Back

Explore every episode of the podcast Arijit’s Bengali Poetry Book- কবিতার খাতা

Dive into the complete episode list for Arijit’s Bengali Poetry Book- কবিতার খাতা. Each episode is cataloged with detailed descriptions, making it easy to find and explore specific topics. Keep track of all episodes from your favorite podcast and never miss a moment of insightful content.

Rows per page:

1–50 of 70

TitlePub. DateDuration
ভিক্ষাপাত্র I সাদিয়া নাজিব I অরিজিৎ বনিক31 May 202600:02:09

ভিক্ষাপাত্র 

সাদিয়া নাজিব 


ব্যাকরণের বাইরে একটি প্রেম করবো।

মুঠোফোনে রাত বিরাতে প্রেমের তুমুল টেক্সট আদান প্রদানের নয়।

আমি মতিঝিলের অফিস পাড়া থেকে ঘর্মাক্ত শরীরে

বাসে বাদুড় ঝুলা হয়ে উড়ে উড়ে যাব 

মিরপুর দশ নম্বর গোল চক্করের ডান দিকের মোড়ের চায়ের দোকানে

যেখানে তুমি একদিন বসেছিলে! 

কাঙাল হয়ে খুঁজবো তোমার ছোঁয়া লাগা সেই বেঞ্চিটি।

আর সব প্রেমিকের মতো, তোমাকে ফুল উপহার দেবো না প্রিয়তমা! 

আমার মানিব্যাগে ফুল কেনার পয়সা থাকে না

ঘাসফুল বা বুনো ফুল যে দেবো

তার ও কোনো উপায় নেই

ঢাকা শহরের মাটি- কোথায় যে ঘাস হবে! 

আমি নিজ হাতে, সাদা কাগজে মনের রংতুলি দিয়ে এঁকে দেবো পৃথিবীর শ্রেষ্ঠ ফুল,

'ভালোবাসা'।

তুমি কি তার ঘ্রাণ নেবে!

ব্যাকরণসিদ্ধ কোনো পথই আমার অনুকূল নয়

আমার বুকে যে বসন্তের রঙ

চোখে যে অপার জলরাশি

তাতে কি তুমি একটি বার ভাসাবে তোমার ভেলা!

এসো না এই রাজভিখারীর কাছে

ভিক্ষাপাত্র পেতে আছি তোমার দুয়ারে!

মাঝে মাঝে লোডশেডিং I পূর্ণেন্দু পত্রী I অরিজিৎ বনিক05 Apr 202600:01:45

"মাঝে মাঝে লোডশেডিং"

(হে সময় অশ্বারোহী হও) 

– পূর্ণেন্দু পত্রী  


মাঝে মাঝে লোডশেডিং হোক।

আকাশে জ্বলুক শুধু ঈশ্বরের সাতকোটি চোখ

বাকী সব আলকাতরা মাখুক।

আমরা নিমগ্ন হয়ে নিজস্ব চশমায় আর দেখি না কিছুই

সকলে যা দেখে তাই দেখি।

আকাশের রঙ তাই হয়ে গেছে চিরকালে নীল।

বাতাস কি শাড়ি পরে কারো জানা নেই।


মাঝে মাঝে লোডশেডিং হোক।

সাদা মোমবাতি জ্বেলে

তোমাকে সম্পূর্ণ করে দেখি।

নারীকে বাহান্ন তীর্থ বলেছে শুনেছি এক কবি।

আমি তার গর্ভগৃহ, সরু সিড়ি, সোনার আসন

চন্দনবটিতে থাকে কতটা চন্দন

দেখে গুনে গুনে মেপে দেখে

তবেই পাতাবো মৌরীফুল।

Sesh Premer Kobita I Tarapada Roy I Arijit Banik21 Jan 202600:01:05

শেষ প্রেমের কবিতা

-তারাপদ রায়

দেরি হলো,

তোমারো কিছুটা দেরি হলো,

আমারো কিছুটা দেরি হলো,

তা হোক, তুমি তো জানো

এর চেয়ে আরো ছাড়াছাড়ি,

এর চেয়ে আরো দেরি মানুষের হয়।

অতএব যদি পারো

একবার শেষবার এসো।

হাত ধরাধরি করে এসো গান গাই

বসি ওই দীঘির সিঁড়িতে।

এসো স্বপ্ন, রাজহাঁস, বকুলের মালা

এতদিন পরে,

একবার শেষবার এসো।

Ek Jonmo I Tarapada Roy I Arijit Banik20 Jan 202600:00:53

এক জন্ম

-তারাপদ রায়

অনেকদিন দেখা হবে না ৷

তারপর একদিন দেখা হবে ।

দু'জনেই দু'জনকে বলবো,

‘অনেকদিন দেখা হয়নি ।'

এইভাবে যাবে দিনের পর দিন

বৎসরের পর বৎসর।

তারপর একদিন হয়তো জানা যাবে

হয়তো জানা যাবে না,

যে

তোমার সঙ্গে আমার

অথবা

আমার সঙ্গে তোমার

'আর দেখা হবে না ।


Amader Sorbonash Hoye Gechhe I Atrapada Roy I Arijit Banik19 Jan 202600:01:02

আমাদের সর্বনাশ হয়ে গেছে

তারাপদ রায়

আমরা যে গাছটিকে কৃষ্ণচূড়া ভেবেছিলাম,

যার উদ্দেশে ধ্রুপদী বিন্যাসে কয়েক অচ্ছেদ

প্রশস্তি লিখেছিলাম,

গতকাল বলাইবাব, বললেন, 'ঐটি বানরলাঠি গাছ। '

অ্যালসেশিয়ান ভেবে যে সারমেয় শাবকটিকে

আমরা তিনমাস বকলস পরিয়ে মাংস খাওয়ালাম

ক্রমশ তার থে কিভাব প্রকট হয়ে উঠছে।

আমরা টের পাইনি

আমাদের ঝর্ণাকলম করে ডট পেন হয়ে গেছে

আমাদের বড়বাব, কবে হেড অ্যাসিস্ট্যান্ট হয়ে গেছেন

আমাদের বাবা কবে বাপি হয়ে গেছেন।

আমরা বুঝতে পারিনি

আমাদের সর্বনাশ হয়ে গেছে।

Jaai Bolei Jaoa Hoena I Tarapada Roy I Arijit Banik18 Jan 202600:01:25

‘যাই’ বললেই যাওয়া হয় না।

মা বলতেন, ‘যাই নয়, বলো আসি।’

কাল সকালেই ঝিরঝির বৃষ্টির ভিতরে

ওই কথাই আরেকবার লিখেছি।

একদিন পরে এখন মনে হচ্ছে,

‘আসি’ বললেই কি আসা হয় !

‘আসি-আসি’ করে কতবার যে

চৌকাঠ পর্যন্ত এসে আটকিয়ে গেছি।

‘যাই-যাই’ করেও কোথাও যাওয়া হয়নি।

দিনের পর দিন এসেছে, গিয়েছে।

আমার আসা যাওয়ার দিন শেষ,

এখন শুধু ঝিরঝির বৃষ্টি ভেতরে...

Etai Sotti, Etai Prapti I Angan Das I Arijit Banik05 Jan 202600:00:41

এটাই সত্যি, এটাই প্রাপ্তি

অঙ্গন দাস


পৃথিবীতে যত কলম আছে

তত আগ্নেয়াস্ত্র নেই।

পৃথিবীতে যত মানুষ কলম ধরবার জন্য জন্মেছে এবং জন্মাবে,

আগ্নেয়াস্ত্র ধরবার জন্য তত মানুষ আগেও জন্মায়নি, আর

জন্মাবে না কখনও।

এটাই সত্যি, এটাই প্রাপ্তি পৃথিবীর।


উচ্চারণ - অরিজিৎ বনিক

Upohar I Jashobant Basu I Arijit Banik29 Dec 202500:01:38

উপহার

য শো ব ন্তু ব সু

মেয়েটি ছেড়ে যাচ্ছে ছেলেটিকে। উলোঝুলো

বাউন্ডুলে প্রেমিক তার ফিক্সড ডিপোজিট নয়। ছেড়ে

যাচ্ছে ভুবনডাঙা, খোয়াই, জ্যোৎস্নাযাপন, নির্জন

পথ আর যা-কিছু পাগলামির ইতিবৃত্ত। তার পরবর্তী

গন্তব্যে সুরক্ষিত ভাবীকাল। বরটি সুপুরুষ, আবার

যথেষ্ট প্রেমিকও।

ও ছেলে, পাগল-পাগল লাগছে খুব? কষ্ট ছাপিয়ে

উঠছে কান্না? কান্না শুকিয়ে রাগ, হিংসা, হননেচ্ছা?

তুমি কি প্রতিশোধ ভাবছ? ছুরি বা অ্যাসিড? ছিঃ

বিক্রম! হিংসা ও হানাহানি বিস্তর দেখে ফেলেছে

পৃথিবী। তুমুল ভালবাসার কথা ভাবো। একথালা

শিউলিফুল রেখে এসো মেয়েটির ঘুম-ভাঙা সকালে।

তার সুগন্ধি হাওয়ায় বলে এসো, ভালবাসাই

শুধু থেকে যায় সমস্ত অত্যাচার, দ্রোহ কিংবা

অগ্ন্যুৎপাতের পরেও।

Tomar Jonno Bhabina | Nirendranath Chakraborty | Arijit Banik18 Oct 202500:02:00

তোমার জন্য ভাবি না

নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী


তুমি তোমার ছেলেকে

অহোরাত্রি অসংখ্য মিথ্যার বিষ

গিলিয়েছো ।

শৈশবে সে হাসেনি,

কেননা

সমবয়সীদের সে শত্রু বলে জানত ।

যৌবনে সে নারীকে ভালোবাসেনি,

কেননা নারীকে সে নরক বলে জানে ।

ধীরে ধীরে সেই অকালবার্ধক্যের দিকে সে এখন

এগিয়ে যাচ্ছে,

চুলগুলিকে যা সাদা করে দেয়,

কিন্তু

চিত্তের মালিন্য যা মোচন করতে পারে না ।


তোমার জন্য আমার কোন ভাবনা নেই,

কিন্তু তোমার ছেলের জন্য আমার বড় দুঃখ হয় ।


তুমি তোমার মেয়েকে

অহোরাত্রি অসংখ্য কুৎসার কালি

গিলিয়েছ ।

শৈশবে সে ফুল কুড়ায়নি,

কেননা সে শুনেছিল,

প্রত্যেকটা গাছেই আছে একানড়ের বাসা ।

যৌবনে জানালা দিয়ে বাতাস বয়ে যায়নি

কেননা প্রতিবেশীর পুত্রকে সে লম্পট বলে জানে ।

ধীরে ধীরে সে এখন সেই দিকে এগিয়ে যাচ্ছে,

যেখানে

দুপুরগুলি বিকেলের মত বেদনাবিদ্ধ, আর

বিকেলগুলি রাত্রির মত অন্ধকার ।


তোমার জন্য আমার কো্নো ভাবনা নেই,

কিন্তু তোমার মেয়ের জন্য আমার বড় দুঃখ হয় ।

Ei Abelae I Narendranath Chakraborty I Arijit Banik11 Oct 202500:01:13

এই অবেলায়- নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তীওই যে গোলাপ দুলছে, ওটাগোলাপ না আগুন, ঠিক বুঝতে পারিনা ।এগিয়ে গিয়ে পিছিয়ে আসি,ভাবতে থাকি ধরব কি না।ভাবতে থাকি, ঠিক কতবারফুলের বনে ভুল দেখেছি।ভরদুপুরে গোলাপ ভেবেঅগ্নিশিখায় হাত রেখেছি।গোলাপ, তুমি গোলাপ তো ঠিক?হও যদি সেই আগুন, তবেএই অবেলায় ফুলের খেলায়ফের যে আমায় পুড়তে হবে।

Nabhikabyo | Sunil Gangulee09 Oct 202500:02:21

নাভি কাব্য

-- সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়


এখন আকছার খুব সহজেই মেয়েদের নাভি দেখা যায়

মুখ বা দুটি বুকের আগেই নাভির দিকে চোখ পড়ে

তকতকে পলিমাটির মতন পেট, মাঝখানে অর্ধলুপ্ত চাঁদ যে

মন কালিদাসের আমলের নিম্ননাভি সমস্ত তন্বীর

তারপর বহু যুগ ধরে প্রচণ্ড ঢাকাঢুকি

যত কাব্য শুধু চোখ আর ওষ্ঠাধর নিয়ে

তাও বোরখা পরা মুসলমান মেয়েদের ঠোঁট বা চিবুকের ডৌলও

দেখা যায়নি

কদাচিৎ দুটি তীব্র চোখ

ওদের কবিরা গোটা মধ্যযুগ ধরে কী নিয়ে কাব্য রচেছে?

আমি অনধিকারী, কিন্তু গোপন চিন্তা তো কেউ রোধ করতে পারে না!


এই তো গত এক দশক ধরে সাগরপারে তরুণী মেমরা

ভারতীয় নর্তকীদের কাছ থেকে নাভি খুলে রাখতে শিখেছে

এখন চতুর্দিকে শুধু নাভি, নাচটাচ জানার দরকার নেই

প্রত্যেকটি নাভির মধ্যে রয়েছে একটি মৃণাল

পুরুষ নতজানু হয়ে বসে জাগাতে চায় কুলকুণ্ডলিনী

ফুটে ওঠে একটি সহস্রদল পদ্ম

বস্তুত কোনো নারী যদি খুব কাছে, কাছের থেকেও কাছে,

হিমালয় পাহাড়কে আড়াল করে দাঁড়ায়

তখন সেই পদ্মের সুগন্ধ পুরুষটিকে নিয়ে যায় জন্মের মুহূর্তে


মেয়েরা এসব কিছুই জানে না

না জানাই ভালো!


(কাব্যগ্রন্থ : যার যা হারিয়ে গেছে)

Snan | Joy Goswami | স্নান | জয় গোস্বামী 08 Oct 202500:02:57

সংকোচে জানাই আজ: একবার মুগ্ধ হতে চাই ।

তাকিয়েছি দূর থেকে। এতদিন প্রকাশ্যে বলিনি।

এতদিন সাহস ছিল না কোনো ঝর্ণাজলে লুণ্ঠিত হবার

আজ দেখি অবগাহনের কাল পেরিয়ে চলেছি দিনে দিনে ...

...জানি, পুরুষের কাছে দস্যুতাই প্রত্যাশা করেছো।

তোমাকে ফুলের দেশে নিয়ে যাবে ব'লে যে-প্রেমিক

ফেলে রেখে গেছে পথে, জানি, তার মিথ্যে বাগদান

হাড়ের মালার মতো এখনো জড়িয়ে রাখো চুলে।

আজ যদি বলি, সেই মালার কঙ্কালগ্রন্থি আমি

ছিন্ন করবার জন্য অধিকার চাইতে এসেছি? যদি বলি

আমি সে-পুরুষ, দ্যাখো, যার জন্য তুমি এতকাল

অক্ষত রেখেছো ওই রোমাঞ্চিত যমুনা তোমার?

—

শোনো, আমি রাত্রিচর। আমি এই সভ্যতার কাছে

এখনো গোপন ক'রে রেখেছি আমার দগ্ধ ডানা;

সমস্ত যৌবন ধ'রে ব্যধিঘোর কাটেনি আমার। আমি একা

দেখেছি ফুলের জন্ম মৃতের শয্যার পাশে বসে,

জন্মান্ধ মেয়েকে আমি জ্যোস্নার ধারণা দেব ব'লে

এখনো রাত্রির এই মরুভুমি জাগিয়ে রেখেছি।


দ্যাখো, সেই মরুরাত্রি চোখ থেকে চোখে আজ পাঠালো

সংকেত -

যদি বুঝে থাকো তবে একবার মুগ্ধ করো বধির কবিকে;

সে যদি সংকোচ করে, তবে লোকসমক্ষে দাঁড়িয়ে

তাকে অন্ধ করো, তার দগ্ধ চোখে ঢেলে দাও অসমাপ্ত চুম্বন

তোমার...

পৃথিবী দেখুক, এই তীব্র সূর্যের সামনে তুমি

সভ্য পথচারীদের আগুনে স্তম্ভিত ক'রে রেখে

উন্মাদ কবির সঙ্গে স্নান করছো প্রকাশ্য ঝর্ণায়।


স্নান

-জয় গোস্বামী

আমি সম্ভবত খুব ছোট্ট কিছুর জন্যে । হুমায়ুন আজাদ । অরিজিৎ বনিক09 Jul 202500:01:41

চারিদিকে এত প্রাচুর্যে আমরা ভুলে যাই জীবনের কত সুন্দর মুহূর্ত গুলো আমরা অনুভব করতে পারি না…


হুমায়ুন বাবু পেরেছেন!

IIngregi I Subodh Sarkar I Arijit Banik07 Jul 202500:02:14

ইংরেজি

বহু অপমান সহ্য করে ইংরেজি শিখতে হয়েছিল মেয়েটিকে।

যার সঙ্গে বিয়ে হল, প্রথম ছ'মাস সে কিচ্ছু বলেনি

কিন্তু অফিসের পার্টি থেকে বেরিয়ে

রাত বারাটায় সে বলল, 'এখনও তোমার

on, of, at এগুলো ঠিক হল না।

মিসেস ভৌমিক হাসছিলেন।

মেয়েটি কোনও কথা বলেনি।

ছ'মাস বাদে গল্ফ ক্লাবের পার্টি,

কিন্তু মেয়েটি স্পষ্ট বাংলায় বলল, আমি যাব না

শুম হয়ে তার স্বামী চলে গেল একা।

ছ'মাস বাদে ক্যালকাটা ক্লাব

বিভূতিভূষণের উপন্যাস থেকে সে চোখ তুলে বলল, যাব না

ge

স্বামী রাগে জলন্ত সিগারেট চেপে ধরল

মেয়েটির পিঠে।

ছ'মাস বাদে এক সন্ধেবেলায় তার স্বামী

অনিন্দিতা নামে একটি মেয়েকে নিয়ে বাড়ি ফিরল

মেয়েটি একটাও বাংলা বলল না

ঝিঙেপোস্ত নিয়ে ঝরঝর করে ইংরেজি বলে গেল।

ছ'মাস বাদে যখন আর একটা পার্টি এসে গেল

বাড়ি ছেড়ে মেয়েটি পালাল

ছোট্ট চিঠি : আমি চললাম

যতদিন না, on, of, at ঠিক হচ্ছে কা

ততদিন বাড়ি ফিরব না ।

মেয়েটির সঙ্গে এরপর দেখা হলে বলতাম

ইংরেজরাই এখনো on, of, at নিয়ে কী করবে

ঠিক করতে পারল না

আর তুমি তো কোন ছার।

চলো বাড়ি ফিরে চলো।

Kusthabyadhi I Kayes Ahmed I Arijit Banik22 Jun 202500:03:57

কুষ্ঠব্যাধি - কায়েস আহমেদ



কই যাও চন্দ্রমোহন?

তোমার ক্ষ্যাত, তোমার পুষ্কুন্নী, তোমার

আম-জাম, কাঠাঁল, কলা, নারকেল ঘেরা

বাড়ি, উঠোন্ম হলুদ গাঁদা, নীল

সন্ধ্যামালতি, বাঁধানো তুলসী মঞ্চ,

গোয়াল ঘর, তোমার রাজ্যপাট

কালাইয়া রাইতের আন্ধারে

কই যাও? ক্যান

যাইতে হয়!


বক্কেশর পন্ডিতের কথা মনে পড়ে ?

দ্বাপর যুগ সমাপ্ত হইলে প্রজাপতি

ব্রক্ষ্মার পৃষ্ঠদেশে অধম্যের জন্ম হইল।

মিথ্যা হইল অধর্মের সহধর্মিনী।

দম্ভ তাহাদের পুত্র। দম্ভ আপন

সহোদরা মায়াকে বিবাহ করিল এবং

তাহাদের লোভ নামে এক পুত্র

জন্মগ্রহন করিল। লোভও

ভগিনীগমন করে, ফলত তাহাদের

ক্রোধ নামে এক পুত্র এবং হিংসা

নাম্নী এক কন্যার জন্ম হয়


মনে পড়ে চন্দ্রমোহন? বক্কেশর পন্ডিত

সেই কোনকালে চিতাখোলার ছাই

হইয়া পঞ্চভূতে মিশ্যা গেছে। কথা

মিশে নাই। মুনি ঋষিগো বাণী তো

জগতে রইয়া যায়।দম্ভ আর

মায়ার বিয়া আইজও হয়, লোভ

নামের পুত্রের জন্মও কেউ ঠেকাইতে

পারে না ।


তাই তো চন্দ্রমোহন।; রাইতের আন্ধারে

চৌদ্দ পরুষের ভিটা ছাইড়া নদীর

জলে চক্ষের জল মিশাইয়া নির্বাসনে

যাইতে হয়। ভাইস্যা যায়গো নদীর

জলে প্রতিমা ভাইস্যা যায়।


বড় দুঃখ চন্দ্রমোহন, বড় কষ্ট!

তবু মাটির বড় মায়া। রাইত নাই

দিন নাই মাথার ভিতরে বুকের ভিতরে

খালি পাড় ভাঙ্গে। নদী খালি

কল-কল-কল-কল কইরা বইয়া যায়।


চন্দ্রমোহন, মনে পড়ে আশ্বিন মাসের সেই পূজা!

ভরা বর্ষার আন্ধারে রাইতে মাঠ বিল

ভইরা লন্ঠনের আলো। কালো কালো

মানুষের হাতে ট্যাটা আর কোচ।

মাছ, জলের জিন বড় তড়পায়।

আহারে মাছ। সেই নদী মনে পড়ে

চন্দ্রমোহন? বর্ষার নদী। আশ্বিনের

নদী। কাশবন। শিতের পিঠা।

নবান্ন।মনে পড়ে।


তবে, কই যাও চন্দ্রমোহন? রাইতের আন্ধারে

রাজ্যপাঠ ছাইড়া কোন নির্বাসনে

যাও নদীর জলে চক্ষের জল মিশাইয়া।


চন্দ্রমোহন, ইংরাজ গেল, কিন্তু

তোমারে ক্যান নির্বাসনে যাইতে অয়।

দ্যাশ অইলো জননী। জননী ক্যান

সন্তান বিসর্জন দেয়।

’৭১ এর যুদ্ধের কথা মনে

পড়ে? মানুষের কি কষ্ট!

প্রাণের কি মায়া। লাখো লাখো

মানুষ। রক্ত। আগুন। ভয়।

কান্না। দীর্ঘশ্বাস!অতঃপর

স্বাধীন হইলো দ্যাশ। হাইরে স্বাধীন!


আমরা য্যান কোনো রাক্ষসের প্যাটের

মইদ্যে আছি। আমাগো চোখ,

নাই। শরীর নাই। কেবল

মাংসের তাল।হিংসা আর

লোভের তাল।


চন্দ্রমোহন, এখনো এতকিছুর

পরও ক্যান নিজের শিকড়ে টান

পড়ে। এখনো ক্যান নিজের শিকড়ে টান

পড়ে। এখনো ক্যান সন্ত্রস্ত

থাকতে হয় সদা, দ্যাশ তো স্বাধীন।

তবুও ক্যান তুমি হও ভীত।

কেবল এই জন্যে যে- তোমার

নাম চন্দ্রমোহন।


Soiniker Diary I Sebanti Ghosh I Arijit Banik19 Jun 202500:03:54

সেবন্তী ঘোষ । সৈনিকের ডায়েরিযুদ্ধ আমাদের কি শেখাল?—প্রতিদিন জীবন থেকে পিছিয়ে আসা?—যেভাবেমার্চপাস্ট আর ব্যারাকের জীবনে সমকাম আসে?—যেভাবে সীমান্ত নামেশূন্যতায় ঈশ্বরের দিকে বন্দুক উঁচিয়ে থাকে?— যেভাবে উন্মাদগ্রস্ত গুলি ছুটিয়েদেয় যে কারোর দিকে?একটু একটু করে বরফের নিচে রাত নেমে আসে, এমন আঁধারে পরস্পরকেচেনা যায় না, চিনতে চায়ও না। মর্ষকাম আর রুটি যেখানে অসার্থক, সেখানে কীকেউ কারো বন্ধু হতে পারে ?মুছে দেওয়া যেতে পারে কাল্পনিক রেখা। ভিজে শ্লেটে যেমন হালকা চক লেগেথাকে, কিছুতেই আমরা ভুলতে পারি না সীমান্ত নামে অশ্লীল শব্দটিকে। কেজানে ওপারেও কেউ শ্লেট মুছছে কি না?মেয়েরা এখানে টাটকা রুটির মতো। সিনেমায় যেমন দেখি প্রেম আর বারুদ যেনপাশাপাশি এখানে অপর্যাপ্ত রেশন, গ্রীষ্মের কঠিন বরফে হস্তমৈথুনেও সুখ নেই।হাতের তালুতে দাঁড়িয়ে পিঁপড়ে যেমন আদিগন্ত মাঠ দেখে, আমরাও বরফেরমধ্যে দেশ খুঁজি, বদলে ইয়েতির মতো ভূতেরা আসে, শহরে ফেরার পরআমাদের মাথা খারাপ হয়ে যায়।আমার কাছে দেশ মানে এক লোকের পাশে অন্য লোকঠিক যেখানে দিনের শুরু...ঠিক যেখানে দিনের শুরু অন্ধ কালো রাত্রি শেষমন যতদূর চাইছে যেতে ঠিক ততদূর আমার দেশঠিক যেখানে দিনের শুরু অন্ধ কালো রাত্রি শেষমন যতদূর চাইছে যেতে ঠিক ততদূর আমার দেশএই কাটাতার জঙ্গী বিমান এই পতাকা রাষ্ট্র নয়দেশ মানে বুক আকাশ জোড়া ইচ্ছে হাজার সূর্যোদয়এই কাটাতার জঙ্গী বিমান এই পতাকা রাষ্ট্র নয়দেশ মানে বুক আকাশ জোড়া ইচ্ছে হাজার সূর্যোদয়..................এ মানচিত্র জ্বলছে জ্বলুক এই দাবানল পোড়াক চোখআমার কাছে দেশ মানে এক লোকের পাশে অন্য লোকএ মানচিত্র জ্বলছে জ্বলুক এই দাবানল পোড়াক চোখআমার কাছে দেশ মানে এক লোকের পাশে অন্য লোক........ঠিক যেখানে দিনের শুরু...ঠিক যেখানে দিনের শুরু অন্ধ কালো রাত্রি শেষমন যতদূর চাইছে যেতে ঠিক ততদূর আমার দেশ..............#kobita #bangla_kobita #abritti #Bengali_Poetry #abritti #আবৃত্তি #kobita_bangla #কবিতা #কবিতা_আবৃত্তি #বোহেমিয়ান #stopwar #bengalirecitation #audiostorybengali#ArijitBanik উচ্চারন - অরিজিৎ বনিকRecitation - Arijit Banik

Baker Bhai I Humayun Ahmed I Arijit Banik17 Jun 202500:04:43

নুর ভাই গ্রেফতার আজ☝🏾আজ, নাটকের পর্দা থেকে বাস্তবের এক নির্মম মঞ্চে দাঁড়িয়ে আছি আমরা। বাকের ভাই, যিনি ছিলেন আমাদের সাহস, আমাদের প্রতিবাদের প্রতীক, তার বাস্তব রূপ নুর ভাই আজ বন্দী। জীবনের এমন পরিহাস, যেখানে একসময় একটি চরিত্রের জন্য মানুষ রাস্তায় নেমেছিল, আজ হয়তো সেই বাস্তব নায়কের জন্য আর কেউ নামবে না। কিন্তু স্মৃতি থেকে মুছে ফেলা যায় না সেই মানুষটিকে, যিনি আমাদের হৃদয়ে এক অভূতপূর্ব ভালোবাসা আর সাহস বুনেছিলেন।যে চরিত্রটি ছিল একসময় কল্পনা, আজ তার জীবনের গল্প হয়ে উঠেছে বাস্তবের এক তীব্র সত্য। জীবনের এই নির্মম সত্যের মাঝে দাঁড়িয়ে আজ এই কবিতার কথা খুব মনে পড়ছে। মনে হচ্ছে, এই শব্দগুলোই সবচেয়ে ভালোভাবে প্রকাশ করবে আমাদের মনের গভীরতম অনুভূতি।মুনাকে লিখা বাকের ভাইয়ের শেষ চিঠি!যদিও ছিলো মাত্র একটা নাটক কিন্তু আজও মুনার কথা মনে পড়লে খারাপ লাগে!এই চিঠির আবেগ একমাত্র তারাই বুঝতে পারবে যারা বাকের ভাই চরিত্রটা চিনে,"কোথাও কেউ নেই" নাটকটি দেখেছে।প্রিয় মুনা, কেমন আছো? আমিও ভালো আছি। ইহকালে নামায-রোজা তেমন রাখি নাই!রমজান মাসেও লুকাইয়া লুকাইয়া চা-বিড়ি খাইছি!সুযোগ পাইলেই এরে ওরে হালকা মালিশ কইরা দিছি। কিন্তু আমি ম/রার পর তুমি নাকি দুই হাত তুইলা ম/রা কান্না কান্দো? যদিও Excess crying is very bad! কিন্তু তোমার দোয়া বড় সাংঘাতিক! ইহকালে টর্চার কইরা আসলেও পরকালে কেউ আমারে টর্চার করতেছে না। তুমি এতো কান্দো ক্যান মুনা? এবার একটা বিয়া করো,সংসার করো। তোমারে কইছিলাম না?মাইরে ভিটামিন আছে। মাইরে কোন ভিটামিন নাই মুনা,ভিটামিন আছে প্রেমে,সংসারে! ফাঁ/সি নিয়া আমার তেমন কোন দুঃখ নাই। অন্য কাউরে খু/ন না করলেও, তোমার মন রে আমি খু/ন করছি। Mind Murder, Big Murder! আগে বুঝি নাই মুনা।তোমারে স্নেহ কইরা একটা আবদার করি;এই দুনিয়া বড় উত্তম জায়গা, বাকেরের চিন্তা করার মতো ফালতু কাজ এইখানে মানায় না। যহন ছিলাম, তহন ছিলাম,এহন তো নাই! না থাকা জিনিস আর কতদিন সাজায় রাখবা, মুনা! ভুইলা যাওয়ার ফার্স্ট স্টেপ হইল পারডন করা! মেয়ে লোক সব পারে, কিন্তু সহজে পারডন করতে পারেনা৷ আমারে তুমি পারডন কইরো মুনা! " হাওয়া মে উড়তা যায়ে" গান না গাইয়া, একটা লাল দোপাট্টার মতন আমারে তুমি উড়ায়া দিও মুনা। আমারে তুমি উড়ায়া দিও! ইতি,বাকের ভাইলেখা: হুমায়ূন আহমেদ🌼ছবি:সংগৃহীত

Ei Abelae I Narendranath Chakraborty I Arijit Banik17 Jun 202500:03:47

কবিতা - এই অবেলায়

নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী

ওই যে গোলাপ দুলছে, ও কি
ফুল না আগুন, ঠিক বুঝি না।


এগিয়ে গিয়ে পিছিয়ে আসি,
ভাবতে থাকি ধরব কি না।

ভাবতে থাকি, ঠিক কতবার
ফুলের বনে ভুল দেখেছি।


ভরদুপুরে গোলাপ ভেবে
অগ্নিশিখায় হাত রেখেছি।

গোলাপ, তুমি গোলাপ তো ঠিক?


হও যদি সেই আগুন, তবে
এই অবেলায় ফুলের খেলায়
ফের যে আমায় পুড়তে হবে।

#kobita #bangla_kobita #abritti #Bengali_Poetry #abritti #আবৃত্তি #kobita_bangla #কবিতা #কবিতা_আবৃত্তি #বোহেমিয়ান

Sorbohara Abiswasee I Sunil Gangulee I Arijit Banik11 Jun 202500:02:41

সর্বহারা অবিশ্বাসী


আমার ঘনিষ্ঠ বন্ধুর স্ত্রী, বেশ সেজেগুজে এসেছে 

কিন্তু আমাদের সঙ্গে খেতে বসবে না

আজ তার নীলষষ্ঠী

যৌবন বয়েসে এই নিয়ে কত না চটুল রঙ্গ করতাম 

এখন শুধু একটা পাতলা হাসি,

অন্যের বিশ্বাসে নাকি আঘাত দিতে নেই

আর এক বন্ধু, যে প্রথম আমায় ছাত্র রাজনীতিতে টেনেছিল 

তার আঙুলে দেখি একটা নতুন পাথর-বসানো আংটি

আমার কুঞ্চিত ভুরু দেখে সে দুর্বল গলায় বলল 

শরীরটা ভালো যাচ্ছে না, 

তাই শাশুড়ি এটা পরতে বললেন, মুনস্টোন

না বলা যায় না 

আমার মনে হল, এ যেন আমারই নিজস্ব পরাজয়!


শ্রদ্ধেয় অধ্যাপকের বাড়ি, মাঝে মাঝে যাই তাঁর আলাপচারী শুনতে 

এখনও কত কিছু শেখার আছে 

আজই প্রথম দেখলাম, তাঁর দরজায় পেছন দিকে, 

গণেশের মূর্তি আটকানো

প্রশ্ন করিনি, তিনি নিজেই জানালেন, 

দক্ষিণ ভারত থেকে ছেলে এনেছে, কী দারুণ কাজ না? 

সুন্দর মূর্তির স্থান শো-কেসের বদলে দরজার ওপরে কেন 

বলিনি সে কথা, সেই ফক্কুড়ির বয়েস আর নেই

বয়েস হয়েছে তাই হেরে যাচ্ছি, অনবরত হেরে যাচ্ছি

অন্যের বিশ্বাসে আঘাত দিতে নেই, অন্যের বিশ্বাসে আঘাত দিতে নেই 

চতুর্দিকে এত বিশ্বাস, দিন দিন বেড়ে যাচ্ছে কত রকম বিশ্বাস 

যে গেরুয়াবাদী ঠিক করেছে, পরধর্মের শিশুর রক্ত

গড়াবে মাটিতে, চাটবে কুকুরে

সেটাও তার দৃঢ় বিশ্বাস 

ধর্মের যে ধ্বজাধারী মনে করে, মেয়েরা গান গাইলে গলার নলি

কেটে দেওয়া হবে 

টেনিস খেলতে চাইলেও পরতে হবে বোরখা 

সেটাও তার দৃঢ় বিশ্বাস 

যে পেটে বোমা বেঁধে যাচ্ছে ধ্বংসের দিকে

যে পেশি ফুলিয়ে, দেঁতো হাসি হেসে

পদানত করতে চাইছে গোটা বিশ্বকে

এরা সবাই তো বিশ্বাসীর দল

সবাই বিশ্বাসী, বিশ্বাসী, বিশ্বাসী…


এক একবার ভাঙা গলায় বলতে ইচ্ছে করে

অবিশ্বাসীর দল জাগো 

দুনিয়ার সর্বহারা অবিশ্বাসীরা এক হও!

Rasta Karo Ekar Noe I Birendra Chattopadhyay I Arijit Banik11 Jun 202500:02:08

রাস্তা কারও একার নয়

-বীরেন্দ্র চট্টোপাধ‍্যায়

ধর্ম যখন বিজ্ঞানকে বলে রাস্তা ছাড়ো!’ বিজ্ঞান কি রাস্তা ছেড়ে দেয়? পোপের ভয়ে দেশান্তরী হয়েছিলেন লিওনার্দো দা ভিঞ্চি। সারাদিন একটা অন্ধকার ঘরের মধ্যে পায়চারি করতেন গ্যালিলিও গ্যালিলেই ; তাঁকে পাহাড়া দেবার জন্য বসে থাকতো একজন ধর্মের পেয়াদা, যার চোখের পাতা বাতাসেও নড়তোনা। বিজ্ঞান কি তখন থেমে ছিল? তীর্থের পাণ্ডাদের হই হই, তাদের লাল চোখ কি পেরেছিল পৃথিকে বেঞ্চের উপর দাঁড় করিয়ে, সূর্যকে তার চারদিকে ওঠবোস করাতে? ধর্ম যতদিন দুঃখী মানুষকে বেঁচে থাকার সাহস দেয়, ততদিন রাস্তা নিয়ে কারও সঙ্গে তার ঝগড়া থাকে না। রাস্তা কারও একার নয়। বরং তাকেই একদিন রাস্তা ছাড়তে হয়, যার স্পর্ধা আকাশ  ছুঁয়ে যায়। বিজ্ঞান যখন প্রেমের গান ভুলে ভাড়াটে জল্লাদের পোশাক গায়ে চাপায়, আর রাজনীতির বাদশারা পয়সা দিয়ে তার ইজ্জত কিনে নেয়, আর তার গলা থেকেও ধর্মের ষাঁড়েদের মতােই কর্কশ আদেশ শোনা যায় : ‘রাস্তা ছাড়ো! নইলে – পৃথিবীর কালো সাদা হলুদ মানুষের গান, তাদের স্বপ্ন এক মুহূর্ত সেই চিঙ্কার শুনে থমকে তাকায়।তারপর যার যেদিকে রাস্তা, সেদিকে মুখ করেই তারা সামনে, আরও সামনের দিকে এগিয়ে যায়।কেউ কারোকে রাস্তা ছেড়ে দেয় না, যতদিন এই পৃথিবীতে গান থাকে, গানের মানুষ থাকে, স্বপ্ন থাকে..#kobita #bangla_kobita #abritti #Bengali_Poetry #abritti #আবৃত্তি #kobita_bangla #কবিতা #কবিতা_আবৃত্তি #বোহেমিয়ান #bengalirecitation #audiostorybengali#ArijitBanik

উচ্চারন - অরিজিৎ বনিকRecitation - Arijit Banik

Ekekdin Khub Dukkho Hoe I Tarapada Roy I Arijit Banik09 Jun 202500:01:20

একেক দিন খুব দুঃখ হয়তারাপদ রায়একেক দিন হাতে কোন পয়সা নেই বলেখুব দুঃখ হয়,চারপাশে সবাইকে কেমন সচ্ছল মনে হয়।একেক দিন শরীর ভালো নেই বলেখুব দুঃখ হয়,চারপাশে সবাইকে কেমন সহজ, সুস্থ মনে হয়।একেক দিন ভালোবাসার জন্যে দুঃখ হয়।একেক দিন ভালো না বাসার জন্যে দুঃখ হয়।একেক দিন কোন বন্ধু নেই বলে,একেক দিন কোন শত্রু নেই বলে,একেক দিন প্রশংসা শুনিনি তাই,নিন্দাও শুনিনি তাই,একেক দিন খুব দুঃখ হয়।

Se I Broto Chakraborty I Arijit Banik05 Jun 202500:02:52

সে ব্রত চক্রবর্তী অনেকদিন পরে দেখা। আমার প্রথম ভালবাসা। এখন অন্যের গৃহিণী হয়েছে।কাহিনী খুব মামুলী, যা দিয়ে আমার নিজস্ব খরচে রিল চারেকের একটাতথ্যচিত্রও হবে না। আমি যখন ওকে ভালোবাসতে শুরু করলুম, তখন ও অন্যএকজনকে তুমুলভাবে ভালোবাসছে। বিয়ে করল তাকেই। তারপর এই দেখা।কবিতা ও ছবির প্রদর্শনী একটি বাড়িতে, আমন্ত্রিতদের মধ্যে আমিও একজন।কবিতার সঙ্গে ছবি (কবিতার বিষয় নিয়ে) এ প্রসঙ্গে বক্তব্য রাখছিলুম। মুখভুলে হঠাৎ দেখি কয়েকহাত দূরে শ্রোতাদের মধ্যে ও বসে আছে আমার দিকেচেয়ে। লোভ নয়, রাগ-ক্ষোভ নয়, দুঃখ বা হাহাকার নয়, ওকে দেখে অদ্ভুতএক প্রশান্তি ছড়িয়ে পড়ল শরীর মনে। ক'বছর আগে কত জরুরী কথা ছিলওর সঙ্গে, সকাল বিকাল তখন ওর জন্যই রাশি রাশি কথা জন্ম নিত আমারভেতর। আর এখন 'ভালো থেকো' দুটি শব্দ উচ্চারণ করেই, ফের মনোযোগীহয়ে পড়লুম বক্তৃতায়। শ্রোতারা অপেক্ষা করে আছে। বক্তৃতা শেষ করে উঠেআসার সময় আমার হঠাৎ মনে হল, ভালোবাসা ফুরিয়ে গেলেও যা থাকে,তা আসলে একধরণের ভালোবাসাই। শেষেরটাও নদী, তবে জোয়ারের নয়,ভাটার।উচ্চারণ- অরিজিৎ বনিক

হিমযুগ I সুনীল গঙ্গোপাধ্যায় I অরিজিৎ বনিক02 Mar 202500:04:21

হিমযুগসুনীল গঙ্গোপাধ্যায় শরীরের যুদ্ধ থেকে বহুদূর চলে গিয়ে ফিরে আসি শরীরের কাছেকথা দিয়েছিলে তুমি উদাসীন সঙ্গম শেখাবে...শিশিরে ধুয়েছো বুক, কোমল জ্যোৎস্নার মতো যোনিমধুকূপী ঘাসের মতন রোম, কিছুটা খয়েরিকথা দিয়েছিলে তুমি উদাসীন সঙ্গম শেখাবে।আমার নিশ্বাস পড়ে দ্রুত, বড়ো ঘাম হয়, মুখে আসে স্তুতি নিেকথা দিয়েছিলে তুমি উদাসীন সঙ্গম শেখাবে-নয় ক্রুদ্ধ যুদ্ধ, ঠোঁটে রক্ত, জঙ্ঘার উত্থান, নয় ভালোবাসাভালোবাসা চলে যায় একমাস সতেরো দিন পরঅথযা বৎসর কাটে, যুগ, তবু সভ্যতা রয়েছে আজও তেমনি বর্বরতুমি হও নদীর গর্ভের মতো গভীরতা, ঠাণ্ডা, দেবদূতীকথা দিয়েছিলে তুমি উদাসীন সঙ্গম শেখাবে।মৃত শহরের পাশে জেগে উঠে দেখি আমি প্লেগ, পরমাণুকিছু নয়,স্বপ্ন অপছন্দ হলে পুনরায় দেখাবার নিয়ম হয়েছেমানুষ গিয়েছে মরে, মানুষ রয়েছে আজও বেঁচেভুল স্বপ্নে ; শিশিরে ধুয়েছো বুক, কোমল জ্যোৎস্নার মতো যোনিতুমি কথা দিয়েছিলে...এবার তোমার কাছে হয়েছি নিঃশেষে নতজানুকথা রাখো! নয় রক্তে অম্বক্ষুর, স্তনে দাঁত, বাঘের আঁচড় কিংবাউরুর শীৎকারমোহমুদ্গরের মতো পাছা আর দুলিও না, তুমি হৃদয় ও শরীরের ভাষ্যনও, বেশ্যা নও, তুমি শেষবারপৃথিবীর মুক্তি চেয়েছিলে, মুক্তি, হিমযুগ, কথা দিয়েছিলে তুমিউদাসীন সঙ্গম শেখাবে ৷৷উচ্চারন - অরিজিৎ বনিক

আত্মীয়তা বাঘের মতন I প্রবালকুমার বসু I অরিজিৎ বনিক02 Mar 202500:03:16

আত্মীয়তা বাঘের মতনপ্রবালকুমার বসুআমার কোনও আত্মীয় নেই, কিন্তু অনেকের সঙ্গেই রয়েছে জানাশোনাএদের কেউ কেউ আমার আত্মীয় হতে পারতকেউ কেউ আত্মীয় বলে দাবিও করেআমি সব সময়ই এদেরকে বোঝাতে চেয়েছিজানাশোনা থাকলেই যে আত্মীয় হবেবা আত্মীয় হলেই যে জানাশোনা থাকবেএমন কোনও সরলরৈখিক জ্যামিতি মেনেসম্পর্ক নির্ধারিত হয় নাযেমন কোনও নদী সঙ্গে নিয়ে আসবে জোয়ারকোনও নদী চলতে চলতে কখন যাবে হারিয়েতার যেমন কোনও পাটিগণিত হয় নাতেমন আত্মীয়তারও নির্দিষ্ট সংজ্ঞা বলে কিছু নেইতবু কেউ কেউ কাউকে কাউকে ভাবে আত্মীয়আরও কেউ কেউ আরও কাউকে কাউকে ভাবে আত্মীয়ের অধিককেউ কেউ ভাবে কারও কারও সঙ্গে রয়েছে জানাশোনাকারও কারও জানাশোনা থেকে তৈরি হয় আত্মীয়তাকারও কারও কুকুর বেড়ালের সঙ্গে আত্মীয়তা হয়কারও কারও কাঠবিড়ালী বা খরগোশের সঙ্গেকারও কারও জানাশোনা পাশাপাশি দীর্ঘদিন থেকে যাওয়াদুটো গ্যালাক্সির মতনকেউ কারও দিকে একটুও এগিয়ে আসতে পারে নাআমার অনেক জানাশোনা সত্ত্বেওআত্মীয়ের মতন কাউকে দেখলে সতর্ক হয়ে পড়িআমার দীর্ঘ অভিজ্ঞতায় দেখেছিআত্মীয়তা বাঘের মতন,একবার ধরলে না-খেয়ে ছাড়বে না Kinship, Like a Tiger Prabal Kumar BasuI have no relatives, but I know many people. Some of them could have been my kin. Some even claim they are. I’ve always tried to make them understand: Just because you know someone Doesn’t mean they’re kin, And being kin doesn’t guarantee knowing. No straight-line geometry Maps out our relationships.Just as a river might bring the tide, Another may slip away while flowing— There’s no set arithmetic to that. Likewise, there’s no fixed definition Of kinship. Yet some consider certain people kin, Others cherish some as more than kin, Still others believe they merely know someone— And sometimes, from that knowing, kinship grows.Some find kinship with dogs or cats, Others with squirrels or rabbits. Some acquaintances stay side by side forever Like two galaxies, Unable to move any closer.Despite my many acquaintances, I grow cautious when I sense someone acting like kin. From long experience, I have learned: Kinship is like a tiger— Once it seizes you, It will never let you go unfed.#kobitastatus #bangla_kobita #abritti #Bengali_Poetry #abritti #আবৃত্তি #kobita_bangla #কবিতা #কবিতা_আবৃত্তি #artprocess #bengalirecitation#ArijitBanik উচ্চারন - অরিজিৎ বনিকRecitation - Arijit Banik

Kurchi I Buddhadeb Guha I Arijit Banik I কুর্চিকে পৃথু'দার চিঠি I বুদ্ধদেব গুহর 'মাধুকরী' উপন্যাস থেকে পাঠ I কণ্ঠ ও নির্মাণ: অরিজিৎ 25 Feb 202500:06:50

"কুর্চি,

তোমার চিঠি হঠাৎ এই শীতের সকালে এক রাশ উষ্ণতা বয়ে আনলো। পাতা ঝরে যাচ্ছে সামনের শালবনে। বিবাগী হচ্ছে ভোগী। রিক্ততার দিন আসছে সামনে। এরই মধ্যে তোমার চিঠি যৌবনের দুতীর মতো; এলো এক ঝাঁক টিয়ার উল্লাসী সমবেত সবুজ চিৎকারের মতো। দুর্বোধ্য আপাত। কর্কশ শব্দমঞ্জরীও কী দারুন মুগ্ধতা বয়ে আনে কখনো কখনো, কী দারুন ভাবে সঞ্জীবিত করতে পারে অন্যকে।

তাই নয়?

তার মানে এই নয় যে- তোমার চিঠি দুর্বোধ্য। উপমার খুঁত ক্ষমা করে দিও।

কেমন আছ তুমি? জানতে চাইলেও জানতে পাই কই?


সকাল থেকেই তোমাকে আজ খুব সুন্দর একটা চিঠি লিখতে ইচ্ছে করছিল। ঘুম ভাঙ্গার পর থেকেই তোমার কথা মনে পড়ছিল খুবই। আজকে ঘুম ভাঙ্গলো বড় এক চমকে। এক জোড়া পাখির ডাকে ঘুম ভাঙ্গলো। যে পাখিদের ডাক বড় একটা শুনিনি এদিকে। কম্বল ছেড়ে দৌড়ে বাইরে গিয়ে দেখি- এক জোড়া স্কারলেট মিনি-ভেট এসে বসেছে আম গাছের মাথায়। আমার ঘুম ভাঙ্গা নিয়ে পাখিরা। আহা! রোজই যদি আসতো। আর তারপরই তোমার এই চিঠি। দিন আজকে ভালো যাবে আমার।

বলছিলাম যে, সকাল থেকেই তোমাকে সুন্দর একটি চিঠি লিখবো ভাবছিলাম। কিন্তু সুন্দর সুখের যা কিছু ইচ্ছা তা দমন করার মধ্যেও বোধহয় এক ধরনের গভীরতর সুখ নিহীত থাকে। থাকে না?


আজ চিঠি লিখবোনা তোমাকে। তার বদলে একটি স্বপ্নহার পাঠাচ্ছি, লেখক কবি না। তবুও তার নাম গোপন থাক। কল্পনা করেই খুব লাগছে যে, তুমি আমার চিঠি কোলে নিয়ে বসে আছ, জানালার পাশে। যে মানুষটি তোমার মিষ্টি-গন্ধ কোলের গন্ধ পায়নি কখনও, পাবেও না কোনদিন, তার চিঠি সেই পরশে গর্বিত হয়ে উঠেছে যে, এই ভেবেই কত সুখ।


কি যে দেখেছিলাম তোমার ঐ মুখটিতে কুর্চি। এত যুগ ধরে কত মুখইতো দেখলো এই পোড়া চোখ দু’টি। কিন্তু, কিন্তু এমন করে আর কোনো মুখ’এইতো আমার সর্বস্বকে চুম্বকের মত আকর্ষণ করেনি। ভালো না বাসলেই ছিল ভালো। বড় কষ্টগো ভালোবাসায়। ভালো তো কাউকে পরিকল্পনা করে বাসা যায় না। ভালোবাসা হয়ে যায়, ঘটে যায়। এই ঘটনার ঘটার অনেক আগের থেকেই মনের মধ্যে প্রেম পোকা কুরতে থাকে। তারপর হঠাত’ই এক সকালে এই দুঃখ সুখের ব্যাধি দূরারোগ্য ক্যান্সারের মতই ধরা পড়ে। তখন আর কিছুই করার থাকে না। অমোঘ পরিণতির জন্যে অশেষ যন্ত্রনার সংগে শুধু নীরব অপেক্ষা তখন।


কেউই যেনো কাউকে ভালো না বাসে। জীবনের সব প্রাপ্তিকে এ যে অপ্রাপ্তিতেই গড়িয়ে দেয়। তার সব কিছুই হঠাৎ মূল্যহীন হয়ে পরে। যাকে ভালবাসে তাকে নইলে তার আমিত্বই অনস্তিত্বে পৌঁছায়। হুঁশ থাকলে এমন মুর্খামি কেউ কি করে? বল? সেই জন্যই বোধহয় হুঁশিয়ারি মানুষদের কপালে ভালবাসা জোটে না। যারা হারাবার ভয় করে না কিছুতেই, একমাত্র তারাই ভালবেসে সব হারাতে পারে। অথবা, অন্য দিক দিয়ে দেখলে মনে হয়, যা-কিছুই সে পেয়েছিল বা তার ছিল; সেই সমস্ত কিছুকেই অর্থবাহী করে তোলে ভালবাসা। যে ভালবাসেনি, তার জীবনও বৃথা!

তবুও… বড় কষ্ট ভালবাসায়!


কুর্চি দেখি কি করতে পারি তোমাদের সাথে বেড়াতে যাবার। ইচ্ছে তো কত কিছুই করে। এই জীবনে ক’টি ইচ্ছে পূর্ণ হলো বলো? কারই’বা হয়? এমনিতে আমার অনেক কষ্ট। এমন করে ডাক পাঠিয়ে আর কষ্ট বাড়িওনা। একা একা মজা করতেও বিবেকে লাগে। যার বিবেক বেঁচে থাকে, তার সুখ মরে যায়। সুখী হবার সহজ উপায় বিবেকহীন হওয়া। বিবেক বিবশ হলেই বাঁচি।

ভালো থেকো,


তোমার পৃথু দা"

(মাধুকরী)


কুর্চিকে পৃথু'দার চিঠি - বুদ্ধদেব গুহর 'মাধুকরী' উপন্যাস থেকে পাঠ

উপন্যাসঃ মাধুকরী 

রচনা: বুদ্ধদেব গুহ 

কণ্ঠ ও নির্মাণ: অরিজিৎ 

DebiJonmo I Mandakranta Sen I Arijit Banik23 Nov 202400:01:39

দেবীজন্ম - মন্দাক্রান্তা সেন যে ছেলেটি আমার মনের মতো নয় সে যদি আমার বুকে মাথা রাখে, বুক খসে যাবে ? ভেবেছি অনেক বার, তবু, সে যখন কাছে আসে, পাগলের মতো শুধু ছুঁতে চায় মুহূর্তের প্রেমে, আমারও কেমন লাগে। আমি জানি। এইসব কষ্ট জানি। ছোঁওয়া জানি। ছুঁতে চেয়ে থেঁৎলে যাওয়া জানি। যখন ইষৎ দূরে বসে থাকে আমার মনের মতো ছেলে, আমি তো এমনই করি, মাথা খুঁড়ি পাথরে, শরীরে! সে কবে আদর করবে, শুরু হবে মানুষ জন্মের ততদিন---প্রেম নয়, আমি কোনও করুণার দেবী . . .

Purono Sapath I Sadat Hossain I #কবিতা #কবিতা_আবৃত্তি #NilanjanaChakraborty #ArijitBanik30 Sep 202400:01:14

#kobita #bangla_kobita #abritti #Bengali_Poetry #abritti #আবৃত্তি #kobita_bangla ছবি - নীলাঞ্জনা চক্রবর্তী উচ্চারন - অরিজিৎ বনিক

Ami Jotokhani Apnare Paoner Liga I Arif Hossain I #কবিতা_আবৃত্তি #NilanjanaChakraborty #ArijitBanik29 Sep 202400:03:23

#kobita #bangla_kobita #abritti #Bengali_Poetry #abritti #আবৃত্তি #kobita_bangla ছবি - নীলাঞ্জনা চক্রবর্তী উচ্চারন - অরিজিৎ বনিক

Nijer Kachhe Phera I Sadat Hossain I Nilanjana Chakraborty I Arijit Banik I28 Sep 202400:02:07

ছবি - নীলাঞ্জনা চক্রবর্তী উচ্চারন - অরিজিৎ বনিক নিজের কাছে ফেরা কতকাল ভালোবাসা হয় না নিজেকে ! অথচ যে মানুষটা উধাও হলো একলা রেখে, তার জন্য বুকের ভেতর কান্না জমে, রাত্রি জানে ঘুম জমে না চোখের পাতায়, যন্ত্রণাতে! কই, এই আমি তো আমায় ছেড়ে যাই নি কোথাও! দুঃখ দিই নি ! ওই যে মানুষ দুঃখ দিল, ভাসিয়ে দিল অথৈ জলে। যার জন্য হৃদয় জানল, বিষাদ ছাড়া চোখের কোনো ভাষা হয় না । কান্না ছাড়া এই জনমে ভালোবাসা হয় না। তার জন্য তবু কেন বুক ভাঙল ? গভীর রাতে গহিন কোথাও কুহক ডাকল! এবার খানিক সময় পেলে গুছিয়ে নেব। কান্না এবং হাসিটুকু নিজের থাকবে। নিজের জন্য মেঘ থাকবে, রোদ থাকবে। উদাস দুপুর, পদ্মপুকুর নিমগ্নতায় চুপ থাকবে । ইচ্ছেমতো এই আমাকেই ভালোবাসব। ভালো বাসতে বাসতে অন্য মানুষ, আজ কতকাল ভালোবাসা হয় না নিজেকে! আর কতকাল, দুঃখ এবং দহন পুষব ভালোবাসতে ? এবার আমি ভালোবাসব এই আমাকে । আর কতকাল, অনুভূতির মৃত্যু হবে, বুকের কোনার হিমঘরেতে সারি সারি কফিন থাকবে! এবার তবে অন্ধকারে আলো জ্বলুক, বলুক হৃদয়—মেঘলা দুচোখ আলোয় ভাসতে, অনেকটা পথ হেঁটে এসে শিখব এবার সত্যি সত্যি ভালোবাসতে!

Songsar I Swapnil Chakraborty I Padmamouliswar Aditya I Arijit Banik I Nilanjana chakraborty I27 Sep 202400:02:54

Sketch - Nilanjana Chakraborty Vocal - Padmamouliswar Aditya Recitation - Arijit Banik কন্ঠ - পদ্মমৌলিশ্বর আদিত্য ছবি - নীলাঞ্জনা চক্রবর্তী উচ্চারন - অরিজিৎ বনিক আমি চাইতাম প্রতিদিন অন্তত দশ মিনিটের জন্য আমাদের দেখা হোক, মাঠ পেরিয়ে হাত ধরাধরি করে অন্তত একবার রেললাইন পার হতে হবে,বৃষ্টিতে ভিজতে হবে,রাত জেগে ফোনে কথা বলতে হবে। তুমি চেয়েছিলে আমাদের একটা সংসার হোক, ছোট্ট রান্নাঘর, শোবার ঘরে দক্ষিনের জানালা, বিকেল বেলায় জানালায় চোখ এলিয়ে আড়াইশো গ্রাম হলুদ,এক কেজি পেয়াঁজ,চারটে ডিমের ফর্দ লেখা । তোমার চাওয়া দেখে আমিও বিপ্লবী হয়ে গেলাম, কিছু একটা করতে হবে বলে রেসের ঘোড়ার মতো ছুটতে লাগলাম। ছুটতে ছুটতে আমি এখন অনেক দূরে, আমার আশেপাশে তোমাকে খুঁজে পাচ্ছিনা কোথাও তুমিও এখন দিব্যি অন্য কারো সংসার সাজাচ্ছো,নিঃশ্বাস ফেলার জো নেই। মাঝে মাঝে তোমার শহরে দমকা হাওয়ার সাথে বৃষ্টি আসে, আমার ঘরের ইলেকট্রিসিটিও চলে যায় তখন, চোখে জল না আসলেও দুজনেরই কান্না পায়,বুক ভাঙে, আমরা টের পাই,ছোট্ট একটা সংসার বুকের ভেতরেও সাজানো থাকে। সংসার © স্বপ্নীল চক্রবর্ত্তী

Prosthan I Swapnil Chakraborty I Nilanjana Chakraborty I Padmamouliswar Aditya I Arijit Banik I26 Sep 202400:03:11

Sketch - Nilanjana Chakraborty Recitation - Arijit Banik Vocal - Padmamouliswar Aditya ছবি - নীলাঞ্জনা চক্রবর্তী উচ্চারন - অরিজিৎ বনিক কন্ঠ- পদ্মমৌলিশ্বর আদিত্য ছেড়ে চলে যাচ্ছো? যাও। ছেড়ে চলে যেতে নির্দিষ্ট কোনো কারনের দরকার হয় না,জানি। কিন্তু একসাথে দুজনেরই যেদিন ঘর বাধার অসুখ হয়েছিলো? সে অসুখটা সারিয়ে দিয়ে যাও। ছেড়ে যাচ্ছো যাও, আটকানোর আমি কে? কিন্তু যেদিন দিব্যি দিয়েছিলে, আমাকে ছেড়ে চলে যাওয়ার আগে যেনো তোমার মৃত্যু হয়? না না,তোমার মৃত্যু হোক আমি চাইছিনা,তুমি শুধু যাওয়ার আগে ওই দিব্যিটা ফিরিয়ে নিয়ে যাও। চলে যাচ্ছো যাও,যেতে বারণ করবোনা,করলেও তুমি শুনবে কেনো? শুধু আমাকে তোমার সাথে কাটানো সব সকাল দুপুর রাতের স্মৃতি ভুলিয়ে দিয়ে যাও। ছেড়ে চলে যাও, যাওয়ার আগে আমার দেয়া সবকটা চিঠি,আমার জেগে থাকা রাত, ধার করা ঘুম, একুশটা চুমু ফিরিয়ে দিয়ে যাও । ছেড়ে চলে যাবে? যাও । তোমাকে কখনো ঘৃণা না করেই বাঁচতে পারবো এমন কোনো ছোট্ট একটা কারণ বলে যাও। ছেড়ে তুমি চলে যেতেই পারো ; বুকের ভেতর শব্দ হলে হোক, চোখের শ্রাবণ মাসে কার কী আসে যায়; তুমি শুধু তোমার বলা সত্যি কথার মতো মিথ্যেগুলোকে অবিশ্বাস করা শিখিয়ে দিয়ে যাও। ছেড়ে চলে যাবে,যাও; পায়ের শব্দে চাপা পড়ে যাক অযুত-নিযুত দীর্ঘশ্বাস, তুমি শুধু আমার নেওয়া প্রতিটি দীর্ঘশ্বাসে তোমাকে আগলে রাখার অভিশাপ দিয়ে যাও। প্রস্থান © স্বপ্নীল চক্রবর্ত্তী

PROSTHANER PARABORTITE I S CHAKRABORTY I NILANJANA CHAKRABORTY I PADMAMOULISWAR ADITYA IARIJIT BANIK25 Sep 202400:02:41

Sketch - Nilanjana Chakraborty Recitation - Arijit Banik Vocal - Padmamouliswar Aditya ছবি - নীলাঞ্জনা চক্রবর্তী উচ্চারন - অরিজিৎ বনিক কন্ঠ- পদ্মমৌলিশ্বর আদিত্য তুমি যখন ছেড়ে চলে যাচ্ছিলে,আমার বারবার মনে হচ্ছিলো তোমাকে ভুলে যাওয়ার চাইতে সহজ কিছু আর এই পৃথিবীতে নেই, অথচ ঘরে ফেরার পর দেখলাম আমার পুরো পৃথিবীটাকেই তুমি সাথে করে নিয়ে গেছো; তুমি ছেড়ে চলে যাওয়ার পর আমার ছাদের ছোট্টো বাগানটায় কখনো নয়নতারা ফোটেনি, দক্ষিনের জানালা দিয়ে রোদ ঢোকেনি নিয়মিত অভ্যাসে; তুমি ছেড়ে যাওয়ার পর অভ্যস্ত আদরের অভাবে আমার কখনো জ্বর ওঠেনি, তারাহুরো করে চায়ের কাপে চুমুক দিতে গিয়ে ঠোঁট পুড়ে যায়নি, অথচ আমি কী ভীষণভাবে চাইতাম আমার কোনো তীব্র অসুখ হোক; তুমি ছেড়ে চলে যাওয়ার পর পাঁচ বছরের ছোট্ট মেয়েটা আমার কাছে কখনো বেলী ফুলের মালা বিক্রি করতে আসেনি, রোদে দাঁড়িয়ে থাকতাম অথচ আমার আর কখনো মাথাব্যথা হয়নি, পার্কে কিছুক্ষন বসার জন্য আড়াল খুঁজতে হয়নি। তুমি ছেড়ে চলে গিয়েছিলে ঠিকই,অথচ তোমার অভাব আমাকে কখনো একা থাকতে দেয়নি। -প্রস্থানের পরবর্তীতে স্বপ্নীল চক্রবর্ত্তী

Jodi Tumi Phire Na Asho I Shamsur Rahman I Nilanjana Chakraborty I Arijit Banik I #কবিতা_আবৃত্তি24 Sep 202400:02:08

ছবি - নীলাঞ্জনা চক্রবর্তী উচ্চারন - অরিজিৎ বনিক Sketch - Nilanjana Chakraborty Recitation - Arijit Banik যদি তুমি ফিরে না আসো শামসুর রাহমান তুমি আমাকে ভুলে যাবে, আমি ভাবতেই পারি না আমাকে মন থেকে মুছে ফেলে তুমি আছো এই সংসারে, হাঁটছো বারান্দায়, মুখ দেখছো আয়নায়, আঙুলে জড়াচ্ছো চুল, দেখছো তোমার সিঁথি দিয়ে বেরিয়ে গেছে অন্তুহীন উদ্যানের পথ, দেখছো তোমার হাতের তালুতে ঝলমল করছে রূপালি শহর, আমাকে মন থেকে মুছে ফেলে তুমি অস্তিত্বের ভূভাগে ফোটাচ্ছো ফুল আমি ভাবতেই পারি না। যখনই ভাবি, হঠাৎ কোনো একদিন তুমি আমাকে ভুলে যেতে পারো, যেমন ভুলে গেছো অনেকদিন আগে পড়া কোনো উপন্যাস, তখন ভয় কালো কামিজ প’রে হাজির হয় আমার সামনে, পায়চারি করে ঘন ঘন মগজের মেঝেতে, তখন একটা বুনো ঘোড়া খুরের আঘাতে ক্ষতবিক্ষত করে আমাকে, আর আমার আর্তনাদ ঘুরপাক খেতে খেতে অবসন্ন হয়ে নিশ্চুপ এক সময়, যেমন ভ্রষ্ট পথিকের চিৎকার হারিয়ে যায় বিশাল মরুভূমিতে। বিদায় বেলায় সাজটাজ আমি মানি না আমি চাই ফিরে এসো তুমি স্মৃতি বিস্মৃতির প্রান্তর পেরিয়ে শাড়ীর ঢেউ তুলে,সব অশ্লীল চিৎকার সব বর্বর বচসা স্তব্দ করে ফিরে এসো তুমি, ফিরে এসো স্বপ্নের মতো চিলেকোঠায় মিশে যাও স্পন্দনে আমার। #nilanjanachakraborty #arijitbanik

Biswas I Humayun Azad I #কবিতা #কবিতা_আবৃত্তি #watercolor #NilanjanaChakraborty #ArijitBanik23 Sep 202400:02:24

ছবি - নীলাঞ্জনা চক্রবর্তী উচ্চারন - অরিজিৎ বনিক Sketch - Nilanjana Chakraborty Recitation - Arijit Banik বিশ্বাস- হুমায়ুন আজাদ জানো, তুমি, সফল ও মহৎ হওয়ার জন্যে চমৎকার ভণ্ড হতে হয়? বলতে হয়, এই অন্ধকার কেটে যাবে, চাঁদ উঠবে, পুব দিগন্তে জুড়ে ঘটবে বিরাট ব্যাপক সূর্যোদয়। বলতে হয়, প্রেমেই মানুষ বাঁচে, বলতে হয়, অমৃতই সত্য বিষ সত্য নয়। জানো, তুমি, মহৎ ও সফল হওয়ার জন্যে ভীষণ বিশ্বাসী হ'তে হয়? বিশ্বাস রাখতে হয় সব কিছুতেই। বলতে হয়, আমি বিশ্বাসী, আমি বিশ্বাস করি সভ্যতায়, বলতে হয়, মানুষের উপর বিশ্বাস হারানো পাপ। তাই তো এখন সবাই খুব বিশ্বাস করে, চারদিকে এখন ছড়াছড়ি বিভিন্ন শ্রেণীর বিশ্বাসীর। একদল বিশ্বাস পোষে ধর্মতন্ত্রে, চিৎকার মিছিল ক'রে আরেক দল বিশ্বাস জ্ঞাপন করে প্রভুতন্ত্রে। পুঁজিবাদে বিশ্বাসীরা ছড়িয়ে রয়েছে প্রথম, দ্বিতীয়, তৃতীয়, ও সম্ভাব্য চতুর্থ বিশ্ব ভ'রে। এখন গণতন্ত্রে বিশ্বাস করে এমনকি একনায়কেরা, কী সুন্দর স্তব করে তারা জনতার। আমার শহরের প্রতিটি মস্তান এখন বিশ্বাস করে সমাজতন্ত্রে, বিশ্বাস ছাড়া সাফাল্য ও মহত্ত্বের কোন পথ নেই। আজি জানি সবচেয়ে বিশ্বাসযোগ্য তোমার ওই চোখ আমি জানি সবচেয়ে বিশ্বাসযোগ্য তোমার ওই ওষ্ঠ সবচেয়ে নির্ভরযোগ্য তোমার বিস্তীর্ণ দেহতন্ত্র। তবুও আমি যে কিছুতেই বিশ্বাস রাখতে পারি না। অবিরাম ভূমিকম্পে ধ'সে পড়ে বিশ্বাসের সমস্ত স্তম্ভ। এমন কি মিলনের পর আমাকে জড়িয়ে ধ'রে অন্যমনষ্কভাবে যখন তুমি দূর নক্ষত্রের দিকে চেয়ে থাকো তখন যে আমি তোমাতেও বিশ্বাস রাখতে পারি না। English Translation Faith Humayun Azad "Do you know, to be successful and great, one must be a fantastic vessel? It is said, this darkness will be dispelled, The moon will rise, unfolding vast horizons in the eastern sky, The sun will rise on a grand scale. It is said, in love, people survive! It is said, nectar is the truth, poison is not. Do you know, to be great and successful, one must be fiercely confident? You have to believe in everything. It is said, I am confident, I believe in civilization, It is said, losing faith in humanity is a sin. So, now everyone believes too much, Various classes of believers are spreading everywhere. One group nurtures faith in democracy, Shouting slogans, another group announces faith in autocracy. Believers in capitalism are spreading in the first, second, third, and potential fourth world. Even in democracy, even solitary leaders believe, How beautifully they praise the people. Every street, tough, in my city now believes in socialism, Without belief, there is no path to success and significance. Today I know your eyes are the most trustworthy, I know your lips are the most trustworthy, Your extensive physique is the most reliable. Still, I can't believe in anything. In the continuous earthquake, all the pillars of belief collapse. Even after the enormous intimacy, when you gaze at a distant star Then I can't believe in you even a bit."

Tomar Sathei Thaktam I Swapnil Chakraborty I Nilanjana Chakraborty I Arijit Banik22 Sep 202400:01:51

ছবি - নীলাঞ্জনা চক্রবর্তী উচ্চারন - অরিজিৎ বনিক Sketch - Nilanjana Chakraborty Recitation - Arijit Banik মেঘ থমথম বৃষ্টির জল,মাথাব্যথা জ্বর,প্যারাসিটামল; সব ছেড়ে যায়,তুমিও যাবে। জানতাম। তবুও যখন সন্ধ্যে হতো,বাড়ি ফিরতে,অন্ধকারে; বুকের ভেতর বারুদ নিয়ে তোমার পাশেই থাকতাম। সত্যি সত্যি চলেই গেলে, ভালোবাসা কে ভাড়া দেয় দুশো টাকার কানের দুলে; আমিও চাইলে ভুলে যেতে পারতাম। তবুও তখন সন্ধ্যে হতো,রাস্তাটাও অন্ধকারে; তুমি নেই তো কী হয়েছে,তোমার দেওয়া দুঃখ আছে; তোমার ফিরে আসার সেই রাস্তায় ঠাই দাঁড়িয়ে থাকতাম। শেষ সিগারেট,লাইটার আর তোমার দেওয়া দুঃখটুকু বুক পকেটে রাখতাম। -তোমার সাথেই থাকতাম ©️স্বপ্নীল চক্রবর্ত্তী

Tomar Mon Kharap Hole I Swapnil Chakraborty I Nilanjana Chakraborty I Arijit Banik I21 Sep 202400:03:14

ছবি - নীলাঞ্জনা চক্রবর্তী উচ্চারন - অরিজিৎ বনিক Sketch - Nilanjana Chakraborty Recitation - Arijit Banik তোমার মন খারাপ হলে আমার ভালোলাগে; একটা আস্ত চকলেটের দোকান তোমার কোলে খুব মানাতো,আমার টাকাপয়সা কম তাই ফুল কিনে নিয়ে যাই,হাঁটু গেড়ে বসি,ভালোবাসি বলি,খুব তাড়াতাড়ি চাকরী পাওয়ার আশ্বাস দিই। তোমার মন খারাপ হলে সূর্যাস্ত দেরীতে হয়,সিগারেট ছুঁই না,তোমাকে ছুঁয়ে বসে থাকি। তোমার বিড়াল তুলতুলি আমার দিকে নিষ্ঠুর সতীনের মতো তাকিয়ে থাকে। তোমার মনখারাপ হলে জীবনানন্দের প্রেতাত্মা আরেকটা চান্স নেওয়ার চেষ্টা করে, উত্তম কুমারের আলৌকিক নাম্বার থেকে রোমান্টিক মেসেজ আসে। তুমি পাত্তা দাও না,আমার হাত ধরে বসে একটা সমুদ্রসৈকতের কথা ভাবতে থাকো,যেখানটায় বছরে একবার অন্তত একজোড়া সুখী দম্পতি রহস্যজনকভাবে হারিয়ে যায়। তোমার মন খারাপ হলে ©️স্বপ্নীল চক্রবর্ত্তী

Sabdhan I Swapnil Chakraborty I Nilanjana Chakraborty I Arijit Banik20 Sep 202400:02:29

ছবি - নীলাঞ্জনা চক্রবর্তী উচ্চারন - অরিজিৎ বনিক Sketch - Nilanjana Chakraborty Recitation - Arijit Banik সাবধান হতে হবে, বারবার সেইসব পরিচিত দুঃখের গান শুনে মানুষের কাছ থেকে আলাদা হওয়া যাবে না; হেসে উড়িয়ে দিতে হবে সব ছুঁড়ে দেয়া বিদ্রুপ- ইচ্ছের বিরুদ্ধে গিলতে হবে ভাত,তরকারি আর তুচ্ছতাচ্ছিল্য- যেনো আমি কোনো মাথা উচিয়ে দাঁড়িয়ে থাকা ফাঁকা গোলপোস্ট,যতো পারো লাথি দাও- যেনো আমি কোনো হারিয়ে যাওয়া মানিব্যাগের গোপন চিরকুট,ভাঙতি পাঁচ টাকা। সাবধানে এড়িয়ে যেতে হবে প্রেমিকার সাথে দেবতা পাহাড়ে শীত ছোঁয়ার মৃদু প্রতিজ্ঞা- ভুলে যেতে হবে প্রিয় সিগারেটের ব্র‍্যান্ড,বন্ধুদের অভিজাত আড্ডার স্মৃতি। সাবধানে হাসতে হবে,শব্দ করা যাবে না- যদিও হাসি খুব অপ্রাসঙ্গিক- সাবধানে মনে মনে কাঁদতে হবে,কান্নারা শুধু সিনেমায় সুন্দর। সাবধানে আরো কিছুদিন বেঁচে থেকে আরো সাবধানে মরে যেতে হবে চুপচাপ- হাসপাতাল,আত্মীয়,শেষ স্নানের ঝক্কি এড়িয়ে। সাবধান ©️স্বপ্নীল চক্রবর্ত্তী

Chailei Paro I Swapnil Chakraborty I Nilanjana Chakraborty I Arijit Banik19 Sep 202400:03:34

#abritti #kobita #artisticcommunity Sketch - Nilanjana Chakraborty Recitation- Arijit Banik চাইলেই এড়িয়ে যেতে পারি সব, সিঁড়ি ভাঙার শব্দ শুনে তবু কান পাতি,চোখ চলে যায় শ্যাওলা ছাদে,ফিরে আমাকে আসতেই হয় তোমার কাছে। সমর্পণের বেহায়া আলাপ ,তোমার অমন চুপ করে থাকা আমার কাছে প্রেম। চাইলেই আমি চলে যেতে পারি, ছেলেমানুষী ইচ্ছেরা তবু ট্রাফিকজ্যামের রেড সিগনালে তোমার কাছে ক্যালেন্ডারের পাতার মতো টাঙানো থাকে, তুমি চোখ রাখলেই রোববার আর চোখ নামালে বৃহস্পতি। হিসেবী খাতায় সব লিখে রাখি,মিলিয়ে নেওয়ার ইচ্ছে আছে। চাইলেই বলে দিতে পারো সব, কথা বলতে কণ্ঠ লাগে,কে বলেছে? রোজ রোজ যে সন্ধ্যে হলে চোখেই বলো "আর এসো না। " ওই কথাটা আমার কানে বড্ড লাগে। একদিন তুমি আসতে বোলো, মৃত্যুর মতো জাপটে ধরে ভীষণ বেঁচে থাকতে বোলো, কথা দিচ্ছি,তোমার লকারে জমা রেখে দেবো যমের টিকিট, তোমার চোখের খুব কাছে এসে আমার চোখের একফোঁটা জল খুব আড়ালে এই প্রণয়ের সাক্ষী হবে। চাইলেই পারো ©️স্বপ্নীল চক্রবর্ত্তী ছবি - নীলাঞ্জনা চক্রবর্তী উচ্চারন - অরিজিৎ বনিক

অসুখ । শক্তি চট্টোপাধ্যায় ।18 Sep 202400:01:24

#abritti #bangla_kobita #kobita

Dekhi Tomar Bhalobasa I Sarat Mukhopadhaye17 Sep 202400:02:16

#kobita #bangla_kobita #abritti #Bengali_Poetry #abritti #আবৃত্তি #kobita_bangla #কবিতা #কবিতা_আবৃত্তি #artprocess #paintwithme #artdemo #artisticjourney #artisticcommunity #NilanjanaChakraborty #ArijitBanik ছবি - নীলাঞ্জনা চক্রবর্তী উচ্চারন - অরিজিৎ বনিক Sketch - Nilanjana Chakraborty Recitation - Arijit Banik

Nijer Manush I Swapnil Chakraborty I Padma Mouliswar Aditya I Nilanjana Chakraborty I Arijit Banik16 Sep 202400:04:44

কন্ঠ - পদ্মমৌলিশ্বর আদিত্য ছবি - নীলাঞ্জনা চক্রবর্তী উচ্চারন - অরিজিৎ বনিক Vocal- Padma Mouliswar Aditya Sketch - Nilanjana Chakraborty Recitation - Arijit Banik মুঠো খুলে দেখি আর কিছু নেই; দেওয়ার মতো যা কিছু ছিলো; বিকেল বেলা,টুকরো চিঠি,আদুরে আলাপ, সব নিয়ে গেছো; ফিরিয়ে দেওয়ার বেলায় শুধু আমাকেই দিলে, তাও অর্ধেক,আসল আমি টা তোমার কাছেই। আমাকে কী তুমি দুঃখ ভাবো? পোষাক ভাবো? শোবার ঘরে যাওয়ার আগে স্নানঘরে সব বদলে ফেলো,ঘ্রাণ ধুয়ে দাও আঁজলা জলে; আমি যদি বিদ্রোহ করি? যদি বলি "থেকেই যাবো" তোমার কাছে,রক্তে কিছুটা এখনো আছে, তাও নেবেনা? পুড়িয়ে ফেলবে? অন্য ছলে? তোমার নিজের মানুষ অংক বোঝে? জ্যামিতি কষে? গ্রাফিতি এঁকে বুঝিয়ে দেয়? স্বৈরাচারী আব্দারে রোজ মানচিত্রে আগুন লাগায়? জ্বর উঠলে জলপট্টি কে দিয়ে দেয়? ব্যথার ছলে আদর মাখায় সন্ধ্যে হলে? তাকে তুমি আগলে রেখো,যত্নে রেখো; আমি তো বুঝি কতোটা কী হয়, নিজের মানুষ বদলে গেলে। নিজের মানুষ ©️স্বপ্নীল চক্রবর্ত্তী

Priyo Choto Boyosh | Imran Kais | Arijit Banik |16 Sep 202400:03:42

প্রিয় ছোট বয়স, পড়ালেখা কম হলেও হোক, ( সবার হয়না) জীবনে ঠিক ঠাক থাকতে চাইলে, বড় বেলায় কিছুটা শান্তি এবং সুখে থাকতে চাইলে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ যা যা করা যাইতে পারে। ১. নিজের জীবন থেকে ভান ধরা কমায়ো ফেলো। তুমি যা, যা তোমার পরিচয়, যিনি তোমার বাবা, যেই শ্রেনীতেই তুমি থাকো, সেইটাই প্রকাশ কইরো। কোনকিছু ঢাকার চেষ্টা কইরোনা। বি অরিজিনাল। কাউরে নকল করতে যাইয়োনা। নিজের পরিচয়ে, অসন্তুষ্ট থাকলেও সেইটা লুকানোর চেষ্টা করবার মতন, কষ্টকর বোকামিটা করার দরকার নাই। নিজের অবস্থান নিজের কাছে পরিস্কার থাকা খুব জরুরি। নইলে অসুখ আসে৷ এংজাইটি আসে। সারাক্ষণ একটা স্ট্রেসের মধ্যে থাকা লাগে। লুকানোর জ্ঞান অর্জন করতে করতে, শো অফ করতে করতে সত্যিকার সামনে আর আগানো হয়না। ২ দয়া করে কারো গল্পের সবচেয়ে ক্রুয়েল ক্যারেক্টারটা হয়োনা। কারো মন ভাইঙ্গোনা। প্রতারণা কইরোনা। পেছনে প্ল্যান করে, কারো ক্ষতি কইরোনা। ঠকায়োনা। টাকা পয়শা/ জমি কাইরা নিয়োনা। আমি আমার জীবনে, এরকম 'চালাক' মানুষদের একজনকেও সুখি হইতে দেখিনাই। ৩. দয়া করে, মিথ্যা বলাটা কমায়ে আনো। অজুহাত, ব্লেমিং এসব দুর্বল আত্নার ট্যাকটিক্যাল অবস্থা। সাহসী মানুষ, এসবে ট্যাকটিসে লুকায়া থাকেনা। নানা রকম দু:খ আসবে, ফেইলর আসবে। সবারই আসে। ফেইলরটা তুমি কিভাবে ফেস করো। কিভাবে নিজের ত্রুটি খুঁজে বের করে ফাইট ব্যাক করো, তার উপর নির্ভর করে, তুমি আসলে কত দূর যাবা। নিজের জীবনের সব ঘটনায় আরেকজনের ত্রুটি খুঁজে বের করা মানুষ আসলে খুব বেশিদূর যায়না। ৪ পিছন ফিরে তাকালে, আশেপাশের নানা রকম মানুষের জীবনের দিকে তাকালে, সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ কি মনে হয় জানো? পরোপকার! মানুষের জন্য কিছু একটা করা। মানুষের পাশে দাঁড়ানো মানুষ, মন নরম মানুষ, অন্যের দু:খে দু:খি মানুষ, সাধারনত জীবনে কোন একটা জায়গায় ঠিক পৌছে যায়! এই তথ্যটা সাবকনশাসে রেখো দিয়ো প্লিজ।। -ইমরান কায়েস

তোমাকে একটি চিঠি18 Mar 202400:02:22
লালসাংলিয়ানি রালতে (মিজোরাম) তোমাকে একটি চিঠি আমি তোমাকে নিয়ে একটি কবিতা লিখতে চেয়েছিলাম। যে তুমি, আমার দীর্ঘদিনের আবেগ। আমি বসলাম জানালার ধারে আমার ডেস্কটায়, যেখান থেকে দেখা যায় তারাভরা রাত কত সুন্দর । আমার মনে পড়ছে, তুমিও বসেছিলে আমার পাশেই, নিঃশব্দে, যেন ব্যাঘাত না ঘটে আমার লেখায় । আমি চেষ্টা করলাম, আমার প্রথম পংক্তিটি লিখতে, চেষ্টা করলাম আমার অনুভূতিকে শব্দে আঁকতে। কাব্যের ছন্দে আমি চাইলাম তোমাকে বলতে, কিভাবে আমি তোমার মধ্যে খুঁজে পেয়েছি নিজেকে। তুমি, কতটা মূল্যবান আমার কাছে; আমার বাতাস, আমার জল আমার সূর্য । আমার হাত কাঁপতে লাগলো যখন আমি তোমার নাম লিখলাম। আমি চাইছিলাম তোমার নামটাই আমার কবিতার প্রথম শব্দ হোক, আমার কবিতা তোমার জন্য। কিন্তু আমার মনের সে গভীর ভাবনা আমি পারলাম না ফুটিয়ে তুলতে কাব্যে। তোমার নামের পরে আমি আর লিখতে পারলাম না কিছুই। এটা কাল রাতের কথা । আজ সকালে আমি বসে আছি সেই একই ডেস্কে। এখন সাতটা। এবং আমি এইমাত্র আমার লাল চা শেষ করলাম। আমি ভাবছি, যদি তুমি এখন এখানে থাকতে, কত সুখী, কত তৃপ্ত হতাম আমরা । এখন, এই চিঠিটা আমি তোমার কবরের ওপর রেখে আসব । একটা লাল গোলাপের সাথে। পুনশ্চ – আমার জানালায় এখনও একটা ছোট্ট কালো পতাকা লাগানো আছে। অনুবাদ : কাকলি গঙ্গোপাধ্যায় ৮৭
Je telephone asar kotha I Purnendu Potri08 Mar 202400:02:48
যে টেলিফোন আসার কথা
Tomar jonno bhabi na | Nirendranath Chakraborty | তোমার জন্য ভাবি না । নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী22 Feb 202400:01:45
তোমার জন্য ভাবি না তুমি তোমার ছেলেকে অহোরাত্রি অসংখ্য মিথ্যার বিষ গিলিয়েছ। শৈশবে সে হাসেনি, কেননা সমবয়সীদের সে শত্রু বলে জানত। যৌবনে সে নারীকে ভালবাসেনি, কেননা নারীকে সে নরক বলে জানে। ধীরে-ধীরে সেই অকালবার্ধক্যের দিকে সে এখন এগিয়ে যাচ্ছে, চুলগুলিকে যা সাদা করে দেয়, কিন্তু চিত্তের মালিন্য যা মোচন করতে পারে না । তোমার জন্য আমার কোনো ভাবনা নেই, কিন্তু তোমার ছেলের জন্য আমার বড় দুঃখ হয়। তুমি তোমার মেয়েকে অহোরাত্রি অসংখ্য কুৎসার কালি গিলিয়েছ। শৈশবে সে ফুল কুড়ায়নি, কেননা সে শুনেছিল প্রত্যেকটা গাছেই আছে একানড়ের বাসা। যৌবনে তার জানলা দিয়ে বাতাস বয়ে যায়নি, কেননা প্রতিবেশীর পুত্রকে সে লম্পট বলে জানে। ধীরে-ধীরে সে এখন সেইদিকে এগিয়ে যাচ্ছে, যেখানে দুপুরগুলি বিকেলের মতো বিষণ্ণ আর বিকেলগুলি রাত্রির মতো অন্ধকার। তোমার জন্য আমার কোনো ভাবনা নেই, কিন্তু তোমার মেয়ের জন্য আমার বড় দুঃখ হয়।
Mone Koro I Swapnil Chakraborty18 Feb 202400:02:19

মনে করো আমরা এখন পাহাড়ে,

অথবা সমুদ্রে। 

মনে করো একটা গোটা সিনেমাহল শুধু আমাদের জন্য, অথবা পার্কের সব বেঞ্চ ফাঁকা

-যেমনটা চাও। 


মনে করো আমাদের বিয়েতে কেউ উপহার দিয়ে গেছে প্যারিসের প্লেনের টিকিট,

তোমার আলমারিতে শাড়ির কালেকশন দেখে মাথা ঘুরে অজ্ঞান হয়ে গেছে তোমার হিংসুটে বান্ধবীর দল। 


মনে করো আমার অফিসে অনেক কাজ,অনেক বড় চাকরি করি,সন্ধ্যেবেলা গাড়ি কিনতে যাবো একসাথে-একথা তুমি প্রতিবেশি বৌদিকে বলছো। 

মনে করতে পারো বাচ্চাকে স্কুলে ভর্তি করিয়ে দিতে যাচ্ছি,সে কি ঠিকমতো নিজের নামের অর্থ বলতে পারবে? এ নিয়ে আমরা খুব চিন্তিত। 


মনে করো এইমাত্র যার সাথে তোমার বিয়ে ঠিক হলো সেও ঠিক আমার মতোই অপ্রস্তুত,বেহায়া,বিষণ্ণ কোনো বেকার। 

প্রেমিকার বিয়েতে নির্লজ্জের মতো নেমন্তন্ন খেয়ে ওয়েটারকে দশটা টাকাও বখশিশ দেবে না। 


মনে করো আমি কেউ না,কিছুই না,কখনো কোথাও ছিলাম না। 


মনে করো

©️স্বপ্নীল চক্রবর্ত্তী

মানুষ বড় অভিমানী প্রাণী । সাদাত হোসাইন ।17 Feb 202400:03:10

মানুষ বড় অভিমানী প্রাণী -সাদাত হোসাইন (উচ্চারন - অরিজিৎ বনিক)

মানুষ বড় অভিমানী প্রাণী । সে চায়, তার মন খারাপ হলে প্রিয় মানুষটাকে না বললেও সে বুঝে ফেলুক। ফোন করে খানিক ম্লান গলায় ‘হ্যালো' বলতেই ওপারের মানুষটা বলুক, ‘তোমার মন খারাপ ?' তার এলোমেলো চুল, খানিকটা লাল চোখ দেখে বলুক, ‘তোমার ঘুম হয় নি টেনশন করছ কিছু নিয়ে ?' রাতে ? দুঃস্বপ্ন দেখছ ? টেনশন করছ কিছু নিয়ে ?' সে চায়, মানুষটা বুঝুক কখন শক্ত করে বুকের সাথে চেপে ধরতে হয়, চোখের সামনে আলতো করে হাত ছুঁইয়ে বন্ধ করে দিতে হয় চোখের পাতা। সে চায়, মানুষটা বুঝুক কখন হাতের মুঠোয় হাত রাখতে হয়, ফিসফিসিয়ে বলতে হয়, ‘আমি তো আছিই। তবে মন খারাপ কেন ?') সে চায়, মাঝরাত্তিরে সে টের পাক, পাশের মানুষটা তার মাথার নিচের সরে যাওয়া বালিশটা ঠিক করে দিচ্ছে। শেষরাতে যখন খানিক হিম নামে, তখন জড়িয়ে দিচ্ছে ওম চাদরে । সে চায়, তার জন্য মাঝরাত্তিরেও কেউ বাড়ি ফেরার অপেক্ষায় থাকুক । মনে রাখুক তার জন্মদিনের কথা, প্রথম দিনের কথা, স্পর্শ ও অনুভূতির কথা। সে চায়, তাকে ছুঁয়ে দেখতে গিয়ে কেউ মিথ্যেমিথ্যি অজুহাত বানাক। কেউ কপাল ছুঁয়ে বলুক, ‘দেখি, দেখি, তোমার জ্বর নয় তো ?' অভিমানে দূরে সরে যেতে চাইতেই কেউ বলুক, ‘খানিক ভুল করেছি বলেই দূরে সরে যেতে হবে ? তবে এই যে এত ভালোবাসি, তাতে আরও কাছে আসা যায় না ? আরও আরও কাছে ? অনেক অনেক কাছে ?' মানুষ বড় অভিমানী প্রাণী । তারা দুজনই কেবল ভাবে, এসবই ওই মানুষটা করুক। ওই অন্য মানুষটা। কিন্তু শেষমেশ করা হয় না কারোই। তাই কাছে আসার রঙিন দিনেরা ক্রমাগত দূরে যাওয়ার ধূসর, বিবর্ণ গল্প হয়। মানুষ বড্ড অভিমানী প্রাণী । অভিমানে সে ক্রমশই দূরে চলে যায়, বুকে পুষে রাখে এক সমুদ্র আক্ষেপ ।

এই সিঁড়িতে পথ নেই আমার । সাদাত হোসাইন 16 Feb 202400:01:41

উচ্চারন - অরিজিৎ বনিক এই সিঁড়িতে পথ নেই নামার এই যে অসংখ্য মানুষ ফেলে আমি চলে আসি তোমার কাছে, অজস্র পথ রেখে চলে আসি তোমার পথে, এই যে জগতের সব প্রাপ্তি উপেক্ষা করেও আমি অপেক্ষায় থাকি তোমার, তুমি কি তা বুঝতে পারো ? এই যে জলের মতন আমার বুকেও ছলাৎছলাৎ শব্দ হয়, এই যে মেঘের মতো আমার বুকেও বিষাদ জমে, এই যে বৃষ্টির মতো আমার চোখেও কান্না হয়, তুমি কি তা বুঝতে পারো ? এই যে অগণন ঠিকানা রেখেও আমি চিঠি লিখে যাই তোমার ঠিকানায়, অগুনতি আনন্দ ফেলেও আমি দুঃখ পেতে যাই তোমার কাছে, এই যে অসীম আকাশ ফেলেও আমি বন্দি হতে চাই তোমার খাঁচায়, তুমি কি তা বুঝতে পারো ? জানি পারো না! তাতে দুঃখ নেই আমার । কারণ, ভালোবাসা কিংবা দুঃখ তো জানেই, এ সিঁড়িতে পথ নেই নামার!

Duti Matro Okkhor I Sunil Gangulee 16 Feb 202400:02:06

উচ্চারন - অরিজিৎ বনিক দুটি মাত্র অক্ষর -সুনীল গঙ্গোপাধ্যায় স্বপ্নে নয়, বুকের মধ্যে একটা কুঁড়েঘরের দরজায় দাঁড়িয়ে নীরা হাত বাড়িয়ে দিয়ে বললে, এসো তারপর আমি মাঠে মাঠে ঘুরছি, রোদ্দুরে ঝলসে যাচ্ছে কপাল, কিংবা বৃষ্টি ভিজে সপসপে, ভয় দেখাচ্ছে জ্যাঠামশাইয়ের বকুনির মতন মেঘের হুংকার চটি ছিঁড়ে যাক, পায়ে কাঁটা ফুটুক কিছু আসে যায় না, আমি শুধু শুনতে পাচ্ছি দুটিমাত্র অক্ষরের পরম বাঙ্ময়তা, যেন মহাকাশের সংগীত হাট করে খুলে যাচ্ছে দুনিয়ার সব দরজা গভীর অরণ্য থেকে ভোরবেলায় আলো এসে বলছে, এসো এইমাত্র জন্ম হল যে-ঝর্নার, সে বলছে, এসো মধ্য রাত্রির আকাশের শান্ত নীরবতা বলছে, এসো শুধু প্রকৃতিতে নয়, শুধু হৃদয়ে নয়, শরীর বলছে এসো ওষ্ঠের অমৃত, স্তনবৃন্তের উষ্ণতা, যোনির লাবণ্য বলছে, এসো আরও পরে, আরও গভীরে, যেখানে সময়ের সঙ্গে মিশে আছে চিরকালের শূন্যতা সেখান থেকেও ডাক শুনতে পাচ্ছি, এসো এক জন্মের সমস্ত চলে যাওয়ার মধ্যে ধ্বনিত হচ্ছে, এসো—।

Tobu Tumi Thako - Imran Kais21 Sep 202300:01:54
‘বিচ্ছেদ মানে মৃত্যু আসলে!’
© My Podcast Data · Independent project · Data from Apple & Spotify