা হয়েছে। বৃষ্টি, বজ্র, বিদ্যুৎ, আকাশ ও জমিনের ব্যবস্থাপনা উল্লেখ আছে। হৃদয়ের প্রশান্তি আল্লাহর স্মরণে আসে। ৩. সত্য ও মিথ্যার তুলনা সত্যকে পরিষ্কার পানির সাথে তুলনা করা হয়েছে। মিথ্যা ক্ষণস্থায়ী, সত্য স্থায়ী। ৪. সূরা ইবরাহিম ইবরাহিম (আ.)-এর দাওয়াত ও দোয়া উল্লেখ আছে। কাবার পাশে তাঁর দোয়া, সন্তানদের জন্য দোয়া, নামাজ প্রতিষ্ঠার আহ্বান। নবীদের দাওয়াত প্রত্যাখ্যান করলে জাতির পরিণতি কেমন হয় তা বলা হয়েছে। ৫. কিয়ামতের দৃশ্য শয়তান মানুষের দায় অস্বীকার করবে। প্রত্যেকে নিজের কাজের ফল ভোগ করবে। এই পারার মূল বিষয় ধৈর্য ও ক্ষমা আল্লাহর পরিকল্পনা তাওহীদ দোয়ার শক্তি সত্যের স্থায়িত্ব এই পারা শেখায় কষ্টের পর সহজি আসে ক্ষমা মর্যাদা বাড়ায় আল্লাহর স্মরণে হৃদয় শান্ত হয় সত্য শেষ পর্যন্ত টিকে থাকে দোয়া মানুষের শক্তি এই পারা দেখায়, আল্লাহর পরিকল্পনা মানুষের পরিকল্পনার চেয়ে উত্তম। ধৈর্য, সততা ও তাওহীদই সফলতার পথ। | |||
| Para/Juzz 12 - Quran: Only Bangla Translation | 01 Mar 2026 | 00:51:25 | |
পারা ১২ শুরু: সূরা হূদ ৬ নম্বর আয়াত থেকে সূরা ইউসুফ ৫২ নম্বর আয়াত পর্যন্ত এই পারায় বিভিন্ন নবীর দাওয়াত, ধৈর্য, শাস্তি ও মুক্তির ঘটনা এবং সূরা ইউসুফের হৃদয়স্পর্শী কাহিনি শুরু হয়েছে। কঠিন পরিস্থিতিতেও আল্লাহর উপর ভরসা রাখার শিক্ষা এখানে স্পষ্ট। এই পারায় যা রয়েছে ১. নূহ (আ.)-এর দাওয়াত নূহ (আ.) দীর্ঘ সময় তাঁর জাতিকে আহ্বান করেন। তারা অস্বীকার করলে মহাপ্লাবন আসে। ধৈর্য ও অবিচলতার শিক্ষা দেওয়া হয়েছে। ২. হূদ (আ.) ও আদ জাতি হূদ (আ.) অহংকারী আদ জাতিকে সতর্ক করেন। তারা শক্তির গর্ব করে, পরে ধ্বংস হয়। ৩. সালিহ (আ.) ও সামুদ সালিহ (আ.)-এর কাছে উটনী ছিল নিদর্শন। তারা তা হত্যা করলে শাস্তি আসে। ৪. লুত (আ.)-এর জাতি লুত (আ.) অশ্লীলতার বিরুদ্ধে সতর্ক করেন। অবাধ্যতার কারণে তাদের ওপর শাস্তি নেমে আসে। ৫. শু‘আইব (আ.) শু‘আইব (আ.) ওজন ও মাপে ন্যায় বজায় রাখতে বলেন। অন্যায় ব্যবসার কারণে জাতি ধ্বংস হয়। ৬. মূসা (আ.) ও ফেরাউন মূসা (আ.)-এর দাওয়াত এবং ফেরাউনের অহংকারের কথা এসেছে। ৭. সূরা ইউসুফের শুরু ইউসুফ (আ.)-এর স্বপ্ন দিয়ে কাহিনি শুরু। ভাইদের হিংসা, কূপে নিক্ষেপ, মিসরে বিক্রি হওয়ার ঘটনা। সত্যবাদিতা ও পবিত্র চরিত্রের শিক্ষা। এই পারার মূল বিষয় ধৈর্য আল্লাহর উপর ভরসা অহংকারের পরিণতি নৈতিকতা পরীক্ষার মাধ্যমে উন্নতি এই পারা শেখায় সত্যের পথে কষ্ট আসবে অহংকার ধ্বংস ডেকে আনে নৈতিকতা রক্ষা করলে আল্লাহ সাহায্য করেন ধৈর্য শেষে সফলতা আসে পরীক্ষা ঈমানকে শক্ত করে এই পারা ইতিহাসের মাধ্যমে দেখায়, আল্লাহর পরিকল্পনা সর্বোত্তম এবং ধৈর্যশীলরাই সফল হয়। | |||
| Para/Juzz 11 - Quran: Only Bangla Translation | 01 Mar 2026 | 00:49:01 | |
পারা ১১ শুরু: সূরা আত-তাওবা ৯৩ নম্বর আয়াত থেকে সূরা হূদ ৫ নম্বর আয়াত পর্যন্ত এই পারায় মুনাফিকদের চিহ্ন, সত্য তওবা, নবীদের দাওয়াত এবং আল্লাহর শক্তি ও জ্ঞানের বর্ণনা এসেছে। মানুষকে সতর্ক করা হয়েছে যেন বাহ্যিক নয়, আন্তরিক ঈমান ধরে রাখে। এই পারায় যা রয়েছে ১. মুনাফিকদের আসল চেহারা তারা অজুহাত দিয়ে দায়িত্ব এড়িয়ে যায়। সম্পদ ও আরামকে অগ্রাধিকার দেয়। আল্লাহ তাদের অন্তরের অবস্থা জানেন। ২. তওবার গুরুত্ব যারা ভুল স্বীকার করে ফিরে আসে, আল্লাহ তাদের ক্ষমা করেন। সত্য তওবা মানে কাজের মাধ্যমে পরিবর্তন। ৩. তিন সাহাবির ঘটনা যারা তাবুক যুদ্ধে অংশ নেয়নি, পরে অনুতপ্ত হয়। আল্লাহ তাদের তওবা কবুল করেন। সততা ও ধৈর্যের শিক্ষা দেওয়া হয়েছে। ৪. সূরা ইউনুস ইউনুস (আ.)-এর জাতির ঘটনা উল্লেখ আছে। তারা শাস্তির আগে তওবা করে, তাই রক্ষা পায়। কোরআনের সত্যতা ও আল্লাহর একত্ব তুলে ধরা হয়েছে। ৫. সূরা হূদের শুরু হূদ (আ.)-এর দাওয়াতের প্রেক্ষাপট শুরু হয়েছে। আল্লাহ সব গোপন বিষয় জানেন। মানুষকে শিরক থেকে ফিরে আসার আহ্বান দেওয়া হয়েছে। এই পারার মূল বিষয় মুনাফিকতা থেকে সতর্কতা সত্য তওবা আল্লাহর সর্বজ্ঞতা নবীদের দাওয়াত ধৈর্য ও সততা এই পারা শেখায় অজুহাত দিয়ে দায়িত্ব এড়ানো ঈমানের লক্ষণ নয় ভুল করলে ফিরে আসাই সফলতা আল্লাহ সব জানেন শাস্তির আগে তওবার সুযোগ থাকে সত্যে অটল থাকতে হবে এই পারা মানুষকে ভেতর থেকে সংশোধন হওয়ার আহ্বান জানায় এবং আল্লাহর দিকে ফিরে আসার পথ দেখায়। | |||
| Para/Juzz 10 - Quran: Only Bangla Translation | 27 Feb 2026 | 00:45:52 | |
পারা ১০ শুরু: সূরা আল-আনফাল ৪১ নম্বর আয়াত থেকে সূরা আত-তাওবা ৯২ নম্বর আয়াত পর্যন্ত এই পারায় যুদ্ধনীতি, চুক্তি, মুনাফিকদের আচরণ, তওবা এবং আল্লাহর পথে ত্যাগের শিক্ষা তুলে ধরা হয়েছে। মুসলিম সমাজকে শক্ত, সৎ ও দায়িত্বশীল করার দিকনির্দেশনা এখানে স্পষ্ট। এই পারায় যা রয়েছে ১. যুদ্ধের নীতি ও শৃঙ্খলা বদরের পরবর্তী নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। বদর যুদ্ধ-এর শিক্ষা থেকে মুসলিমদের সংগঠিত ও শৃঙ্খলাপূর্ণ থাকার কথা বলা হয়েছে। গণিমতের সঠিক বণ্টনের নিয়ম উল্লেখ করা হয়েছে। ২. চুক্তি ও বিশ্বাসঘাতকতা যাদের সাথে চুক্তি আছে তা পূরণ করার নির্দেশ। বিশ্বাসঘাতকদের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থানের কথা বলা হয়েছে। ৩. সূরা আত-তাওবার শুরু মুশরিকদের সাথে সম্পর্ক ও চুক্তির নতুন নির্দেশনা এসেছে। তওবার দরজা খোলা আছে, কিন্তু অবাধ্যতার ফল কঠিন। ৪. মসজিদে দিরার ক্ষতি করার উদ্দেশ্যে নির্মিত একটি মসজিদের ঘটনা উল্লেখ আছে। মসজিদে দিরার ধ্বংস করার নির্দেশ দেওয়া হয়, কারণ উদ্দেশ্য ছিল বিভেদ সৃষ্টি। ৫. মুনাফিকদের আচরণ তারা যুদ্ধ থেকে পিছিয়ে থাকে। বাহ্যিকভাবে সমর্থন দেখায়, ভেতরে দুর্বল ঈমান। ৬. তাবুক অভিযানের প্রেক্ষাপট কঠিন সময়েও আল্লাহর পথে বের হওয়ার আহ্বান। অর্থ ও প্রাণ দিয়ে ত্যাগের গুরুত্ব তুলে ধরা হয়েছে। ৭. সত্যবাদীদের মর্যাদা যারা আন্তরিকভাবে তওবা করে, আল্লাহ তাদের ক্ষমা করেন। আল্লাহ সত্যবাদীদের ভালোবাসেন। এই পারার মূল বিষয় চুক্তি রক্ষা মুনাফিক থেকে সতর্কতা তওবা আল্লাহর পথে ত্যাগ ঐক্য ও শৃঙ্খলা এই পারা শেখায় আনুগত্য ছাড়া শক্তি টিকে না বিশ্বাসঘাতকতা বড় অপরাধ কঠিন সময়েই ঈমানের পরীক্ষা হয় সত্য তওবা করলে ক্ষমা পাওয়া যায় সমাজকে বিভেদ থেকে রক্ষা করতে হবে এই পারা মুসলিম সমাজকে দৃঢ় নেতৃত্ব, আন্তরিকতা ও ত্যাগের মানসিকতা শেখায়। | |||
| Para/Juzz 09 - Quran: Only Bangla Translation | 27 Feb 2026 | 00:47:19 | |
পারা ৯ শুরু: সূরা আল-আ‘রাফ ৮৮ নম্বর আয়াত থেকে সূরা আল-আনফাল ৪০ নম্বর আয়াত পর্যন্ত এই পারায় বিভিন্ন নবীর দাওয়াত, তাদের জাতির অবাধ্যতা, শেষ পরিণতি এবং বদর যুদ্ধের শিক্ষা তুলে ধরা হয়েছে। সত্য ও মিথ্যার সংঘর্ষ এখানে স্পষ্টভাবে দেখা যায়। এই পারায় যা রয়েছে ১. শু‘আইব (আ.)-এর দাওয়াত শু‘আইব (আ.) তাঁর জাতিকে ওজন ও মাপে কম না দিতে বলেন। তারা অস্বীকার করলে শাস্তি আসে। ২. মূসা (আ.) ও ফেরাউন মূসা (আ.)-কে আল্লাহ ফেরাউনের কাছে পাঠান। ফেরাউন অহংকার করে এবং সত্য প্রত্যাখ্যান করে। বনি ইসরাইল মুক্তি পায়, ফেরাউন ধ্বংস হয়। ৩. তাওরাত প্রাপ্তি ও বনি ইসরাইলের অবাধ্যতা বনি ইসরাইল আল্লাহর নেয়ামত পেয়েও অনেক সময় অমান্য করে। মানুষকে শিক্ষা দেওয়া হয়েছে যেন নেয়ামতের কদর করে। ৪. সূরা আল-আনফালের শুরু বদর যুদ্ধের প্রেক্ষাপট আলোচনা করা হয়েছে। গণিমতের মাল বণ্টনের নিয়ম বলা হয়েছে। ৫. বদর যুদ্ধের শিক্ষা বদর যুদ্ধ-এ অল্প সংখ্যক মুসলিম আল্লাহর সাহায্যে বিজয়ী হয়। বিজয় আসে ঈমান, শৃঙ্খলা ও আল্লাহর উপর ভরসার মাধ্যমে। ৬. ঐক্য ও আনুগত্য আল্লাহ ও রাসুলের আনুগত্যের নির্দেশ এসেছে। অভ্যন্তরীণ বিভেদ দুর্বলতা তৈরি করে। এই পারার মূল বিষয় সত্যের দাওয়াত অহংকারের পরিণতি নেতৃত্ব ও আনুগত্য ঐক্য আল্লাহর সাহায্য এই পারা শেখায় ওজন ও মাপে অন্যায় বড় অপরাধ অহংকার মানুষকে ধ্বংস করে ঈমান থাকলে দুর্বলরাও জয়ী হয় আল্লাহর সাহায্য আসে ধৈর্য ও আনুগত্যের মাধ্যমে ভিতরের বিভেদ শক্তি নষ্ট করে এই পারা ইতিহাসের মাধ্যমে দেখায়, সত্য শেষ পর্যন্ত বিজয়ী হয়। | |||
| Para/Juzz 08 - Quran: Only Bangla Translation | 26 Feb 2026 | 00:47:33 | |
পারা ৮ শুরু: সূরা আল-আন‘আম ১১১ নম্বর আয়াত থেকে সূরা আল-আ‘রাফ ৮৭ নম্বর আয়াত পর্যন্ত এই পারায় তাওহীদ, রিসালাত, কুসংস্কার, হালাল-হারামের সঠিক মানদণ্ড এবং আগের নবীদের দাওয়াত ও তাদের জাতির প্রতিক্রিয়া তুলে ধরা হয়েছে। মানুষকে স্পষ্টভাবে শিরক থেকে দূরে থাকার আহ্বান দেওয়া হয়েছে। এই পারায় যা রয়েছে ১. জেদি অস্বীকারকারীদের স্বভাব প্রমাণ দেখানো হলেও অনেকেই সত্য মানতে চায় না। হেদায়েত আল্লাহর হাতে। ২. কুসংস্কার ও মনগড়া হারাম মুশরিকরা নিজেরা কিছু পশু ও ফসল হারাম ঘোষণা করত। আল্লাহ স্পষ্ট করেন, হালাল-হারামের বিধান একমাত্র তাঁর। ৩. নৈতিক নির্দেশনা পিতা-মাতার সঙ্গে সদ্ব্যবহার অন্যায় হত্যা নিষিদ্ধ অশ্লীল কাজ থেকে দূরে থাকা এতিমের সম্পদ রক্ষা ওজন ও মাপে ন্যায় করা ৪. ইবরাহিম (আ.)-এর তাওহীদ ইবরাহিম (আ.)-এর একত্ববাদী অবস্থান তুলে ধরা হয়েছে। তিনি শিরক থেকে সম্পূর্ণ দূরে ছিলেন। ৫. সূরা আল-আ‘রাফের শুরু কোরআনকে সতর্কবার্তা হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে। অনেক মানুষ অহংকারের কারণে সত্য প্রত্যাখ্যান করে। ৬. আদম (আ.) ও ইবলিস আদম (আ.)-এর সৃষ্টি এবং ইবলিসের অবাধ্যতার ঘটনা আবার উল্লেখ করা হয়েছে। শয়তান মানুষের প্রকাশ্য শত্রু। ৭. নূহ (আ.)-এর দাওয়াত নূহ (আ.) তাঁর জাতিকে এক আল্লাহর ইবাদতের আহ্বান জানান। তারা অস্বীকার করলে শাস্তি নেমে আসে। এই পারার মূল বিষয় তাওহীদ কুসংস্কারের বিরোধিতা নৈতিক জীবনব্যবস্থা শয়তানের প্রতারণা নবীদের দাওয়াত এই পারা শেখায় হালাল-হারাম নির্ধারণের অধিকার শুধু আল্লাহর অহংকার মানুষকে ধ্বংস করে শয়তান প্রকাশ্য শত্রু নৈতিকতা ঈমানের অংশ নবীদের ইতিহাস শিক্ষা দেয় এই পারা ঈমানকে শুদ্ধ করে এবং মানুষকে শিরক ও কুসংস্কার থেকে মুক্ত হওয়ার আহ্বান জানায়। | |||
| Para/Juzz 07 - Quran: Only Bangla Translation | 26 Feb 2026 | 00:50:05 | |
পারা ৭ শুরু: সূরা আল-মায়িদা ৮২ নম্বর আয়াত থেকে সূরা আল-আন‘আম ১১০ নম্বর আয়াত পর্যন্ত এই পারায় আহলে কিতাবের বিভিন্ন অবস্থান, হালাল-হারাম, কিয়ামতের জবাবদিহি এবং তাওহীদের স্পষ্ট আহ্বান তুলে ধরা হয়েছে। শেষে মুশরিকদের ভ্রান্ত বিশ্বাসের জবাব দেওয়া হয়েছে। এই পারায় যা রয়েছে ১. খ্রিস্টানদের কিছু নম্র অনুসারীর প্রশংসা খ্রিস্টানদের মধ্যে যারা সত্য গ্রহণে নম্র, তাদের কথা বলা হয়েছে। তারা কোরআন শুনে প্রভাবিত হয়। ২. কসম ও কাফফারা ভুল শপথের কাফফারার বিধান দেওয়া হয়েছে। শপথকে হালকা ভাবে নেওয়া নিষেধ। ৩. মদ ও জুয়া নিষিদ্ধ মদ, জুয়া, মূর্তি পূজা ও ভাগ্য নির্ধারণের তীর হারাম ঘোষণা করা হয়েছে। এসব শয়তানের কাজ বলে উল্লেখ করা হয়েছে। ৪. কিয়ামতের দিনে ঈসা (আ.) ঈসা (আ.)-কে কিয়ামতের দিনে প্রশ্ন করা হবে। তিনি স্পষ্ট করবেন যে তিনি কখনো নিজেকে উপাস্য বলেননি। ৫. সূরা আল-আন‘আমের শুরু আল্লাহর একত্ব ও সৃষ্টির নিদর্শন তুলে ধরা হয়েছে। মানুষের কৃতজ্ঞ না হওয়ার স্বভাব উল্লেখ করা হয়েছে। ৬. শিরক সম্পর্কে সতর্কতা মুশরিকদের ভিত্তিহীন বিশ্বাসের জবাব দেওয়া হয়েছে। আল্লাহর সাথে কাউকে শরিক করা সবচেয়ে বড় অন্যায়। ৭. নবীদের ধারাবাহিকতা নূহ, ইবরাহিম, ইসহাক, ইয়াকুব, দাউদসহ বহু নবীর নাম এসেছে। নূহ এবং ইবরাহিম (আ.)-এর তাওহীদের দাওয়াতের কথা উল্লেখ আছে। এই পারার মূল বিষয় তাওহীদ শিরকের বিরোধিতা হালাল-হারাম কিয়ামতের জবাবদিহি নবীদের দাওয়াত এই পারা শেখায় মদ ও জুয়া সমাজ ধ্বংস করে আল্লাহ এক, তাঁর কোনো শরিক নেই কিয়ামতের দিন প্রত্যেকে জবাব দেবে নবীদের পথই সত্য পথ ভ্রান্ত বিশ্বাস থেকে দূরে থাকতে হবে এই পারা ঈমানকে শক্ত করে এবং তাওহীদের ভিত্তি মজবুত করে। | |||
| Para/Juzz 06 - Quran: Only Bangla Translation | 26 Feb 2026 | 00:45:23 | |
পারা ৬ শুরু: সূরা আন-নিসা ১৪৮ নম্বর আয়াত থেকে সূরা আল-মায়িদার ৮১ নম্বর আয়াত পর্যন্ত এই পারায় ন্যায়বিচার, কপটতা, আহলে কিতাবের সঙ্গে সম্পর্ক, হালাল-হারাম এবং চুক্তি রক্ষার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। মুসলিম উম্মাহকে নৈতিক ও আইনভিত্তিক সমাজ গড়ার শিক্ষা এখানে স্পষ্ট। এই পারায় যা রয়েছে ১. গোপন কথা ও প্রকাশ্য কথা অন্যায় ছাড়া খারাপ কথা প্রকাশ না করার নির্দেশ এসেছে। আল্লাহ সবকিছু শোনেন ও জানেন। ২. ঈসা (আ.) সম্পর্কে সত্য ঈসা (আ.)-কে আল্লাহর রাসুল হিসেবে তুলে ধরা হয়েছে। তাঁকে আল্লাহর পুত্র বলা বা অতিরঞ্জন করা ভুল বলে ঘোষণা করা হয়েছে। ৩. আহলে কিতাবের সমালোচনা পূর্ববর্তী জাতির কিছু ভুল আচরণ উল্লেখ করা হয়েছে। তাদের মধ্যে যারা সত্যের পথে আছে তাদেরও স্বীকৃতি দেওয়া হয়েছে। ৪. সূরা আল-মায়িদার শুরু চুক্তি পূরণ করার কঠোর নির্দেশ এসেছে। হালাল ও হারামের বিধান স্পষ্ট করা হয়েছে। ৫. খাবারের বিধান কোন প্রাণী হালাল, কোনটি হারাম তা বলা হয়েছে। আল্লাহর নাম ছাড়া জবাই করা হারাম ঘোষণা করা হয়েছে। ৬. অজু ও পবিত্রতা নামাজের আগে অজুর নিয়ম বিস্তারিতভাবে বলা হয়েছে। তায়াম্মুমের বিধানও উল্লেখ করা হয়েছে। ৭. ন্যায়বিচারের নির্দেশ শত্রুর প্রতিও ন্যায় বজায় রাখতে বলা হয়েছে। ঘৃণা যেন অন্যায় আচরণে না নিয়ে যায়। ৮. বনি ইসরাইলের চুক্তিভঙ্গ বনি ইসরাইল-এর অঙ্গীকার ভঙ্গের ঘটনা এসেছে। শিক্ষা নেওয়ার আহ্বান জানানো হয়েছে। এই পারার মূল বিষয় চুক্তি রক্ষা ন্যায়বিচার তাওহীদের সঠিক আকীদা হালাল-হারামের সীমা নৈতিক শুদ্ধতা এই পারা শেখায় অন্যায় সমালোচনা থেকে দূরে থাকতে হবে আল্লাহ সম্পর্কে বাড়াবাড়ি করা যাবে না চুক্তি ভঙ্গ বড় অপরাধ পবিত্রতা ইবাদতের শর্ত শত্রুর সঙ্গেও ন্যায় করতে হবে এই পারা মুসলিমদের জন্য স্পষ্ট আইন, নৈতিকতা ও আকীদার ভিত্তি স্থাপন করে। | |||
| Para/Juzz 05 - Quran: Only Bangla Translation | 26 Feb 2026 | 00:46:28 | |
পারা ৫ শুরু: সূরা আন-নিসা ২৪ নম্বর আয়াত থেকে ১৪৭ নম্বর আয়াত পর্যন্ত এই পারায় পরিবার, সমাজ, ন্যায়বিচার, নামাজ, জিহাদ এবং মুনাফিকদের আচরণ নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা এসেছে। মুসলিম সমাজকে ন্যায়ভিত্তিক ও দায়িত্বশীল করার নির্দেশ এখানে স্পষ্ট। এই পারায় যা রয়েছে ১. বিবাহ ও পারিবারিক বিধান মহর নির্ধারণ, বৈধ সম্পর্ক এবং দাম্পত্য জীবনের নিয়ম আলোচনা করা হয়েছে। পরিবারকে পবিত্র ও সুরক্ষিত রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। ২. নারীদের অধিকার নারীর সম্পদের অধিকার নিশ্চিত করা হয়েছে। জোর করে সম্পদ নেওয়া নিষিদ্ধ করা হয়েছে। ৩. আমানত ও ন্যায়বিচার অমানত যথাযথ ব্যক্তির কাছে ফিরিয়ে দিতে বলা হয়েছে। বিচার করতে হবে ন্যায়ভাবে, পক্ষপাত ছাড়া। ৪. শাসন ও আনুগত্য আল্লাহ, রাসুল এবং দায়িত্বশীল নেতৃত্বের আনুগত্যের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। বিরোধ হলে আল্লাহ ও রাসুলের নির্দেশে ফিরে যেতে বলা হয়েছে। ৫. মুনাফিকদের স্বভাব মুনাফিকদের দ্বিমুখী আচরণ তুলে ধরা হয়েছে। তারা বাহ্যিকভাবে মুসলিম হলেও অন্তরে বিশ্বাসহীন। ৬. নামাজে শৃঙ্খলা ভয় বা যুদ্ধের পরিস্থিতিতেও নামাজ আদায়ের নিয়ম আলোচনা করা হয়েছে। ৭. জিহাদ ও আত্মত্যাগ অন্যায়ের বিরুদ্ধে সংগ্রাম করার উৎসাহ দেওয়া হয়েছে। আল্লাহর পথে শহীদদের মর্যাদা উল্লেখ করা হয়েছে। ৮. হিজরতের গুরুত্ব যারা ঈমান রক্ষায় হিজরত করে তাদের মর্যাদা তুলে ধরা হয়েছে। এই পারার মূল বিষয় ন্যায়বিচার ও আমানত পারিবারিক শুদ্ধতা নেতৃত্ব ও আনুগত্য মুনাফিক থেকে সতর্কতা আল্লাহর পথে সংগ্রাম এই পারা শেখায় ন্যায় প্রতিষ্ঠা ঈমানের অংশ পরিবার রক্ষা করা ফরজ দায়িত্ব দ্বিমুখী চরিত্র ধ্বংসের কারণ নামাজ কখনো ছেড়ে দেওয়া যাবে না সত্যের পক্ষে দাঁড়ানোই মুমিনের পরিচয় এই পারা মুসলিম সমাজকে শুদ্ধ আকীদা, সঠিক আইন এবং ন্যায়ভিত্তিক ব্যবস্থার দিকে পরিচালিত করে। | |||
| Para/Juzz 04 - Quran: Only Bangla Translation | 26 Feb 2026 | 00:49:26 | |
পারা ৪ শুরু: সূরা আলে ইমরানের ৯৩ নম্বর আয়াত থেকে সূরা আন-নিসার ২৩ নম্বর আয়াত পর্যন্ত এই পারায় ঈমান, ধৈর্য, উহুদ যুদ্ধের শিক্ষা এবং পরিবার ও নারীদের অধিকার নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। মুসলিম সমাজকে শুদ্ধ, ন্যায়ভিত্তিক ও শৃঙ্খলাপূর্ণ করার দিকনির্দেশনা এখানে স্পষ্ট। এই পারায় যা রয়েছে ১. কাবা ও হজের গুরুত্ব কাবা-কে প্রথম ঘর হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে। মানুষকে হজ আদায়ের আহ্বান জানানো হয়েছে। ২. ঐক্যের নির্দেশ মুমিনদের আল্লাহর রশি দৃঢ়ভাবে ধারণ করতে বলা হয়েছে। বিভক্ত না হওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। ৩. উহুদ যুদ্ধের শিক্ষা উহুদ যুদ্ধ-এর ঘটনা আলোচনা করা হয়েছে। অবাধ্যতার কারণে সাময়িক ক্ষতির কথা বলা হয়েছে। ধৈর্য ও শৃঙ্খলার গুরুত্ব তুলে ধরা হয়েছে। ৪. সুদ থেকে সতর্কবার্তা পুনরায় সুদের বিরুদ্ধে কঠোর সতর্কতা এসেছে। আল্লাহভীতি ও সফলতার সম্পর্ক ব্যাখ্যা করা হয়েছে। ৫. তাকওয়া ও ক্ষমা রাগ দমন, ক্ষমা করা এবং সৎকাজে এগিয়ে থাকার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। ৬. সূরা আন-নিসার শুরু নারীদের অধিকার ও মর্যাদা স্পষ্ট করা হয়েছে। এতিমদের সম্পদ রক্ষা করার নির্দেশ এসেছে। বিবাহ সম্পর্কিত কিছু বিধান দেওয়া হয়েছে। কোন সম্পর্কগুলোতে বিয়ে হারাম তা উল্লেখ করা হয়েছে। এই পারার মূল বিষয় ঐক্য ও শৃঙ্খলা যুদ্ধের শিক্ষা ও ধৈর্য তাকওয়া ও ক্ষমাশীলতা নারীর অধিকার পারিবারিক আইন এই পারা শেখায় আল্লাহর নির্দেশ অমান্য করলে ক্ষতি হয় ঐক্য শক্তির উৎস পরিবার সমাজের ভিত্তি নারী ও এতিমের অধিকার রক্ষা ফরজ দায়িত্ব তাকওয়া ছাড়া সফলতা নেই এই পারা মুসলিম সমাজকে আধ্যাত্মিক ও সামাজিকভাবে শক্ত ভিত্তির ওপর দাঁড় করাতে শিক্ষা দেয়। | |||
| Para/Juzz 03 - Quran: Only Bangla Translation | 26 Feb 2026 | 00:53:28 | |
পারা ৩ শুরু: সূরা আল-বাকারার ২৫৩ নম্বর আয়াত থেকে সূরা আলে ইমরানের ৯২ নম্বর আয়াত পর্যন্ত এই পারায় ঈমান, দান, সুদ, পরিবার আইন এবং উহুদের প্রেক্ষাপটের গুরুত্বপূর্ণ আলোচনা এসেছে। ব্যক্তি জীবন থেকে সমাজ ও রাষ্ট্রজীবন পর্যন্ত ইসলামের নির্দেশনা তুলে ধরা হয়েছে। এই পারায় যা রয়েছে ১. আয়াতুল কুরসি আল্লাহর মহত্ব, ক্ষমতা ও একত্ব স্পষ্টভাবে বর্ণনা করা হয়েছে। আল্লাহ সবকিছুর মালিক, তিনি সর্বজ্ঞ ও সর্বশক্তিমান। ২. দ্বীনে কোনো জবরদস্তি নেই মানুষকে স্পষ্ট করে জানানো হয়েছে যে সত্য পথ পরিষ্কার। হেদায়েত গ্রহণ করা ব্যক্তিগত সিদ্ধান্ত। ৩. ইবরাহিম (আ.) ও নমরুদের আলোচনা ইবরাহিম (আ.)-এর সাথে এক অহংকারী শাসকের তর্কের ঘটনা এসেছে। এখানে তাওহীদের শক্ত প্রমাণ তুলে ধরা হয়েছে। ৪. দান ও সদকার গুরুত্ব আল্লাহর পথে দান করলে বহুগুণ প্রতিদান দেওয়া হয়। রিয়া বা লোক দেখানো দান নিষিদ্ধ। দান হতে হবে নিঃস্বার্থ ও পবিত্র উপার্জন থেকে। ৫. সুদের নিষেধাজ্ঞা রিবা কঠোরভাবে হারাম ঘোষণা করা হয়েছে। সুদ সমাজে অন্যায় ও বৈষম্য তৈরি করে। ব্যবসা হালাল, সুদ হারাম। ৬. ঋণ লেনদেনের নিয়ম ঋণ লিখে রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। সাক্ষী রাখার কথা বলা হয়েছে। এটি কোরআনের সবচেয়ে দীর্ঘ আয়াতের অংশ। ৭. সূরা আলে ইমরানের শুরু আল্লাহর একত্ব, কিতাবের সত্যতা এবং পূর্ববর্তী কিতাবের উল্লেখ এসেছে। সত্য ও মিথ্যার পার্থক্য স্পষ্ট করা হয়েছে। ৮. বদর যুদ্ধের ইঙ্গিত অল্প সংখ্যক মুমিন কিভাবে আল্লাহর সাহায্যে বিজয়ী হয় তা তুলে ধরা হয়েছে। এই পারার মূল বিষয় আল্লাহর একত্ব ও ক্ষমতা সত্য গ্রহণের স্বাধীনতা অর্থনৈতিক ন্যায়বিচার সুদের ক্ষতি আল্লাহর পথে দান ঈমান ও ধৈর্যের ফলাফল এই পারা শেখায় আল্লাহর উপর পূর্ণ ভরসা রাখতে হবে অর্থ উপার্জন ও ব্যয়ে সততা জরুরি সুদ থেকে দূরে থাকতে হবে দান করলে সম্পদ কমে না ঈমান ও আনুগত্যই বিজয়ের চাবিকাঠি এই পারা ব্যক্তি ও সমাজ জীবনের অর্থনৈতিক ও আধ্যাত্মিক ভিত্তি শক্ত করে। | |||
| Para/Juzz 02 - Quran: Only Bangla Translation | 26 Feb 2026 | 00:52:16 | |
পারা ২ শুরু: সূরা আল-বাকারার ১৪২ নম্বর আয়াত থেকে ২৫২ নম্বর আয়াত পর্যন্ত এই পারায় মুসলিম উম্মাহর পরিচয়, দায়িত্ব এবং জীবনব্যবস্থা স্পষ্টভাবে তুলে ধরা হয়েছে। এখানে ইবাদত, সামাজিক আইন, জিহাদ, ধৈর্য এবং আল্লাহর পথে ত্যাগের কথা বলা হয়েছে। এই পারায় যা রয়েছে ১. কিবলা পরিবর্তনের পরবর্তী আলোচনা মুসলিম উম্মাহকে মধ্যমপন্থী জাতি বলা হয়েছে। উম্মাহর দায়িত্ব হলো সত্যের সাক্ষ্য দেওয়া। ২. সাফা-মারওয়া সাফা ও মারওয়া-এর মাঝে সায়ী করার কথা বলা হয়েছে। এটি আল্লাহর নিদর্শন হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে। ৩. কিসাসের বিধান হত্যার ক্ষেত্রে ন্যায়বিচারের আইন দেওয়া হয়েছে। ক্ষমা ও তাকওয়ার গুরুত্ব শেখানো হয়েছে। ৪. রোজার ফরজ হওয়া রমজানের রোজা ফরজ করা হয়েছে। রোজার উদ্দেশ্য হলো তাকওয়া অর্জন। ৫. দোয়া ও আল্লাহর নৈকট্য আল্লাহ বান্দার দোয়া শোনেন। বান্দাকে আল্লাহর ডাকে সাড়া দিতে বলা হয়েছে। ৬. হজের বিধান হজ ও উমরাহর নিয়ম তুলে ধরা হয়েছে। তাকওয়া হলো হজের মূল শিক্ষা। ৭. জিহাদ ও আত্মরক্ষা অন্যায় আক্রমণের বিরুদ্ধে লড়াইয়ের অনুমতি দেওয়া হয়েছে। সীমা লঙ্ঘন না করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। ৮. তালুত ও জালুতের ঘটনা তালুত এবং জালুত-এর যুদ্ধের ঘটনা এসেছে। এখানে ছোট দল বড় শক্তির ওপর বিজয় লাভ করে আল্লাহর সাহায্যে। এই পারার মূল বিষয় উম্মাহর পরিচয় ইবাদতের বিধান সামাজিক ন্যায়বিচার আল্লাহর পথে ত্যাগ তাকওয়া ও ধৈর্য এই পারা শেখায় ইবাদত শুধু ব্যক্তিগত নয়, সামাজিক দায়িত্বও আছে আল্লাহর আদেশ মানাই সফলতার পথ ধৈর্য ও ঈমান থাকলে ছোট শক্তিও বিজয়ী হয় তাকওয়া জীবনের প্রতিটি ক্ষেত্রে প্রয়োজন এই পারা মুসলিম সমাজের ভিত্তি শক্ত করে এবং একটি পূর্ণাঙ্গ জীবনব্যবস্থা তুলে ধরে। | |||
| Para/Juzz 01 - Quran: Only Bangla Translation | 26 Feb 2026 | 00:49:13 | |
পারা ১ শুরু: সূরা আল-ফাতিহা থেকে সূরা আল-বাকারার ১৪১ নম্বর আয়াত পর্যন্ত এই পারা কোরআনের সূচনা। এখানে মানুষকে সঠিক পথের দিকনির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। ঈমান, হেদায়েত, ইবাদত এবং মানবজাতির ইতিহাসের গুরুত্বপূর্ণ শিক্ষা তুলে ধরা হয়েছে। এই পারায় যা রয়েছে ১. সূরা আল-ফাতিহা কোরআনের প্রথম সূরা। এটি দোয়া। এখানে আল্লাহর প্রশংসা, দয়া, বিচার দিবস এবং সরল পথের প্রার্থনা করা হয়েছে। মানুষ আল্লাহর কাছে হেদায়েত চায়। ২. সূরা আল-বাকারার শুরু অংশ এই অংশে কোরআনকে হেদায়েতের কিতাব হিসেবে পরিচয় করানো হয়েছে। মানুষকে তিন ভাগে ভাগ করা হয়েছে মুমিন কাফির মুনাফিক ৩. আদম (আ.)-এর সৃষ্টি আদম-এর সৃষ্টি, ফেরেশতাদের সিজদা এবং ইবলিসের অবাধ্যতার ঘটনা। মানুষের মর্যাদা এবং শয়তানের শত্রুতার কথা বলা হয়েছে। ৪. বনি ইসরাইলের ইতিহাস বনি ইসরাইল-কে দেওয়া নেয়ামত, তাদের অবাধ্যতা এবং আল্লাহর সঙ্গে তাদের অঙ্গীকারের কথা আলোচনা করা হয়েছে। মানুষকে শিক্ষা দেওয়া হয়েছে যেন তারা আগের জাতির ভুল না করে। ৫. কিবলা পরিবর্তন মুসলমানদের নামাজের দিক পরিবর্তনের নির্দেশ আসে। এটি ছিল একটি পরীক্ষা। কে আল্লাহর আদেশ মানে আর কে মানে না তা বোঝানো হয়েছে। ৬. ইবরাহিম (আ.)-এর দোয়া ও ত্যাগ কাবা নির্মাণ, তাঁর ইমান ও আনুগত্যের শিক্ষা তুলে ধরা হয়েছে। তাঁর জীবনকে আদর্শ হিসেবে দেখানো হয়েছে। এই পারার মূল বিষয় হেদায়েতের গুরুত্ব ঈমান ও কুফরের পার্থক্য আল্লাহর আনুগত্য ইতিহাস থেকে শিক্ষা উম্মাহ হিসেবে দায়িত্ব এই পারা আমাদের শেখায় সঠিক পথ চাইতে হবে আল্লাহর নির্দেশ মানতে হবে অহংকার ও অবাধ্যতা থেকে দূরে থাকতে হবে ইতিহাসের ভুল থেকে শিক্ষা নিতে হবে এটি কোরআনের ভিত্তি স্থাপন করে। পরবর্তী পারাগুলোর জন্য মানসিক প্রস্তুতি তৈরি করে। | |||